somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমি শান্তির দলের

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইসলাম একটা মিথ্যা ধর্ম । এই ধর্মের কোন ভিত্তি নাই । পুরোপুরি একটা অন্ধবিশ্বাস । এর কোন রকম অস্তিত নাই । আল্লাহ-নবী , কোরআন-হাদিস , এগুলো আসলে ভন্ডামি । মানুষ নিজের সিধান্তে চলতে ভালোবাসে । কারো উপর কোন সিধান্ত চেপে দেয়া কি কোন শান্তির ধর্ম হতে পারে ?
একজন মুসলমানের গা জ্বালা করা উচিৎ কথা তার ধর্ম নিয়ে এই সব কথা শুনলে । সে মনে প্রানে বিশ্বাস করে ইসলাম একটি শান্তির ধর্ম । তার এই বিশ্বাসের যায়গায় আঘাত করলে তার কষ্ট হবেই । মানুষ মাত্রই এটা স্বাভাবিক । কিন্তু ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম কি পৃথিবীতে নেই। সেই ধর্মের কি কোন অনুসারী নেই? আছে এবং তারা জেনেশুনে সেই ধর্মের অনুসারী । কারন, তাদের ধর্ম নিয়ে তারা সন্তুষ্ট । তাদের কাছে সেটাই সত্যি। বাকি সব মিথ্যা। যেটা মুসলমানের ক্ষেত্রেও একই। তাদেরও যদি তাদের ধর্ম নিয়ে কিছু বলা হয় , তাদের’ও গা জ্বালা করবে আপনার মত । ধর্ম নিয়ে অনুভুতি কি আলাদা আলাদা ? তা কখনোই নয় । অনুভুতি সবার সমান।

আমি যদি একজন মুসলমান কে বলি , তুমি ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে নতুন একটা ধর্মে চলে আসো । এই কথা তীব্র বুলেটের চেয়েও বেশী জোরে আঘাত হানবে । ঠিক একই আঘাত লাগবে অন্য কোন ধর্মের লোককে এই কথা বললে। এই আঘাতের প্রতিঘাত স্বাভাবিক । অনেক সময় এই প্রতিঘাত অনেক তীব্র হতে পারে । যে কাজের মধ্যে ঘাত প্রতিঘাত ব্যাপারটা আছে , সেটা নিশ্চই ভালো কোন কাজ নয়।

আরব'রা তখন মুর্তিপূজা করতো, মেয়ে সন্তান পুতে রাখতো , দাস প্রথা ছিল। ডুবেই যাচ্ছিলো একটা জাতি। হঠাৎ একজন এসে সেই জাতি কে পরিবর্তন করার চেষ্টা করলেন । তিনি মুর্তিপূজারীদের ধর্ম অনুভুতিতে আঘাত করলেন । তাদের বলেন - তোমাদের এই ধর্ম মিথ্যা। এই ধর্মের কোন ভিত্তি নাই । পুরোপুরি একটা অন্ধবিশ্বাস । এর কোন রকম অস্তিত নাই । এই কথা শোনার পর তারা চুপচাপ বসে থাকবে না । ধর্মের অনুভুতি তাদের’ও ছিলো । তারা এই আঘাতের প্রতিঘাত বা প্রতিশোধ নিবেই।

ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে সভ্য হয়ে যায় জাতিটা । একটা নতুন দল তৈরী হয় , শান্তির দল। দলের কেউ কোন খারাপ কাজ করে না। তারা খাওয়ার আগেও আশে পাশে দেখতো - খাওয়ার কেউ বাকি আছে কিনা; থাকলে নিজের খাবার তাকে দিয়ে দিতো। নিজে খাওয়ার চাইতে অন্যকে খাওয়াতেই বেশী আনন্দ হত এই দলের লোকদের । কিভাবে তারা এত সভ্য হল ? তাহলে কি তখনকার মানুষের ধর্মের কোন অনুভুতি ছিলো না ? তাদের ধর্মের উপর আঘাত করেও বেঁচে গেলো লোকটা ?

ঘাত-প্রতিঘাত তখনো হয়েছিলো । কিন্তু সবার তো আর আঘাত করার পদ্ধতি এক না । যে লোকটা পরিবর্তন করেছিলো একটা পুরো জাতিকে , তার তো আঘাত করার পদ্ধতি এবং ক্ষমতা একটু আলাদা হবেই । তার আঘাত করার ক্ষমতার অনেক উদাহরন আছে ।যেমন, প্রতিদিন এক বুড়ি তাকে কাঁটা দিয়ে আঘাত দিতো , একদিন তিনি বুড়ির মনে আঘাত দিলেন । এমন আঘাত দিলেন - বুড়ি আর পথে কাটা দিতো না , বুড়ি চলে এলো শান্তির দলে। এই ভাবে আঘাত দেয়ার পদ্ধতি তখন প্রচার হতে শুরু করলো। ধর্মীয় অনুভিতে আঘাত করার মত খারাপ কাজ করতে থাকলো শান্তির দলের মানুষরা। বাড়তে থাকলো শান্তির দল ।

শান্তির দল কিভাবে চলবে তার একটি সংবিধান প্রয়োজন। দলের পরিচালক তৈরি করছে না এই সংবিধান। তৈরি করছে দলের মালিক । দলের পরিচালক তো শুধু পরিচালনা করে। যা করার মালিক নিজেই করে । সংবিধানে লিপিবদ্ধ হচ্ছে , কিভাবে চলবে এই দল , কিভাবে চলবে এই দলের মানুষ। প্রতেকটা বিষয় উঠে আসছে এই সংবিধানে। সংবিধান লিখতো দলের মালিক । দলের লোকজন কে তা বুঝিয়ে দিতো দলের পরিচালক। তৈরী হয়ে যায় দলের সংবিধান এবং দলের লোকের জীবন পদ্ধতি। বাড়তেই থাকে শান্তিকামি লোকের সংখ্যা।

দলটা বড় হতে হতে বিশাল আকার ধারন করে । জাতি ছাপিয়ে ছড়িয়ে পরে পুরো বিশ্বে । চলে আসে ভারতীয় উপমহাদেশে। এখানেও ভারী হতে থাকে দলের পাল্লা । আমার কোন এক পূর্বপূরুষ এই দলে ভিড়েছিলো। বংশপরিক্রমায় আমিও এই দলের মধ্যে পরে যাই। আমার পূর্ব পূরুষের কাছে জেনেছি,
এই দল একটি ধর্ম ।যার নাম “ ইসলাম ” ( ঠিকই তো আছে , ইসলাম মানে শান্তি। শান্তির দল )
দলের সংবিধানের নাম “ কোরাআন”
দলের পরিচালকের নাম “ মোহাম্মদ(সাঃ)”
দলের মালিক কে আমরা “আল্লাহ” বলে ডাকি।
আর পরিচালকের চলাফেরা কে আমরা “হাদিস” বলি ।
পিতার মাধ্যমে দলের নিয়ম কানুন সম্পর্কে শিখতে লাগলাম।ভালোই লাগলো ।পরবর্তিতে নিজেই অজান্তেই আরেকবার যোগ দিলাম এই দলে । আমার দল শান্তি , আমার দল ইসলাম। আমার মাঝে বেরে উঠতে থাকে আমার ইসলাম।

অনেক বড় একটা ধাক্কা খাইলাম যখন পৃথিরীর ইসলাম সম্পর্কে জানতে শুরু করলাম । বুঝতে শুরু করলাম আমার ইসলাম আর পৃথিবীর ইসলাম আলাদা । এটা কিভাবে সম্ভব? দলনেতা একজন , দলের মালিক একজন , দল আলাদা আলদা ? তাহলে কি ইসলামের বিভক্তি আছে ? একটা আমার ইসলাম , আরেকটা পৃথিবীর ইসলাম ? আমার ইসলামের কোন বিভক্তি নেই । কিন্তু পৃথিবীর ইসলামে আছে । যেমন , বাংলাদেশী হিসেবে জানি, বাংলাদেশেই ইসলাম অনেক গুলো ভাগে বিভক্ত। আমি যে শব্দ বা বিভক্তি গুলো জানি, সিয়া, সুন্নি , মোহাম্মাদি , তবলিগ, হেফাজত, জামাত, পীর-ফকির, জঙ্গি দল গুলোর কথা না’ই বা বললাম।তারাও নাকি ইসলাম ধর্মের অনুসারী। মজার ব্যাপার টা হলো, সবার কাছেই তাদের টা ঠিক। অন্যটা ভুল । তার’চে বড় কথা একজন অন্য জনার কথা সহ্যই করতে পারে না , ভাবটা এমন - তারা ছাড়া সবাই ইসলামটা কে নষ্ট করে ফেলছে । কিন্তু সবাই মিলে কখনো এক হওয়ার চেষ্টাও করে না ।

জ্ঞানের সল্পতার কারনে হয়তো আমি জানি না কে ঠিক , কে ভুল । জ্ঞানের সল্পতা ছাপিয়ে উঠতে হোক বা ইসলাম সম্পর্কে আরো জানার জন্য হোক । তাদের দিকে তাকালাম, যারা ইসলাম সম্পর্কে পড়াশুনা করে । আমার চোখ বড় বড় হয়ে গেলো , যারা ইসলাম সম্পর্কে পরাশুনা করতে শুরু করে , তারা আসলে বেশিরভাগই স্বাভাবিক অবস্থা থেকে আসে না । তারা আসে প্রতিকুল অবস্থা থেকে । যেমন, ছেলের লেখাপড়ার খরচ দিতে পারছে না বাবা, দাও মাদ্রাসায় ভর্তি করে । এই ছেলেটা বুদ্ধিসুদ্ধি কম , দাও মাদ্রাসায়। এই ছেলেটার কেউ নাই , দাও এতিম খানায় । হাফেজ হয়ে বের হবে । একমাত্র আদরের ছেলেকে কেউ মাদ্রাসায় দেয় না কেন? শুধু বিশেষ বিশেষ বাচ্চাকে কেন দেয়া হয় ? এই বাচ্চাদের কোন উপায় নেই বলে । এখানে কি তাদের ইসলাম শিখতে দেয় ? নাকি মাথা থেকে বোঝা নামানোর জন্য দেয় । যদি ইসলাম শেখানোর জন্যই দিতো , তাহলে ইসলাম শিক্ষা ব্যাবস্থ্যা তে সবার এত অনিহা কেন?

ইসলাম শিক্ষা ব্যাবস্থ্যাতেও বিভক্তি । এখানকার অবস্থা আরো খারাপ । অনেক বেশী কষ্ট পাই, যখন দেখি এখানেও অনেক বড় বড় পার্থক্য । কওমি মাদ্রাসা , আলীয়া মাদ্রাসা , দাখিল, হাফেজী মাদ্রাসা ইত্যাদি ইত্যাদি। সবার পদ্ধতি আলাদা আলাদা । এখানেও কেউ কাউকে সহ্য করতে পারে না । এক মাদ্রাসার হুজুরের জ্বর আসে অন্য মাদ্রাসার হুজুরের নাম শুনলে । তিনবার নাউজুবিল্লাহ বলে গোসল করে আসে। কেউ কাউকে সহ্য তো করতে পারেই না বরং সমালোচনা করে । এ কি অবস্থা আমাদের ধর্ম শিক্ষক দের । কি শিক্ষা দিবেন এনারা । কি শিখবো আমরা । ছাত্ররা এখান থেকে ইসলাম শিখছে না । শিখছে বিকৃত ইসলাম । যা আমাদের সমাজের জন্য ক্ষতিকর । শুধুই কি আমাদের সমাজের জন্য ?

বিকৃত শিক্ষা পাওয়া এই ছাত্ররা নিজেরাও বিকৃত হয়ে যায় আস্তে আস্তে। কেন হবে না , এদের তো পিছুটান বলতে কিছু নাই । আগেই বলেছি , এরা উঠে এসেছে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে । এরা যোগ দিচ্ছে বা তৈরী করছে কোন জঙ্গি সংগঠন । আতঙ্ক তৈরী করছে । মানুষ মারছে । তাও আবার ইসলাম কে সামনে রেখে । ইসলামের নাম ব্যাবহার করে । বাইরের কেউ যখন দেখছে তখন তারা দেখছে এটা করছে ইসলাম পন্থি লোক । তাদের আর কি দোষ , তারা তো ইসলামের ভিতরে ঢুকে দেখবে না আসল ইসলাম কেমন । বরিশালের মানুষ কি বাটবার ? মোটেই না । হয়তো হাতে গোনা কয়েকজন বরিশাইল্লা বাটপারি করেছিলো কোন কালে । তখন থেকেই আমাদের মনে একটা ধারনা তৈরী হয়েছে , বরিশাল মানেই খারাপ । ব্যাপারটা অনেকটা এরকম । সেই কারনেই বিশ্বের অনেক দেখে মুসলমান ঢুকতে দিতে চায় না । সুজোগ পাইলেই অপমান করে মুসলমানদের । প্রতিবাদ করতে ইচ্ছা করে , এটা আমার ইসলাম না । যারা এগুলা করছে তারা মুসলমান না ।

প্রতিবাদ করার সুজোগ টা কোথায় ? যদি প্রতিবাদ করার চেষ্টা করি আমার উল্টা কথা শুনতে হবে । আমার বয়স কম ,আমি কিছু জানি না , আমি বেশি বুঝি, বেশি কথা বলি , আমি নাস্তিক , আমি হ্যান , আমি ত্যান । মানলাম , আমি জানি না । কার কাছে জানতে চাইবো। হুজুরদের কাছে ? বিভিন্ন হুজুরের ফতোয়া বিভিন্ন। তারা ফতোয়া করতে করতে ভুলেই যান , কোনটা তার তৈরী আর কোনটা ইসলামের জন্য । তারা নিজেদের জ্ঞানী প্রমান করতে , নিজেরাই তৈরী করেন বিভিন্ন মনগড়া ফতোয়া । তা আবার খুব দৃঢ় ভাবে প্রচারও করে । তাদের বিপক্ষে গেলেন তো নিজের বিপদ নিজেরাই ডেকে আনলেন । আপনাকে নাস্তিক বলে খুনও করা হতে পারে । এটা নিয়ে অন্য মুসলমানরাও কিছু বলে না । যেই মাত্র শোনে এখানে ইসলামের ব্যাপার , তারাও চুপ করে থাকে । তাদের ধারনা ,যারা খুন করে তারা অবশ্যই ইসলামের ভালোর জন্যই করে । ইসলাম কে তারা অনেক মানে এবং ভয় পায় । এমন ভয় যে , ফজরের নামাজ কয় রাকাত তাও জানে না । যদি ভুল হয় , হয়তোবা এই ভেবে । কিন্তু তারা মুসলমান , ইসলাম নিয়ে তাদের অনুভুতি অনেক বেশী ।

ধর্মের অনুভুতি খুব পাতলা অনুভুতি, রাস্তার ভিক্ষুকও জানে । তারাও সাহায্য চাওয়ার সময় আল্লা কে মাঝখানে টেনে আনে । আল্লার নামে ভিক্ষা দেন । আমরা আল্লার নাম শুনে ভয় পাই। টাকা দেই । মজার ব্যাপার হচ্ছে , ইসলাম যে ভিক্ষা কে সমর্থন করে না এটাও জানি । নবীর কাছে সাহায্য চাইতে এসে , কম্বল বেচে কুড়াল কিনতে হয়েছিলো এক লোকের , তাও টাকা পায়নি । আমরা আল্লার নাম শুনেলে সেখানে আর কিছুই বলতে চাইনা । সেই সুজোগটাই নিচ্ছে ধর্ম ব্যাবসায়ীরা । স্কুলে যাওয়ার কথা বলে সিনেমা হলে যাওয়ার মত। সন্তান যদি মাকে বলে সে স্কুলে যাবো, নিজের হাতে খাবার খাইয়ে পাঠিয়ে দেয় । স্কুলের কথা শুনেই মায়ের মন গলে পানি হয়ে যায় , তিনি আর চিন্তাও করেন না সন্তান অন্য কোথাও যেতে পারে । পরে যখন পরিক্ষায় খারাপ করে তখন স্কুলের দোষ হয় । আসলেই কি স্কুলের দোষ?

যদি সাধারন মুসলমান কে বলাহয় , হাদিসে আছে প্রতিদিন সন্ধ্যায় ২-৩ ঘন্টা সব বাড়ির সব আলো বন্ধ রাখতে হয় । এটা সুন্নত । নবীও ছিলেন । তারা গদগদ হয়ে সেটাই করবে । তারা এটা যাচাই করার চেষ্টা করবে না । যাচাই করতে চাইলেই তো নাস্তিক।ভাববেও না একবার , নবীর সময় বিদ্যুৎ ছিলোনা বলেই তিনি অন্ধকারে ছিলেন । হঠাৎ বাড়ি চুরি হবে । মনে মনে দোষ হবে হাদিসের । কেউ কখনো চিন্তাই করবে না , নবী এই কথা বলতেই পারেনা । মানুষের ক্ষতি হবে এমন কিছু নবী বলবেনই না । এভাবেই চলছে আমার ইসলাম কে বাশ দেয়া। আমরাও কিছু বলি না । নষ্ট করা হচ্ছে ইসলামের সুনাম । কারা করছে ? যাদের কাছে আমরা হাদিস শুনছি , তারাই ? আমাদের একটা অন্ধ বিশ্বাস , হুজুররা মানুষ না । তারা ফেরেস্তা । তাদের কখনো ভুল হতেই পরেনা । তাদের মধ্যে কখনো লোভ কাজ করতেই পারে না । সুর্য দুইটা হতে পারে , হুজুরের কথা মিথ্যা না । এটাও মনে হয় আমার নবী জানতেন , তাই হয়তো বলেছিলেন, দোজখে যাওয়ার প্রথম কাতারেই হুজুর শ্রেনীর লোকরা থাকবে ।

আমি যদি আমার অবস্থান থেকে প্রতিবাদ শুরু করি , হয় তো বা আমার গলা কাটা লাশ পাওয়া যাবে কোন নর্দমায়। আমিও আপনাদের মতই নিজের জীবন কে অনেক ভালবাশি। আমরা সবাই মনে মনে জানি , ওরা অনেক শক্তিশালী এবং নিষ্টুর ।শুধু দেখতেই হচ্ছে । এই অবস্থা হবে , সেটাও জানতেন আমার নবী , তিনিই বলেছেন- অন্যায়ের প্রতিবাদ না করতে পারলে মন থকে ঘৃনা করো । আমিও তাই করছি । তার সাথে আর একটা জিনিস যোগ হয়েছে । আফসোস। মনে প্রানে আফসোস করি । কিভাবে ওরা আমার ইসলামটা কে নিয়ে ব্যাবসা করছে । মাঝে মাঝে খুব চিল্লায় চিল্লায় বলতে ইচ্ছা করে - তোরা যে ইসলামের কথা বলিস , সেটা আমার ইসলাম না । আমার ইসলাম শান্তির , তোদের টা ইসলাম না । আমার ইসলাম শান্তির । আমার ইসলাম কে আর নষ্ট করিস না । আমার ইসলাম শান্তির। আমার ইসলাম শান্তির ।

বিঃদ্রঃ লেখাটি আমার ব্যাক্তিগত মতপ্রকাশ মাত্র । কাউকে আঘাত করার জন্য নয় । কেউ যদি আঘাত পেয়ে থাকেন বা কারো যদি ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত লাগলে আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। যদি কোন তথ্য ভুল থাকে তাহলে এটা আমার ব্যাক্তিগত ত্রুটি। সংশোধন করে দিলে খুশি হব । এত সময় নিয়ে পড়ার জন্য ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবো না ।

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১:৪০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"টোকাই থেকে হিরো"

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৬



টোকাই থেকে হিরো! বাংলা ছবির  অশ্লীল যুগে মুক্তি পাওয়া এক ঢাকাইয়া চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রেক্ষাপটে অনেকটা এইরকম - বস্তিতে বেড়ে উঠা; মানুষের লাথি- উষ্টা খেয়ে বড় হওয়া এক টোকাই (ছবির... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুখরিত জীবনের চলার পথে, ব্লগের মুখরিত দিন

লিখেছেন মেহবুবা, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৪


ব্লগ স্কুল, মজারু
ছোটন চলে স্কুলেতে বই শ্লেট হাতে ,
বদরুল ভাই কাঁদছে ভীষন যাবে সাথে সাথে,
চান্কু হল লক্ষ্মীছাড়া পান্কু হয়ে ঘোরে ,
চিটি যাবে সবার আগে উঠল... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ফোনে কয়টি গান সেভ করা আছে? #:-S

লিখেছেন অপু তানভীর, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩০



কদিন আগে একটা ফোন নিতে হয়েছে। আগের ফোনটা তিন বছরের মত সার্ভিস দিয়েছে। তবে টাচস্ক্রিনে সমস্যা দেখার কারণে সেটা ঠিক মত ব্যবহার করা যাচ্ছিল না। নতুন ফোন বলে সেটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

Ripe Age দুই প্রান্তের দুই মানুষঃ সামু শব্দের সেতু প্রজন্মের বন্ধন

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৪


একজন দাঁড়িয়ে জীবনের শুরুতে
চোখে তার অগণিত স্বপ্ন
আগামীর পথে কত প্রশ্ন
কত না-জানা, কত বিস্ময়
কত দূরের নীল আকাশ
ডাকে তাকে প্রতিদিন।

অন্যজন বসে জীবনের শেষে নয়
বরং দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আসা এক প্রান্তে
প্রায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রেন টু কক্সবাজার: টিকিট পেলাম না, পেলাম বিকল্প পথের সন্ধান

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৭

কক্সবাজার যাওয়ার ইচ্ছে ছিল অনেক দিনের। তবে এবার লক্ষ্য ছিল একটু আলাদা—বাসে নয়, বিমানে নয়; ট্রেনের জানালায় চোখ রেখে সমুদ্রের শহরের পথে যাত্রা। কিন্তু সেই সহজ পরিকল্পনার প্রথম বাধাই হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×