
হিন্দু বাড়িতে আবার আগুন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থামতে না থামতে নড়াইলের লোহাগড়ায় তিনটি বাড়িতে দুষ্কৃতিকারীরা আগুন দিয়েছে। ব্লগার হত্যা, সংখ্যালঘু হত্যা, বিদেশি হত্যা, হিন্দু বাড়িতে-মন্দিরে আগুন সব একই সূত্রে গাথা। একটি থামে নতুন করে আরেকটি শুরু হয়। যারা এসব ঘটাচ্ছে তারা যেন রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে—দেখো তোমাদের চেয়ে আমরা অনেক বেশি সেয়ানা। একটার পর একটা অপকর্ম করে পালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ তার নাটের গুরুদের সনাক্ত করতে পারছে না! কয়দিন পর পর হিন্দু বাড়িতে আগুনের হেতু কী? তারা কি সবার মনোযোগ এই দিকে সরিয়ে আরও বড় কোনও ঘটনা ঘটাতে চাইছে? আর বুঝি না এভাবে বাড়ি-ঘরে আগুন দিয়ে নির্বিঘ্নে কেটে পড়ে, মহল্লাবাসিদের কারও চোখে পড়ে না, এটা কেমন কথা!
ছোট বেলায় দেখতাম প্রায় বাড়িতেই কুকুর পোষা হত। অপরিচিত কেউ বাড়ির পর এলে সমস্বরে সব ঘেউ ঘেউ করে সবাইকে সতর্ক করত। এখন কুকুর পোষা হয় না কেন? ক-বছর আগে আমাদের গ্রামের বাড়িতে চুলোর ঘরে রাতে আগুন লাগলে কুকুরছানাদের চিৎকারে কাকার সন্দেহ হয় কিছু একটা ঘটেছে, বিপদ থেকে আমরা রক্ষা পাই।
সবাইকে বলি নিজের চোখ-কান খোলা রাখুন। বাড়িতে কুকুর পোষার চেষ্টা করুন।
ছবি: বিডি নিউজ ২৪ ডটকম
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




