
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের নেতা ফারুক হাসানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে পরিবার থেকে জানানোর পর তাকে দুই মাস আগের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
যাক বাবা , অবশেষে পুলিশ স্বীকার করলো নিখোঁজ ফারুক তাদের কাছে , তাকে মোটর সাইকেল পোড়া্নো মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছে।
অথচ একদিন আগেই পত্রিকায় সংবাদ ছাপা হয়েছে , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন রহমান ও তার বাহিনী 'কোটা সংস্কার আন্দোলনে'র অন্যতম নেতা ফারুককে ধরে শাহবাগ থানায় পুলিশে দিয়ে এসেছিলেন ! কিন্ত স্বজনরা যখন থানা-পুলিশের কাছে খোঁজ নিতে গেছেন তখন পুলিশ অস্বীকার করেছে,' ফারুক নামে কাউকে থানায় আনা হয়নি।'
ছাত্রলীগের এই নতুন ভূমিকায় বোঝা যাচ্ছে বাংলাদেশের রাজনীতির আরেকটি গুণগত রূপান্তর ঘটে গিয়েছে। আগামীদিনে আইনশৃংখলা বাহিনীর মানব সম্পদ কোথা থেকে জোগাড় হবে তার ইঙ্গিতও আমরা পাচ্ছি।
যেখানে এরকম পেটোয়াবাহিনী আছে সেদেশে আলাদা করে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর দরকার কি?
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ সকাল ৭:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




