"অতঃনুপাতে নিঃস্বঙ্গতা"
-প্রিয়/ Rukhshad Priyo
অতঃনুপাতে নিঃসঙ্গতায় রাঙিয়েছিলাম,
মুগ্ধ চোরাবালির নিকষ মনোহরি
কালঘুমের শেষ স্বপ্নে,
যেখানে বক্রপথে আলতো রমনীর কয়েকটি
চুল খোলা ছিল,
যেখানে সম্ভ্রম,লজ্জ্বাজড়ানো এক চিমটে
হাসির ফোয়ারায় জল ঢেলেছিল কয়েকটি
তবলার বেসুরে তান....
অতঃনুপাতে নিঃসঙ্গতায় ছুটে গিয়েছিলাম,
ব্যস্ত শহরের কোলাহলহীন শেষ কল্পনায়,
আল্পনায় খোলা উচ্ছ্বাসের শেষ টানটায়
বিষাদ কুয়াশায় অবিদীত রাত্রিগুহার কস্টহীন আবেগ......
সেখানে সপ্তবিহঙ্গের একটা পালক ঘিরে
অবিদীত জোৎস্নার দল,উত্তপ্ত ভ্যাপসা গরমের
আবির্ভাবে জিরোচ্ছিল একঝাক খই।
সেখানে,পাতাকুড়োনির দলেরা ঝাক বুনে
শুনছিল নিবেদিত প্রয়ানের গল্প.....
অতঃনুপাতে নিঃসঙ্গতায় ডুবে গিয়েছিলাম
ব্যস্ত আঁধারের উপসংহারহীনে....
যেখানে ঝিঝি পোকার সাথে মিটমিটিয়ে
প্রেম করে চলেছিল এক বুনো হরিন,
চারদিকে কোলাহলহীন নিঃসারতা,তবুও
কালের গহ্বরে ভাসিয়ে রেখেছে বাঁশপাতা,
ব্লেটের কোনে টকটকে রক্তের ছোয়া,
শ্বেতপায়রার মতো ধবধবে সাদা হাত
লালে মিলেমিশে একাকার,নীরব প্রান্তরে নৌকো
বাধা ছিল,বটগাছের উপরে ছিলো একটা গাঙচিল,যে চিলটার পাখায় ভর করেছিল
ঘৃনার আগুন,চোখে ছিল অভিসম্পাতের টলটলে
অভিমান।
অতঃনুপাতে নিঃসঙ্গতায় নিজেকে খুজে ফিরেছিলাম ডায়েরীর ছেড়া পাতায়,
ধুলো জমা বিবর্ন কভারের নিচে জমা পড়েছে
এক ঝাক শান্ত দুঃখ,
কিছু কৌনিক সুখের উচ্ছ্বাস,
পুরনো গল্পগুলো,ছিল কিছু খুনসুটি,
ছিলো নীলটিপ পড়িহিত কোন রমনীর
বাকা ঠোটের পরিহাস,ছিল ফাগুনের বেপড়োয়া
বাতাসে উড়ে যাওয়া ঝাপসা বাতাসের প্রানহীন,বেপরোয়া আহ্বান,
ফিরে গিয়েছিলাম ঘড়ির কাটার বিপরীতে।
শুনেছিলাম চুড়ির রিনিঝিনি শব্দ,
নুপুরের ঝঙ্কার,কিছু মিথ্যে প্রতিজ্ঞা।
অতঃপর হারিয়েছি আলসে অভিলাষে,
সময় কাটানো নিয়ন আলোয়,
বেপরোয়া হাসিমুখে অবনীল আকাশ।
ব্যর্থতার ভীরেও নির্গুন অভিমান,
ছেড়া চিঠির ভিড়ে রক্তের দাগ,নিকুঞ্জ
বনলতার কান্নার নিশ্চুপ প্রহর।
ছেড়া তারের ফলায় ফলায় তীক্ষ্ন কাঠফাটা
রোদ্দুর,সুচের ফলায় বেয়নেটের কস্ট..
তারপর হারিয়েছিলাম অতঃনুপাতে নিঃসঙ্গতায়।
-প্রিয়/Rukhshad Priyo.

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



