somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রার্থনা (সুইসাইড নোট)

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছোট বেলা থেকেই আমি কারউ অশান্তীর কারন হতে চাই নি।
কিনতু ২০০৫ সালে যখন আমার বাবার চাকরী চলে গেলো,
তখন আমি আমার পরিবারে নিজ প্রয়োজনীয়তা হারিয়ে ফেললাম।
আমার পরিবারে তখন আমি অশান্তির কারন হলাম।
কিনতু বিশ্বাস করো সেখানে আমার দোষ ছিলো না।
দোষ বলবো না। অভাব বলবো। অভাব ছিলো আমার বাবার কিছু প্লানের।
কারন তিনি আমার জন্য কখনো সেভাবে ভাবেই নি।
যেনো আমি আকাশ থেকে পরেছিলাম। আমার যেন কেউই ছিলো না এই দুনিয়ায়।
যখন বুঝলাম আমি নিজে এই অশান্তির কারন
তখন নিজ ঘর ছাড়লাম। দেশ ছাড়লাম।
তারপরের ঘটনা ২০১২ সালের। আরেকজনের জীবনে অশান্তীর কারন হলাম।
বুজতে পারলাম আমি নিজেই এই অশান্তীর কারন। কিন্তু সেটা আমার বিশ্বাস হত না।
খুব ভালো তো বেশেছিলাম তাকে। তাই সময় লাগলো ব্যাপারটা বুজতে।
চার বছর কেটে গেলো। নিজ থেকেই সরে আসলাম তার থেকে।
বিশ্বাস করো, আজ দুইটা বছর ঘুমের মধ্যেও আমি তার ছায়াও মারাতে চাই না অন্তর থেকে।
কারন আমি যে তার অশান্তির মুল।
আজ আমি দেখি আমাকে ছাড়া সে বেশ ভালো আছে।
আর তার ভালো থাকাটাই আমি চেয়েছিলাম।
তাইতো নিজ থেকেই সরে এসেছি তার থেকে।
আমার একটা অনুজ আছে।
আমি অনেক গুলোদিন থেকে দেখেছি আর বুঝেছি আমি তার জন্যও অশান্তির কারন।
কারন আমি ফোন করলেই ও পালাবার রাস্তা খুজত।
তাই তাকেও ফোন করা ছেড়ে দিয়েছি।
বলতে পারো তার পথ থেকেও আমি সরে এসেছি।
এখন তো ছিলে তুমি।
তাই তোমাকে জ্বালাতাম
সব আবদার তোমাকে করতাম।
রাত বিরাতে ফোন করতাম।
এটা ওটা চাইতাম
মনে আছে তোমার, তুমি একদিন রাতে ঘুমিয়ে ছিলে।
আমি তোমাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে লুডুলস খেতে চাইলাম।
অনেক জালাই তোমাকে তাইনা।
আসলে আমি জন্ম থেকেই সবাইকে জালিয়ে আসছি।
কারন সবাইকে তো খুব সহজেই আপন ভেবে ফেলি।
তাই অসময়ে অনেক কিছু চাই। মনে করি সে তো আমার নিজের মানুষ।
আমার কথাটা অন্তত রাখবে।
কিন্তু তোমার কাছে সেটা অশান্তি হয়ে যায়।
এটা তোমার দোষ না।
দোষ আমার।
আমি যার কাছেই থাকি তারই অশান্তীর কারন হই।
তাই হয়তো তোমার কাছে থেকেও আমাকে সরে যেতে হবে।
আমি আসলে চাইনা আমি কারউ জীবনে অশান্তীর কারন হই।
সবাই সুখে থাকুক আমাকে ছাড়া এটাই আমার প্রার্থনা।

(সংকলিত একটা সুইসাইড নোট থেকে)

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৫৬
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্পঃ ভোজ

লিখেছেন ইসিয়াক, ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৪০


গতকাল শরীরটা ভালো ছিলো না। তার জেরেই সম্ভবত ঘুম থেকে উঠতে বেশ বেলা হয়ে গেল। ঘুম ভাঙলেই আমি প্রথমে মোবাইল চেক করে দেখি কোন জরুরী কল এসেছিল কিনা। আজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেরার ট্রেন

লিখেছেন Sujon Mahmud, ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:১২


ঈদের ছুটিটা যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। বারোটা দিন—ক্যালেন্ডারের হিসেবে ছোট, কিন্তু হৃদয়ের হিসেবে এক বিশাল পৃথিবী। সেই পৃথিবীতে ছিল হাসি, ছিল কান্না, ছিল ঘরের গন্ধ, ছিল প্রিয় মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক: একটি প্রগতিশীল (?) অগ্রযাত্রা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:০৮


আমি আসলে জন্মগতভাবেই খুব আশাবাদী মানুষ। সত্যি বলছি। ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে যখন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন নীতিমালা জারি করল, আমি মনে মনে বললাম , অবশেষে কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন চালাতে শহরে থাকা কিন্তু বেঁচে থাকা যেন বাড়িতেই

লিখেছেন Sujon Mahmud, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৯

ঈদের ছুটিটা কেমন যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, এই তো সেদিন বাড়ি গেলাম—মায়ের হাতের রান্না, বাবার গল্প, ছোট মেয়ের হাসি, আর স্ত্রীর সেই নীরব অভিমান… সবকিছু মিলিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×