তেনাদের মৌড়লিক ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো কোন সাবজেক্টে একমত হতে পারেণ নি, দেখেই বুঝা যায় , যাইহোক। মাখ ভাই এগিয়ে গিয়ে কারণ জিজ্ঞেস করলেন বেশ ভয়ে ভয়ে, বলাতো যায় না, মোড়ল বলে কথা তাও আবার প্রতাপশালী। কিন্ত আশ্চর্য হয়ে গেলেন, সবচেয়ে রাগী মোড়লই উৎসাহ নিয়ে তার কাছে ঘটনাটা ব্যাখ্যা করতে লাগলো....
: বুঝলা মাখন, আমরা ভাবতাছিলাম দেশে গেরামেতো অনাচার বাইরা যাইতাছে। বউ-বেটি আর মান সন্মান লইয়া তো আর থাকোন যাইবোনা। গেরামডারে টুরকা টুরকা করবার লাইগা পুব পাড়ার রহমান নাকি পাশের গঞ্জের ইন্দুর মুখার, ছেঃহ্ ! নাম লইতেও শরম করে, লগে জুট্টি বানছে। কিছুতো করণ লাগে হের লাইগা ঠিক করলাম, পেরথমে রহমান মিয়ার সাড়ে সাত বিঘা জমির বেবাক ফসল পোড়াইয়া দিমু...... হের পর একটা হাঁস........ এতোটুকু বলতেই মাখন মিয়া ছয়গুন উৎসাহে বলে উঠলো --
: ক্যান কাহা?.... হাঁস ক্যান আবার?
ঠিক সাথে সাথেই এতোক্ষন চুপ করে থাকা মোড়লজী লম্ফ দিয়ে উঠে বল্লো--
: আমি কইছিলাম না, রহমানের সাড়ে সাত বিঘা জমির ফসলের দিকে কারো কোন খেয়াল নাই....।
*25শে মার্চ কে স্মরণ করে*
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



