আধা বছরের ইট্টু বেশি সময় ধরে প্রায়ই একটা প্রশ্ন শুনি আমি। আমি কখনো সিরিয়াস প্রেমে পড়ছি কিনা! আরেব্বা, প্রেম কি কোন কূয়া নাকি যে ঝপাৎ কইর্যা পইড়া গেলাম?
কূয়ায় পড়তে হইলে একটা মোটা দড়ি লাগে, দড়ির একমাথায় বিগ সাইজের একটা ভারী, শক্ত লোহার বালতি লাগে, আরেক মাথা কোমরে বানতে লাগে টাইট কইরা (অবশ্য গলায়ও বান্ধা যায়, কিন্ত দম বন্ধ হইয়া গেলে?)।
যাউকগা কী নিয়া কইতাছিলাম...? কূয়ায় ঝাপ দেওয়া নাকি প্রেমে পড়া? বয়স হইছে তো, দূরের জিনিষ আর ভালো দেখি না। তয় আবার কাছের জিনিষ ভুইলা যাবার আগে আমার পূর্ব পোস্ট (এলোমেলো ড্রাফট জিরো জিরো সেভেন) নিয়া সৃষ্ট সংকটের খানিকটা প্যাচ খুইলা লই।
প্রথম মন্তব্যটা খিয়াল কইরা। কেডা করছে, বদ্দা। কী করছে, "পুরাণা পলটনের কাহিনী কি"! কাহিনী আসলে আপনে যা ভাবতাছেন তা না (আবার হইতেও পারে)। ঐখানে রাঁধুনীর একটা রেস্টুরেন্ট আছে। আগ্গুন খাওয়া! খালি পেট নিয়া ঘুমাইলে দেহি রাঁধুনীর নিচে কলাপসিবল গেটটা বন্ধ, আর ভরা পেট থাকলে ভিতরে কোন লোকজন নাই- যতো পারো ততো খাও!
রাঁধুনীরে পাশ কাটাইয়া বাইতুল মোকাররামের দিকে আসতেই হাতের ডানদিকে পড়ে 'আজাদ প্রডাক্টস'। ঐখানে কাঁচের দেয়ালে টানানি থাকে মাধুরী দীক্ষিতের ঝকঝকা একটা ফটুক, ঘাড় ঘুরিয়ে যেনো আমারেই ডাকে বিস্ময়ের দৃষ্টিতে!
মাধুরী, আমার প্রেম - আমার একমাত্র সিরিয়াস(!) প্রেম!
-----------------
বিদ্্র ঃ এই চান্সে GB MvbUv না শুনলে ক্যামনে!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




