মৌসুমী অসুখ বিছানার আলিঙ্গন গ্রহণে বাধ্য করেছে। সাথে কিছু দুঃচিন্তাও মনে ভর করেছে। দীর্ঘ বিরতির পর বাড়ী থেকে এসে এমন আলিঙ্গন দীর্ঘায়িত হলে পরিস্থিতিটা বেশ কষ্টকরই হবে। অনেক কাজ বাকী, সময় অনেক কম। তাই বাংলাদেশ হারলো না জিতলো, সে টেনশন করার সময় কোথায়? যদি একদম ¯^াভাবিক সময় হতো, তাহলেও কি এটা টেনশনের বিষয় ছিলো? কখনোই না। বরং টেনশনের বিষয় আমি আজ জুমু‘আর মাসজিদে দেখে এসেছি।
দোতলা মসজিদ। জুমু‘আর দিন নামাযী কানায় কানায় পূর্ণ। এটাই ¯^াভাবিক চিত্র। কিন্তু আজ সেখানে নামাযী তিনের দুইয়াংশ। বাকীরা কোথায়? মসজিদে আগত অধিকাংশ টিনেজকেই দেখলাম, নামায শেষ হওয়া মাত্র গেটের দিকে হুমড়ি খেয়ে পড়তে। যেনো জানালা গলে বের হয়ে যেতে পারলে আরো ভালো। কী হচ্ছে এসব মুসলিম যুবকদের মাঝে খেলার মতো একটি ফালতু বিষয়কে ঘিরে?
খেলার জন্য আযান বন্ধ হয়, খেলার জন্য নামাযী হ্রাস পায়, খেলার জন্য সংসদ-অধিবেশন বিল¤ে^ শুরু হয়, খেলার জন্য সাংসদরা বক্তব্যের প্রতি ভ্রæক্ষেপ না করে মোবাইল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকে, খেলার কারণে পড়াশুনা নষ্ট, খেলার কারণে আয়-উৎপাদন বিনষ্ট, এসবই মেনে নেয়া সম্ভব; শুধু খেলার বিপক্ষে কিছু বললে মেনে নেয়া অসম্ভব। হায়রে বাংলাদেশ! চলো বাংলাদেশ!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





