প্রতিনিয়ত পত্রিকার পাতা খুলে দগ্ধদের চিত্র দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারি না।বরাবরের মতো আজও সে একই অবস্থা।ক্ষমতার রদবদলের জন্য সহিংসতাই একমাত্র মাধ্যম,যা বিগত সময়গুলো থেকে দেখে আসছি।তবে এই রেওয়াজের পরিবর্তন আজ সময়ের দাবি।ক্ষমতা, অর্থ, সম্পদ মানুষকে এতটাই অন্ধ করে রাখে যে বিবেকের জায়গাটুকু ক্রোধের মোড়কে আবদ্ধ থাকে।গানের সে গীতিকথার "মানুষ মানুষের জন্য নয় এখন মানুষ ক্ষমতার জন্য,মানুষ অর্থের জন্য,প্রতিপত্তির জন্য আপন স্বার্থের জন্য।ক্ষমতা আর দম্ভ লিপ্সার জন্য আজ বিপন্ন জীবন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যাক্তিটার,সবার ভবিষৎস্বপ্নের ছোট্ট শিশুটির,বয়োবৃদ্ধ,এবং সুঠাম দেহের যুবকের।অধিকার আদায়ের ভাষা কি মানুষ পুড়ানো? অধিকার আদায়ের ভাষা কি হানাহানি? অধিকার আদায়ের ভাষা কি রাস্তায় পিটিয়ে মানুষ হত্যা? অধিকার আদায়ের ভাষা কি ককটেল? অধিকার আদায়ের ভাষা কি নৈরাজ্য? অন্যদিকে, শৃঙ্খলা বজায় রাখা মানে কি বিচারবহির্ভূত হত্যা?ধর্মনিরপেক্ষতা মানে কি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের মৌলিক বিষয়ের উপর হস্তক্ষেপ?গণতন্ত্র রক্ষা মানে কি বাকরুদ্ধ করে রাখা?সোনার বাংলা গড়ে তোলা মানে কি বিরোধীতাকারীদের বন্দুকের নলের ক্ষিপ্র গতির বুলেটে দমন?বঙ্গবন্ধু ও নিশ্চয়ই এমন ধ্বংসলীলা গৃহযুদ্ধে লিপ্ত সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেন নি।নিশ্চয়ই দেখেননি শহীদ জিয়া, ভাসানী,তাজউদ্দীনের মতো ত্যাগী নেতারাও।তাহলে কাদের অনুসরণ করছে আমাদের সরকার এবং বিরোধীরা?আমরা পরিবর্তন চাই সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য। আমরা পরিবর্তন চাই দেশেকেউন্নত রাষ্ট্রে হিসেবে পরিচিত করাতে বিশ্বদরবারে।চাই মাথা উন্নত করে বাঁচতে মানুষ,মানবিকতার বার্তা নিয়ে সেবাকে সবার সহজলভ্যতায় রূপ দিতে।এই পরিবর্তনের জন্য সংঘাত নয় সংলাপ চাই।নৈরাজ্য নয় শান্তি চাই।ককটেল মুঠো হাত নয় শান্তি পয়গামের পতাকার হাত চাই।বাকরুদ্ধ সমাজ নয় জবাবদিহিতার সমাজ চাই।দুর্নীতির নয় উন্নয়ন,উন্নতির রাষ্ট্র চাই।বিচারবহির্ভূত হত্যা নয় ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা চাই।স্বার্থান্ধ শাসক নয় ন্যায়বিচারক বাদশা চাই।
স্বার্থান্ধ শাসক নয় ন্যায়বিচারক বাদশা চাই
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
মুহাম্মদ আলি জিন্না

১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন
মতামত পোস্ট: ২২ সালে লিখেছিলাম: যে শঙ্কা ছিলো তা আজকের বাস্তবতা

আমাদের কওমি জননী সত্যি কি অসাম্প্রদায়িক? হলে কতোটা? প্রশ্ন থাকলো সবার কাছে। তেতুল হুজুর মাওলানা শফি খুব ভক্তিভরে তাকে কওমি জননী উপাধি দিয়েছিলেন। এমনি এমনি তো আর নয়। অত্যন্ত মহব্বত... ...বাকিটুকু পড়ুন
"রিকন্সিলিয়েশান"....ইহা কি খায় নাকি মাথায় দেয়?

সত্যি সত্যিই তাদের সুযোগ ছিলো ২৫ শে মার্চ এর পর যাবতীয় অপকর্ম জনগণের কাছে স্বীকার পূর্বক,
/মুক্তিযুদ্ধে তাদের দ্বারা নৃশংসতার শিকার জনগণের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা,
/তাদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে এবং,
/সব... ...বাকিটুকু পড়ুন
সেরা লেখক

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা... ...বাকিটুকু পড়ুন
=ডায়াটে একদিনের খাবার=
ডায়াটের প্রথম দিকে-একদিনের খাবার। বর্তমানে আমাদের দেহে রোগসুগের অভাব নাই। ডায়াবেটিস, প্রেসার, ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ বলা নাই কওয়া নাই শরীরে এসে বাসা বাঁধে।
আর এসব রোগের একমাত্র কারণ আনহেলদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।