কমলাপুর ষ্টেশনে দাঁড়িয়ে আছি। তারিখ তের ফেব্রুয়ারি, উদ্দেশ্য সিল্ক-সিটির টিকেট। অতি ধীর গতিতে টিকেট দিচ্ছিল। দুই লাইনে প্রায় অর্ধ শত যাত্রীর অপেক্ষা। কিছুক্ষণ টিকেট দেবার পর, কথা নেই বার্তা নেই হঠাৎ-ই একজন উধাও। অন্যজন ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে মাঝে মাঝে টিকেট দিচ্ছে। আধ ঘণ্টা গত, তবু তার দেখা নেই। এদিকে ট্রেন ছাড়ার সময় হয়ে এল। বিরক্ত হয়ে অনেকের মত ট্রেনে গিয়ে উঠলাম (সঙ্গে মহিলা পরে উঠতে সমস্যা হতে পারে)। কয়টা টাকা জরিমানা দিয়ে গাড়িতে টিকেট কাটতে হবে আর কী!
ট্রেন ছাড়ল। চেকার এল, জিজ্ঞেস করলাম কত দিতে হবে। বলল সারে সাত’শ টাকা। আমি দুটো পাঁচ শত টাকার নোট দিলাম। টিকেট তৈরি করার ভান করে সামনে এগিয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর চেকারের সহকারী পাঁচ শত টাকার একটা নোট ফেরত দিয়ে এগিয়ে গেল এবং টিকেট দেয়ার কথা ভুলে(?) গেল। ভাবলাম হয়ত আবার আসবে, একটু পরেই অবশ্য বুঝে গেলাম—টিকেট দিলে টাকা ফেরত দিত না। এই উদ্দেশ্যেই টিকেট দিতে এদের এত গাফলতি। সব কিছুই সঙ্গবদ্ধভাবে পরিকল্পনা করে করা।
রেলওয়ের ভাড়া আবার বাড়ানো হয়েছে। রুট ভেদে যাত্রী পরিবহন ভাড়া বাড়ানো হয়েছে গড়ে ৭ দশমিক ২৩ শতাংশ । একই হারে বেড়েছে রেলপথে কনটেইনার পরিবহন ভাড়াও। পাশাপাশি রেলে ভ্রমণের ন্যূনতম ভাড়াও বাড়ানো হয়েছে। রেলের লোকসান কমাতে ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে, কিন্তু অভিনব এই সমস্ত চুরিগুলো বন্ধ করা না গেলে কাজের কাজ কিছু হবে কি?
আহা রুবন
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



