somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিয়ের পর বরের আসল চেহারা উন্মোচন

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কেমন সে চেহারা? বিয়ের আগে তানজিল বলেছিলো, সে অনার্সের ছাত্র। পরে দেখা গেলো এসএসসিও পাস করেনি। ‘অন্তরাকে ছাড়া বাঁচবো না, সুখের সংসার গড়ে তুলবো’ এরকম কতোই না বাহানামার্কা কথা। বিয়ের কয়েকদিনের মাথায় তানজিল মোটরসাইকেল দাবি করে। কৌশলে টাকাও চায় সে। এসব অভিযোগ করে অন্তরার মা বললেন, কী করবো বলো বাবা! মেয়ের সুখের কথা ভেবে মোটরসাইকেল দেয়া হলো। নগদ দেয়া হলো ত্রিশ হাজার টাকা। এতেও মন ভরলো না। অবশেষে আলমডাঙ্গা উপজেলা শহরের একটি হোস্টেলে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করে। নির্যাতনের শিকার অন্তরাকে গতকাল বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে সুমিতা আক্তার অন্তরা ও তার পাশে থাকা নিকটজনেরা বলেন, অন্তরা এখন এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। সে আলমডাঙ্গা খাদিমপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুরের আনিছুর রহমানের মেয়ে। বছর দু আগে তার সাথে মোবাইলফোনে পরিচয় হয় একই উপজেলার ভাংবাড়িয়া মহেশপুরের তানজিলের সাথে। তানজিল সে সময় নিজেকে অনার্সের ছাত্র বলে দাবি করে। মোবাইলফোনেই প্রেম। পরে দেখা হয়। বিয়ের সিদ্ধান্তও নেয় তারা। বিয়ে হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের বিছানায় অন্তরা এসব বলতেই উদাসীন হয়ে গেলেন। তার দু চোখের কোণ গড়িয়ে ঝরলো অশ্রু। নির্বাক হয়ে পড়লো সে।
বিয়ের ১ বছর ৮ মাসের মাথায় গতকাল বৃহস্পতিবার অন্তরাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্লেডের পোঁচ। চোখের ওপর কালসিটে দাঁগ। কেনো? গতপরশু বুধবার বিকেলে স্বামী তানজিলের সাথে আলমডাঙ্গার একটি হোস্টেলে দেখা করতে গিয়েছিলো। সেখানে দেখা করার জন্যই তানজিল তার স্ত্রীকে ডেকে ছিলো। সেখানেই ব্লেড দিয়ে পোঁচানো হয়। কিলঘুষি মেরে জখম করা হয়। অন্তরার বরাত দিয়ে তারই শয্যাপাশে থাকা কয়েকজন এ অভিযোগ করে বললেন, পরশু সন্ধ্যায় তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নেয়া হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তানজিল আলমডাঙ্গার পল্লি মহেশপুরের আবু তাহেরের ছেলে। সে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে অন্তরা।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:০৫
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এসো ঈদের গল্প লিখি..... পড়ি

লিখেছেন অপ্‌সরা, ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:১১


আরও অনেকের গল্প পড়ার অপেক্ষায়..... স্বপ্নের শঙ্খচিলভাইয়া, নতুন নকিবভাইয়া, প্রবাসীকালোভাইয়া,ওমর খাইয়ামভাইয়া, হুমায়রা হারুন আপুনি, করুনাধারা আপুনি, মেহবুবা আপুনি, রাজীব নূর ভাইয়া, রানার ভাইয়ার গল্প পড়তে চাই, জানতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কে আমারে ডাকে?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২০

কিছু কিছু গান তৈরির পর সৃষ্টির আনন্দে আমি অত্যধিক উচ্ছ্বসিত হই। এ গানটার ফিমেইল ভার্সনটা তৈরি করেও আমি অনেক অনেক তৃপ্ত। আপনারা যারা ফোক-ক্ল্যাসিক্যাল ফিউশন ভালোবাসেন, এটা তাদের জন্য উপযুক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের ভুল বনাম যুদ্ধকৌশল

লিখেছেন আলামিন১০৪, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০৯






ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করেছিল এবং তার মাশুল দিচ্ছে হাড়ে-হাড়ে। যখন গাজার শিশু-মহিলা-আপামর জনসাধারণকে নির্বিচারে বোমা-ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছিল তখন আম্রিকা বলেছিল ঈসরাইলের উপর হামলায় ইরানের ভূমিকা নেই- মানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লোভে পাপ, পাপে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৫২


"মাংস সমিতি।" এরকম নাম শুনলে প্রথমে হাসি পায়। সঞ্চয় সমিতি শুনেছি, ঋণ সমিতি শুনেছি, এমনকি মহিলা সমিতিও শুনেছি। কিন্তু মাংস সমিতি? তারপর একটু ভাবলে হাসি থেমে যায়। কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৪


আজ বাদে কাল ঈদ। ঈদ-উল-ফিতর প্রতি বছর আমাদের জীবনে নতুন নতুন অনুভূতি নিয়ে ফিরে আসে, তবে এই আনন্দের জোয়ার সবচেয়ে বেশি আছড়ে পড়ে শিশু-কিশোরদের মনে। সেই ছোটবেলার কথা মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×