somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঘুরে দেখুন ::: কোলন শহরের আনাচে কানাচ........

০৩ রা জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বিশ্বকাপ নিয়ে লিখা নাকি সৃষ্টিছাড়া। এই অজুহাতে লোকজন কিছু কিছু পোস্টে "পাঠকের কর্তব্য" দানে বিরত থাকছে। আমার কথা হলো, টপিকটা না হয় সৃষ্টিছাড়া, লিখাগুলো নাহয় সৃষ্টি ছাড়া, কিন্ত অক্ষর গুলো...? ওরাতো আর সৃষ্টিছাড়া না। অন্ত:ত ওদের দিকে তাকিয়েই আপনার কর্তব্যটা পালন করুণ না।

আমার আগের পোস্টে মন্তব্যের জায়গায় দেখলাম উপদেশ। এই ধরণের পোস্টের সাথে ছবি বা ফটুক না দিলে নাকি পাবলিক খায় না। চাই ছবি, চাই ফটুক- তবেই না পোস্টের ধার বাড়ে।

বেরিয়ে পড়লাম, হাতে 2 মেগা পিক্সেলের ক্যামেরা মোবাইল। যেখানে দাড়াই ফটুক খিচি। রেল ইস্টিশন, ক্যাফে, প্লাজা, স্কোয়ার, প্যাসেজ, সিমেট্রি, রোদ, বৃষ্টি, ঘর-বাড়ি - কোন কিছুই বাদ দেইনি।

রাত দুপুরেও রাস্তার পাশে দাড়িয়ে তুলেছি ফটুক। লোকজন হয়তো কটু কথা বলেছে পিছনে, "পোলাডার দেহি মাথাডা গ্যাছে"। কুচ পরোয়া নেহি, ব্লগানেটের জন্য আরও বড় ত্যাগ স্বীকার করতে রাজী আছি আমি, তবে .........

কোলন বড়ই সৌন্দর্য শহর। কোলনের ডোম ( সবচেয়ে উঁচু ক্যাথেড্রাল, যা দ্্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ও অটল ছিলো) দেখবেন। ভেতরে যাবেন, মোমবাতি রাখা আছে, ইচ্ছে হলেই জ্বালাবেন। প্রার্থনার জায়গা গুলো দেখবেন ঘুরে ঘুরে।

বিভিন্ন প্লেস টেস ঘুরে রাইনের পাড়ে চলে যান ক্লান্তি কাটাতে। রাতের বেলায় যায়গাটা অসম্ভব সুন্দর লাগে। কোলন ডয়চে ব্রীজ, জেভেরিন্স ব্রীজ দেখুন রাতের আলোয়। ইচ্ছে থাকলে ডয়চে ব্রীজ ধরে হাঁটতে থাকুন। ঠিক মাঝা মাঝি দাড়ালে একটু পর পর একটা দোলা অনুভূত হবে, অসাধারণ।

কোলন দেখা শেষ হলে কোলন সেন্ট্রাল স্টেশনে চলে যান। গ্লাইস (প্লাটফরম) 9-এ চলে যান সোজা। ট্রেনে উঠে পড়ে চলে যান বন, বেথোফেন-এর শহর। এখানেও দেখার অনেক কিছু পাবেন। ছোট শহর, কিন্ত অনেক পুরাতন। প্রায় 2000 বছরের পুরনো শহর বন।

এখানেও রাইনের পাড় ধরে হাঁটতে পারেন। এমন কোন জায়গা হয়তো খুঁজেও পাবেন যেখানে বসে বেথোফেন একসময় তার সিম্ফনী গুলো মাথা থেকে বের করেছে।

বন থেকে ও খানিক দূরে যেতে পারেণ। ওয়াইন ভাইনইয়ার্ড দেখতে হলে কোবলেনৎস এর দিকে যেতে হবে। আন্দারনাখ, বিঙ্গেন - এসব এলাকার পাহারের ঢালে সুন্দর করে সাজানো সব দেখেই চোখ জুড়িয়ে যাবে।

থাকার জন্যেও আছে সুন্দর সব ব্যবস্থা। কোলনেই দেখতে পাবেন, "কোলন অ্যাপারটেল, ইউর সেকন্ড হোম" নামের হোটেল। এখন ওখানে গিয়ে নিজের হোমের দলিল না চাইলে হয়তো বিনা ক্যাচালেই স্বল্প মূল্যে থাকা যাবে একেকটা রাত।

এরকম আরো অনেক ছড়িয়ে, ছিঁটিয়ে থাকা ছোট ছোট হোটেল আছে টুরিস্টদের জন্য। ইনফর্মেশনের জন্য আছে সিটি ইনফর্মেশন সেন্টার।



-[ শেষ করতে পারলাম না লিখাটা। যদি সম্পাদনার প্রয়োজন থাকে, পরে হয়তো আরো কিছু যোগ হতে পারে এতে, ধন্যবাদ ]-
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

‘স্বর্ণামতি সেতু’ থেকে

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯



আমাদের গ্রামের পাশ দিয়ে একটা নদী বয়ে গেছে। তার একটা আদুরে নাম আছে, ‘স্বর্ণামতি’। কে, কবে, কেন নদীটির এ নাম দিয়েছে, তা আমার অজানা। তবে নামটি আমার খুবই প্রিয়। এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ষড়যন্ত্রঋতু

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:২৯

বাংলাদেশের রাজনীতিতে সারাবছরই ঐক্যের ঋতু, এখানে রাজনীতিতে শত্রু না থাকলে মিত্র টেকে না। যতদিন হাসিনা ছিল, স্বাধীনতাবিরোধীরা ছিল একটি সুখী পরিবার। বাম জানত ডানকে ঘৃণা করতে হয়, কিন্তু আপাতত স্থগিত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার পছন্দের বাংলা গানগুলো

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১:১১


অনেকদিনের ইচ্ছে পছন্দের বেশকিছু গান নিয়ে একটা পোস্ট দেব। দেওয়া হয়নি, কারণ, বিষয়টা সময়সাপেক্ষ। আজ হুট করে বসেই পড়লাম। রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুলগীতি, লালনগীতিসহ নানান ধরনের গানের একটা তালিকা করছি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি টুপ করে চলে আসবো

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:১৯


আমি হাসিনা। আমি আমার স্বামী ওয়াজেদ মিয়াকে কোনদিন স্বামীর মর্যাদা দেইনি। সে জ্ঞানী হলেও আমি সবসময় তাকে বাসার কাজের লোকের চেয়ে বেশি কিছু মনে করিনি। আমি সবসময় মৃণাল কান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮




রুবার সাথে আমার বিয়েটা ওঠ ছেড়ি তোর বিয়ের মতোই হয়েছে । একদম সাধারন কোনরকম অনুষ্ঠান নাই । সেইদিন অফিসে অনেক কাজ ছিলো । চোখে তারা ফারা দেখছিলাম । বসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×