অনেক ব্লগার "ছবি ই কথা বলে" নামে বহুব্লগের অবতাড়না করেছেন।
তেলাপোকার এমন ই এক ব্লগে আড্ডাবাজের মন্তব্য (অভিযোগ) ছিলো, স্পীকারের ভলিউম হাই থেকে হাইয়ার করেও একটা টুঁ শব্দও শোনা যায় নি।
তাহলে ছবি কিভাবে কথা বলে?
শুভ মিয়া ও তাঁর অংকিত, স্কেচিত (নতুন শব্দ, কোন ডিকশনারীতে না পেলে গালি দিয়েন না) কিছু মহামূল্যবান সম্পদ আমাদের সামনে টাইম টু টাইম উপস্থিত করে। তার ছবি কথা না বল্লেও লেখা গুলো ঠিক ই কথা বলে।
এখানেও প্রশ্ন, ছবি কি আসলেই কথা বলে?
ব্রাত্য রাইসু, আহা নামটা উচ্চারণেই মুগ্ধতায় গদগদ হয়ে যাই। উনাকে শ্রদ্ধা করে অনেকেই আলহামদু-পাঞ্চাল রাইসু বলে ডাকে। উনি মাইন্ড খান, যারা ডাকে তাদের ভালো, খারাপ সব মন্তব্য নির্বিশেষে, নির্বিচারে ডিলিট খান। কিন্ত আমার কাছে মনেহয় উনাকে শ্রদ্ধা করে ডাকলেও উনার ভাবোদয় হয়না।
যাইহোক, উনার অংকিত ছবিগুলা ও নাকি কথা কয় না.... তা উনি যতই কসরত করেন না কেন।
তাওতো সবাই অাঁকে, সাথে আমিও (পাস্ট টেন্স)
আমার অংকন অভিজ্ঞতার কথা মনে হলে হাত থেকে পেন্সিল পড়ে পা থেঁতলে যায়, ঠাঁ ঠাঁ রইদের মাঝেও ক্রতু, পুলহ, পূলস্থ, অর্ণি, অঙ্গীরা খুঁজে পাই, বশিষ্ঠ আর মরীচি - কে না পেয়ে মাথা লাট্টুর মতো ঘুরতে থাকে।
ক্লাশ টেনে একবার ব্যাঙের পরিপাক তন্ত্র এঁকেছিলাম। আমার খাতা থেকে তার স্থান হয়েছিলো ব্ল্যাক বোর্ডের মধ্যস্থলে। কারণ :: আমার অঙ্কিত ছবি নাকি কথা বলে! কলেজে একবার আড্ডায় বন্ধুর দেখাদেখি সম্পূর্ণ ব্যাঙ অাঁকতে গিয়ে যা অাঁকলাম তা দেখে একেকজন গড়াগড়ি। আমার ছবি নাকি তাদের কৌতুক শোনায়।
অাঁকা বাদ দিয়ে তোলা ধরলাম। যা পাই তাই তুলি। কারো ছবি তুলে প্রিন্ট করলে দেখি হয় ঘাড় নাই নয়তো মাথা নাই, মাথা থাকলে ধর নাই, কারো পা নাই তো কারো হাত নাই.... সবাই বল্লো "ই মা কী বিভৎস"!!!
মানে আমার তোলা ছবি কথা বলে।
ইদানিং ব্লগে দেখি হাস্যময়ী ছুবিছানা, ফেক্সি হাস ভোগাস, তেরী-মেরী আইল্যান্ড এবং হালে অয়রোপ ট্যুরিং-এর নন-বোরিং ডিগিটাল সব জিনিষ ক্যামেরা থেকে বের করা হচ্ছে। দাবী একটাই....
ছবি কথা বলবে!
আমি এনালগ মানুষ, ছবিও তুলি এনালগীয়, যদিও কারণটা ব্লগীয়। যা তুলি তাই দিয়ে দেই.... এবারো দিচ্ছি, আরো দেবো.... দিয়ে দিয়ে ভাসিয়ে দেব সব। দেবার উদ্দেশ্যও একটাই--
আমার ছবি কইবে কথা যখন আমি থাকবো না....!
যদি ইনকেস কথা না-ই বলে, তাহলে ডান পাশের পছন্দের লিংকে ছোট্ট একটা পালস দিয়ে দিবেন। আশা করি, কথা না বল্লেও শব্দ ঠিক ই করবে।
ধন্যবাদ
-[ সংশোধন ::: উৎসর্গ : অমি রহমান পিয়াল , যার সার্বক্ষনিক খোঁচাখুঁচিতে বিশ্বকাপের মতো একটা সৃষ্টিছাড়া বিষয়ও আমাকে অনুপ্রাণিত করে ; সাদিক মোহাম্মদ আলম, যে কিনা অল্পের জন্য কোলনের রাত-দিনের সৌন্দর্য উপভোগ করা থেকে বঞ্চিত হলো। ]-
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ২:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



