কাঁথা মুরি দিয়ে ঘুমানোটা খাসা কাজ হলেও, সময় সময় বৃষ্টি বিলাস করতে মন্দ লাগে না একদম। মাঝে মাঝে কবিগুরুর "এমন দিনে তারে বলা যায়, এমন ঘন ঘোর বরিষায়..." মনের ভেতরে আন্দোলিত হয়, কিন্ত কারে বলা যায় আর কী ই বা বলা যায়, তাতো কেউ বলে দেয়না.... সবাই স্বর্থনিজ (যে নিজের স্বার্থ দেখে), কীযে করি।
বৃষ্টির আবার প্রকার ভেদ আছে, এই যেমন ভোরের বৃষ্টি, সকালের বৃষ্টি, রোদ ওঠার বৃষ্টি, বেলা বাড়ার বৃষ্টি, বেলা হবার বৃষ্টি, বিকেলের বৃষ্টি, সন্ধ্যার বৃষ্টি, রাতের বৃষ্টি.... আরো হরেক রকম বৃষ্টি (সুখের বৃষ্টি, দু:খের বৃষ্টি, প্রমের বৃষ্টি, বিরহের বৃষ্টি.... আরো কত, আশা করছি বিশদ বর্ণনা করবো ধারাবাহিক ভাবে)
ইচ্ছা ছিল বৃষ্টি নিয়ে খানিক বিলাসিতা করার। কিন্ত একটা টেলিফোন। সুধীজন জিজ্ঞাসিবেন, কে সেই পাপিষ্ঠ। আমি বলবো, ধীরে জনাব, পাপিষ্ঠ নয়, পাপিষ্ঠা...। তার পারিবারিক নাম "ব্লুম"। বাংলায় যার অর্থ ফুল। আচ্ছা তার নাম ফুলি দিয়ে দিলে কেমন হয়? তো এই ফুলিকে নিয়েই কয়েক লাইন কলি তুলে এখকার মতো বিদায় হচ্ছি, নাহলে এই পোস্ট পেষ্ট করার চান্স আর পাবো না
ফুলি হঠাৎ করেই ফোন করে বল্লো-
: কী কর? এখনো ঘুমাও?
: নাহ্...
: চল, তোমাকে নিয়ে এক জায়গায় যাবো!
: কোথায় রে ভাই?-আমার ভড়কে যাওয়া প্রশ্ন।
: ই-প্লুস - এ
: আমি বলি যাব না। কাজ আছে (আসলে কাজ-ফাজ কিছুই নেই... ভাওতা বাজি।)
: আরে চল, খুব সুন্দর একটা মেয়ে আছে সেখানে। আর যারা যায় তারাও মোটামুটি সুন্দরই....
এর পর আর কি মানা করা চলে? কিন্ত খুধা তো আছে মনে হয় পেটে। ওর কাছ থেকে নাস্তা পাবার অ্যাশিওরিটি পেয়ে যাবো বলে মনস্থির করেই ফেল্লাম। কিন্ত যাবার আগে এই পোস্ট খানা পেস্ট করতে চাইছি আরকি...
এইরে, আবারো ফোন...।
চলবে
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



