পীতবর্নের তীব্রতায় স্বপ্নগুলো জড়সড় হয়ে নির্জন সড়কে উদোম প্রশান্তির প্রত্যাশায় নিমগ্ন।কষ্টগুলো এ গলি সে গলি ঘুরে আবার সেই পুরনো গলিতে। ভাবলেশহীন চোখে নির্বাক চেয়ে থাকি উর্দ্ধাকাশে,যদি শুভ্র মেঘ তার মেঘবার্তা দিয়ে আমায় অবমুক্ত করে যায় একটিবার।ভালবাসার বর্ন বিবর্ন হলেও সুখানুভূতিগুলো সব আজ চিহ্নিত।তুমি কি সত্যিই বোঝনি সেদিন?তোমার চোখ,মন,ঠোটের একত্রিত হাসিই আমার সারা জীবনের ক্রন্দসী মনকে আলোকিত করে রাখে ভেঁজানো অন্ধকুঠুরীতে।তুমিইতো বলেছিলে একগুচ্ছ রাধাচূড়া কয়েক লক্ষ অর্কিডের আভিজাত্যকে ম্লান করে দিতে পারে শুধুমাত্র নীরেট ভালবাসার আতপ উত্তাপে।দুজনের ভালবাসায় প্রশ্নাতীত শুদ্ধতা ছিলো এটা আজও অপ্রমানিত কিংবা অপ্রকাশিত। তারপরও দুই গ্রহে ভালবাসার জানাজানি ,বিরহ,না পাওয়া ,একাকীত্বের ছড়াছড়ি।হয়তো এটাই ভালবাসা ।শ্রাবন আসলে আমার অনুভূতিগুলো প্লাবিত হয়,স্মৃতিগুলোও।মনে পড়ে মধ্য রাতে ক্রোশের পর ক্রোশ হাওড়ে স্রোতের ঢল নামে। রাত্রির দ্বিপ্রহরে দুটি ছায়ামূর্তি মধ্য হাওরে ডিঙ্গি নৌকায় জোছ্নায় ভিজে সৌন্দর্যের উপাসনায় মত্ত,মুহুর্মুহ চাদোয়ার বর্ষনে গা ছমছম করা ভাললাগায় হাত ধরে পাশাপাশি বসে আছে দুটি মানব সত্বা। চারিদিকে মাতাল করা সুন্দর।দমবন্ধ করে প্রতিশ্রুর জপমালায় মগ্ন দুজন।এখনও উর্দ্ধাকাশে দৃষ্টি দুজনের,কোনভাবেই জোছ্নাকে হারিয়ে যেতে দেবেনা কেউ।এখানেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দুটি আত্মা।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



