গলির শেষ মাথায় দাঁড়িয়ে নিবিষ্ট মনে দেখি
নারকেল গাছে দিশেহারা পাখির শিল্পিত নীড়
যে নীড়ে রয়ে গেছো আজো তার অব্যক্ত
ক্লান্তি-সুখ-স্বপ্ন ও প্রেমের অপার্থিব গল্প।
আমি কান পেতে শুনি ওই শহুরে পাখির
নিজস্ব গোধুলিবেলার রোমাঞ্চকর গল্প।
তারপর নিজেকে মনে হয় বরফযুগে জন্ম নেওয়া
নিতান্ত অপরিচিত অসাধারণ কোনো ভীতু মানব।
অতপর: আমার কুয়াশচ্ছন্ন ঘরে ফিরে গিয়ে দেখি
সিলিং ফ্যানে ঝুলছে মর্মান্তিক মেঘলা বিকেল
কোমল টেবিলের ধারে অপেক্ষার প্রহর গুণছে
আমার আজন্ম প্রিয় হিংসুটে বিকেলের রোদ।
হাতে তুলে নিই আমার সমাধি পুস্তক যেখানে
আমার রক্ত রূপান্তরিত হয় একে একে
মেধাবি-আবেগি এবং স্বপ্নীল অথবা ভীতু শব্দে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


