‘জামাত ই ইসলামী বাংলাদেশ’ এবং ‘ইসলামি ছাত্র শিবিরের’ সক্রিয় নেতা কর্মিরা প্রকৃত পক্ষে ইসলাম (নামায, যাকাত, রোজা, হজ্জ) চায় না - ওরা চায় দেশে বিশৃংখলা - সমাজে বিশৃংখলা - সংসারে বিশৃংখলা - সৃষ্টি করতে -
গতকাল (০২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ : শুক্রবার) এক ‘জামাত ই ইসলামী বাংলাদেশ’ কট্টর সমর্থক এবং ছেলেরা ‘ইসলামি ছাত্র শিবিরের’ সক্রিয় নেতা কর্মি এমন এক প্রতিবেশি পরিবারের এক শিশুর জন্ম দিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে বিচিত্র অভিজ্ঞতা - না লিখে লোভ সামলাতে পারছিনা - বন্ধুদের (facebook friend) মতামতের লোভ ।
আমি গৃহে প্রবেশ করতেই দাড়িওয়ালা অল্প বয়সি জাহাঙ্গির নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থিদের ( গৃহ কর্তার নাতিদের) উদ্দেশ্যে একাধিকবার বললাম, ‘নাতি দোয়া পড়াও’ - ‘নাতি দোয়া করো’ - গৃহকর্তা পাশেই বসা - কেউ কোনো রা শব্দ করলেন না - আমি অরণ্যে রোদন করতেই থাকলাম ।
আমি এও বললাম আমার একমাত্র নাতির প্রথম জন্ম দিনে গেল বছর (০১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ খৃঃ) আমি দিনাজপুরে ছিলাম ঘরে ওরা কি করেছে না করেছে আমি জানি না । তবে আমি দুটো এতিমখানায় উন্নত মানের খাবার নিশ্চিত করেছিলাম - (দুটোতেই কোরআন খতম করানো হয়েছিলো) - অর্থাত গরুর মাংসের মূল্য পাঠিয়ে দিয়েছিলাম ও এলাকার পাচটি মসজিদে জুমা বাদ দোয়া পড়িয়ে জিলিপি (তাবারক) খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেছিলাম ।
এবারও (০১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ খৃঃ বিস্যুদবার জন্ম দিন - পরের দিন শুক্রবার) বারোটি মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানায় জুমা বাদ দোয়া পড়িয়ে জিলিপি (তাবারক) খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেছি ।
এ কথাগুলোও অনবরত বলেই চলেছি - যতোক্ষণ ছিলাম- তাদের কোনো ইসলামি (কোরআন হাদিসের আলোকে) প্রতিক্রিয়া ছিলো না ।
এই লেখার লোভ জাগার কারণ ঘটলো কেক দেখে গৃহকর্তা কিছু মনে করলেন না - কিন্তু মোম দেখে আপত্তি করলেন - বললেন এটা হিন্দুয়ানি - আমি বললাম, কেক কাটা খৃস্টিয় কালচার এবং খাজা মঈনুদ্দিন চিসতি (রহঃ), ৩৬০ অলির নেতা হযরত শাহ জালাল (রহঃ), হযরত শাহ পরান (রহঃ) সহ দেশের সকল পির, দরবেশ, অলিদের মাজারে মোম দেয়া হয়- দেশের কোনো আলেম, ওলামা, পির, মাশায়েক, মওলানা, মৌলভি, ইমাম, মোয়াজ্জিন, এর বিরুদ্ধে কেউ কোনো ওয়াজ নসিহত করে না - সকলেই কেবল আছে ওরশ আর কামাই বানিজ্যের দলে - সদকায়ে জারিয়া বলতে যা বোঝায় “ তাতেও দেশে হিন্দুরাই অগ্রগামি” - স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় সব তাদেরই গড়া - মুসলমানরাতো কম দিন ভারতবর্ষ শাসন করেনি ? সে তুলনায় তাদের কির্তি কোথায় ? সব মুসলমানতো ভিখেরি ছিলো না ? কেন তারা স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় মাদ্রাসা মক্তব মসজিদ করলেন না বা করতেন না ?
আমার জানা মতে, ঐ পরিবারের সদস্যরা সকলে নিয়মিত পাচ ওয়াক্ত মসজিদে নামাজের যামাতে যায় না । এমন কি জুমার নামাযেও নিয়মিত নয় সকলে ।
সহি হাদিস হচ্ছে, “মুসলমান ও অমুসলমানের পার্থক্য হোচ্ছে - মুসলমান মসজিদে যায় আর অমুসলমান মসজিদে যায় না ।
অথচ ‘জামাত ই ইসলামী বাংলাদেশ’ এবং ‘ইসলামি ছাত্র শিবিরের’ সক্রিয় নেতা কর্মিরা অধিকাংশই এই হাদিসেকে গুরুত্ব দেয় না।
‘জামাত ই ইসলামী বাংলাদেশ’ এবং ‘ইসলামি ছাত্র শিবিরের’ কট্টর সমর্থক ও সক্রিয় নেতা কর্মিরা প্রকৃত পক্ষে ইসলাম চায় না -
ওরা চায় দেশে বিশৃংখলা - সমাজে বিশৃংখলা - সংসারে বিশৃংখলা সৃষ্টি -
পাকিস্থানে ১৯৪৭ থেকে বিশৃংখলা সৃষ্টি করেছে আজো করছে - আর আমাদের দেশেতো ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের সময় ইসলামের নামে খুন, হত্যা, ধর্ষণ, লুট, অগ্নি সংযোগ, দেশান্তর করা, জোর করে ধর্মান্তর করা, শিশু হত্যা, নারী হত্যা, ধর্ষণ সহ সকল অপকর্ম করিয়ে পাকিস্থানকে ধ্বংশের শেষ সিমায় নিয়ে গেছে -
বাংলাদেশে তা পারছে না ৩০ লাখ শহীদের ‘পবিত্র জিবন উৎসর্গ’, চার লাখ মা বোন কন্যার ‘পবিত্র সম্ভ্রমের বলি দানের’ অভিশাপ আকাশে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছে - হা হা কার করছে - অভিশাপ দিচ্ছে বলে -
তাইতো ‘জামাত ই ইসলামী বাংলাদেশ’ এবং ‘ইসলামি ছাত্র শিবিরের’ পরিচালিত “জঙ্গি গোষ্ঠি”কে দেশবাসি প্রতিরোধ করে চলেছে ।
সমূলে ধ্বংশও করবে ইনশাল্লাহ ।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



