somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রুহুলআমিন চৌধুরি
স্বাধিনতার শত সহস্র, লক্ষ কোটি সুফল - কিন্তু একটি মাত্র “কুফল” - দেশের নিতি নির্ধারণে অযোগ্য লোকেরা সব উচ্চাশনে - রাজনিতিতে ও প্রশাসনে - ফলে দেশটি যথাযথভাবে উন্নতিতে আগাতে পারছে না। তারপরেও যে টুকু এগিয়েছে সব টুকু ব্যাক্তি উদ্যোগে - সরকারের ভূ

তাদেরকেই বলতে হবে “কাউয়া” - তারাই প্রকৃত অর্থে “কাউয়া” –

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তাদেরকেই বলতে হবে “কাউয়া” - তারাই প্রকৃত অর্থে “কাউয়া” –

৩৯ জন স্বাধিনতা বিরোধি হাইকোর্টের আইনজিবির নামের তালিকা - স্বাধিনতা বিরোধিদের তালিকা প্রনয়ন করুণ ও প্রকাশ করুণ – হাতে গোনা গুটি কতক স্বাধিনতা বিরোধি বাদে - গোটা জাতি সে দিন স্বাধিনতার পক্ষে ছিলেন – যে যে ভাবে পেরেছেন স্ব স্ব অবস্থান থেকে মুক্তিবাহিনি ও মুক্তিযুদ্ধকে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন –

২৫ মার্চ ১৯৭১ খৃঃ শুরু হয় বাংলাদেশের নিরস্্র মানুষের ওপর পাকিস্থানি হানাদার বাহিনির নির্মম হত্যাযজ্ঞ – একটি দখলদার বাহিনি বিজিত দেশের ওপর যে ভাবে হত্যা- ধর্ষণ- অগ্নি সংযোগ- লুটপাট চালায় - ইয়াহিয়া খানের স্বসস্র সেনাবহিনি ঠিক সেই বিভৎসতা নিয়ে ঝপিয়ে পড়ে নিরিহ নিরস্র বাঙালির ওপর। শুরু হয় বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ – ইয়াহিয়া – মুজিব- ভুট্টোর আলোচনা – ষড়যন্ত্র- বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলনের খবর সংগ্রহ ও সরবরাহের জন্যে ৩৫ জন বিদেশি সাংবাদিক ঢাকায় ছিলেন । পাকিস্থানি হানাদার বাহিনির নায়করা বুঝতে পেরেছিলেন – এই বিদেশি সাংবাদিকরা থাকলে সব অপকর্ম ছড়িয়ে পড়বে বিশ্বময় – হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকে ৩৫ জন বিদেশি সাংবাদিকে নিয়ে যাওয়া হয় করাচিতে । তাদের সকল নোট বুক, ক্যামেরা, ফিল্ম, ছবি, বাজেয়াপ্ত করা হয় । কঠোর সেন্সরশিপ আরোপ করা হয় বিদেশে সংবাদ পাঠানোর ওপর। কিন্তু তারপরেও গোপন রাখতে পারেনি বাংলাদেশে পাকিস্থানি বাহিনি ও তাদের দেশিয় দোষরদের বর্বরতম হত্যা- ধর্ষণ- অগ্নি সংযোগ- লুটপাট কাহিনি । বিভিন্ন পথে চলে আসে বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদ সংস্থান সাহসি সাংবাদিকগণ । ভারত সরকার ও ভারতিয় প্রচার মাধ্যম “ আকাশ বাণী” অসিম সাহসিকতা নিয়ে আমাদের পাশে দাড়ায় সর্বাগ্রে । ইয়াহিয়া খানের স্বসস্র সেনাবহিনির গণ হত্যার নিন্দা জানিয়ে ভারতিয় পার্লামেন্ট ৩১ মার্চ ১৯৭১ নিন্দা প্রস্তাব পাশ করেন। যার প্রেক্ষিতে ঢাকা হাইকোর্টের ৩৯ জন আইনজিবি বিবৃতি দেন – পাকিস্থানের অভ্যন্তরিণ ব্যাপারে ভারতের নগ্ন ও নির্লজ্জ হস্তক্ষেপের নিন্দা করেন । বিবৃতিতে যারা স্বাক্ষর করেন তারা হলেন : (১) জনাব ফরিদ আহমেদ (২) ফজলুল হক (৩) জনাব মইনুল হক (৪) জনাব এ ডব্লিউ চৌধুরী (৫) জনাব শফিকুর রহমান (৬) জনাব আহমেদুর রহমান খান (৭) জনাব জুলমত আলি খান (৮) জনাব মোদাব্বর হুসাইন (৯) জনাব এ এম এম এ জলিল (১০) জনাব নাসিরউদ্দিন (১১) জনাব আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া (১২) জনাব ইউসুফ আলি খান (১৩) জনাব মোঃ গিয়াসুদ্দিন ভুইয়া (১৪) জনাব এ কে রফিকুল হোসেন (১৫) জনাব নাসিরুদ্দিন চৌধুরী (১৬) জনাব নাসিম এ রহমান (১৭) জনাব মোহিতুর রহমান চৌধুরী (১৮) জনাব আকবর হোসেন আমিন (১৯) জনাব আবু সালেক (২০) জনাব আব্দুর রশিদ (২১) সৈয়দ মুহম্মদ আলি (২২) জনাব মোঃ কোরবান আলি (২৩) জনাব মোজাম্মেল হক (২৪) জনাব মোঃ নুরুল হক (২৫) জনাব মশিহুল ইসলাম (২৬) জনাব এম. এন. আলি (২৭) জনাব আজিজুর রহমান (২৮) জনাব নুরুল হুদা খোন্দকার (২৯) জনাব ফজলুল হক (৩০) জনাব এ কে ফজলুল হক চৌধুরী (৩১) জনাব আহম্মদ আলি মন্ডল (৩২) জনাব মোমতাজুদ্ধিন আহমেদ (৩৩) জনাব শামসুল ইসলাম (৩৪) জনাব সিরাজুল ইসলাম (৩৫) জনাব ফরমান উল্লাহ খান (৩৬) জনাব আবু সাঈদ (৩৭) জনাব এইচ. কে. আব্দুল হাই (৩৮) জনাব এম.এস .ভূইয়া এবং (৩৯) জনাব মাহবুবুর রহমান ।

এদর কেউ কেউ যদি স্বাধিনতার পরে “মুকিযোদ্ধা” সনদ নিয়ে – খেতাব নিয়ে থাকে বা তাদের সন্তানরা বাবা দাদা নানার স্বাধিনতা বিরোধি নাম ঘুচাতে আওয়ামি লিগে বা মহাজোটের কোনে দলে নাম লেখায়ে থাকে – বড়ো নেতা হয়ে থাকে – সংষদ সদস্য বা মন্ত্রি হয়ে থাকে – তাদেরকেই বলতে হবে “কাউয়া” - তারা প্রকৃত “কাউয়া” –
( পৃঃ ৭০ – ৭১ - একাত্তরের ঘাতক দালাল – যা বলেছে যা করেছে – নুরুল ইসলাম সম্পাদিত )
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:৪৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×