তোমায় আমি কঙ্কণী বলে ডাকতাম, সারাটা ঘরময় তোমার রেশমি চুড়ির ঝুনঝুনি আর নুপুরের সুর যেন অশেষ শ্রাবনের একটানা রিমঝিম রিমঝিম শব্দগুলোকে মুহূর্তবন্দি করে আমার জীবনের অহোরাত্র কুণ্ডলী পাকানো মুহূর্তগুলোকে বিভ্রান্তির মায়াজালে আবদ্ধ করতো কোনোরকম দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়া।দু’পায়ে আলতার দাগে তোমার মুহুরমুহ তন্নিবৎ বিক্ষিপ্তপনা অনন্য সুখের ঠিকানা একে দিত অদৃশ্য অয়নবৃত্ত জুড়ে আর রাজ্যের স্বপ্ন চোখেমুখে কঞ্চুলিকার মতো আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রাখতো মেঘ পালকের মৃদুময়তায়।কতবার যে তোমার কড়ে আঙ্গুলে আমার আঙ্গুল জড়িয়ে জনারন্য ভেদ করে আধারস্নানে গেছি,সূর্যালোকের অগোছালো রশ্মিগুলোর বিরামহীন পিছুডাক একটিবারের জন্যও অরন্যের বুকে ছেদ কেটে তোমার ইহলৌকিক অনুভুতির উৎসৃষ্টকে স্পর্শ করতে পারেনি, এ যেন অন্যরকম এক লুকোচুরি খেলা।যে খেলায় আঁধার জয়ী হয় সবসময়য়।তুমি কি জানো তোমার দৃষ্টিভেদি কটাচোখ (বিলাই চোখ) সময়গুলকে স্থব্ধ করে দেয় অনায়াসে,কণ্ঠাভরণের ঝিলিক একটিবারের জন্যও তোমার দৃষ্টিচ্ছটাকে ম্লান করতে পারেনা অবর্ষার গনগনে আয়োজনে।উতসিক্ত চোখের প্রতিবাদ উপেক্ষা করে, ধূলিকণাদের দিগ্বিদিক ছোটাছুটি দেখে কতইনা তুমি আনমনে ভেঙ্গেচুরে যাওয়া স্বপ্নগুচ্ছকে জোড়া দেওয়ার অনর্থক চেষ্টায় ধ্যানমগ্ন হতে চেয়েছ,তুমি কখনই ভাবতে চাওনি আর যাই হোক সমষ্টি দিয়ে অন্তত ভগ্নাংশকে বিবেচনা করা যায়না।তোমার অনর্গল কথনিকায় রাজ্যের মুগ্ধতা পেয়ে বসতো আমার ভাললাগা জুড়ে, এতটা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে কতকাল আগে কোথাও যে চেয়ে থেকেছি তাও মনে করতে পারিনা,আমি তোমার মুখে মেঘবতীর কান্নার ঋণমুক্ত হওয়ার গল্প শুনতাম অবস বদনে আর তা নিস্থব্ধ হয়ে আর সারা পৃথিবীকে পাশ কাটিয়ে কবে কখন যে বিকট প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে আসতো অন্ধকারের প্রাচীরে বাঁধা পেয়ে অরন্যের নিরবতা ভেঙ্গে তার হিসাব মেলাতাম।তাও যদি অগোছালো অতীত কে ঢেলে সাজাতে পারতাম একটিবারের জন্য।আমি ভীষণ অগোছালো, তাই হয়তো একটি একটি স্বপ্ন সাজানোর আগেই মুগ্ধতা ফেলেই শূন্যতায় গাঁট বেঁধেছিলে তুমি, প্রকারন্তে আমিই একাকিত্তের বানে মন ভাসিয়েছিলাম।তুমি ছিলে আলোর পথের আস্বাদনে অভিপ্রায়ী,কিন্তু ভুল পথেই আয়োজন করে পারিজায়ী হয়েছিলে।আর আমি গভীর থেকে গভীরতর হতে থাকলাম নিস্থব্ধতার ছিদেম নেশায়।মাঝে মাঝে বুনো ফুলের সাথে খুনসুটি হতো,এতুকুই ছিল আরাধ্যতা।একসময় কোনও এক যুগল বিহরনে ছুটছিলাম তুমি আর আমি, একের পর এক অনুস্বপ্ন জড় করে করে বেহিসেবী হতে চেয়েছিলাম অংশিত্বার সীমাবদ্ধতা একীভূত করে,দু পাশে কখনও অগ্নিকাণ্ডের মতো দাবদাহ,কখন হিমশীতল বাতাসের নির্মল প্রবাহ,কখনও হিংস্র হায়েনার নির্বিচারে মৃগয়া হরনের উল্লাস।ভালবাসার প্রতিকী সুখ নির্বাহ করে শংকিত চোখে তোমার অনুধাবন, ইশ কি বীভৎস নৃশংসতা, আমি শুনি আর মৃদু হেসে ভাবি, এর চেয়ে নগ্ন দুর্ধর্ষ বিপন্নতা অন্তরের অন্তক্ষরনে।যা কখনই চোখে পড়েনা, স্বপ্নে ভাসেনা,স্মৃতিতেও ম্লান হাসেনা।এখানেই বিভক্তি, ভালবাসার বিসর্জন, কখনও কখনও স্বপ্ন পথের দুমুখো বিয়োজন।
এখানেই বিভক্তি, ভালবাসার বিসর্জন, কখনও কখনও স্বপ্ন পথের দুমুখো বিয়োজন
জলরেখার নীচে
পৃথিবী প্রতিদিন একটি নতুন উচ্চতা আবিষ্কার করে।
কোনো জানালায় আলো জ্বলে,
কোথাও কাচের গায়ে সাঁটা হয় আরেকটি সাফল্যের বিকেল।
সিঁড়িগুলো মানুষের পদচিহ্নে মসৃণ হতে থাকে।
আমি দূর থেকে দেখি—
যেন আমার চোখই কেবল যাত্রা করে,
শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন
রসায়ন পরীক্ষায় রসটাই আসল :D
রসায়ন পরীক্ষায় রসটাই আসল। না দেখলে মিস!! =p~
সালোকসংশ্লেষণ B-)
...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে ফেরার ঘোষণা আলোচনায় থাকারই কৌশল মাত্র
চব্বিশের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছেড়ে প্রতিবেশী ভারতে পালিয়ে আশ্রয় নেওয়া সাবেক স্বৈরশাসক ও বর্তমানে বাংলাদেশে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার আগামী... ...বাকিটুকু পড়ুন
জন্মান্তরের ক্ষুধা

ঝিরিঝিরি বৃষ্টি, সেই সাথে গুমোট আকাশ। মেঘাচ্ছন্ন আবহ । একটানা টুপটাপ আওয়াজ ছাড়া চারদিক সুনসান।বৃষ্টি তার ক্লান্তি কাটাতে যেই একটু থমকে দাঁড়িয়েছে অমনি বুনো শালিকেরা নেমে এলো খাবারের... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনা খাদক ছিলেন ?

আজকে সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু একটা এমন তথ্য দিলেন যেটা শুনে বাংলাদেশের আমজনতা রীতিমতো ক্যালকুলেটর হাতে বসে গেল। কথা হচ্ছে শেখ হাসিনার খাবার খরচ নিয়ে। কোন সালে কত টাকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।