জনৈক ব্লগার ইন্তিখাব কে বলছি, ব্যক্তিগত আক্রমন এবং বাজে ভাষা ব্যবহার অবশ্যই প্রতিবাদ করা উচিৎ।
কিন্ত কথা হলো, কারা করবে সেই প্রতিবাদ? নিজে ভুল করে সেই একই ভুলের জন্য আরেকজনকে শোধরাতে যাওয়া কতোটা গ্রহনযোগ্য?
অপ বাক তার পোস্টে যাদের নাম করলেন, তারা প্রতিবাদ করেছে মাসুদা ভাট্টির, কিরকম ভাষায়? রাসেল-এর পোষ্টেরও প্রতিবাদ করছে সেই একই ভাষায়। লুকিয়ে থাকা নামের আড়ালে এই তথাকথিত প্রতিবাদী মানুষগুলো অন্যান্য অনেক প্রতিষ্ঠিত ব্লগারেরই সমর্থন পেয়েছে, নীরবে এবং সরবে।
রাসেল আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করেছে, তাকে বহিষ্কার করা হোক- এটা যাদের দাবী, কই তাদের কেউ তো একবারের জন্যও বল্লো না, এই প্রতিবাদিদের ব্যবহৃত ভাষার বিরুদ্ধে। এরকম ভাষা তো এখনো ব্যবহৃত হচ্ছে, কিন্ত সবার দৃষ্টি রাসেল - এর দিকে কেনো?
রাসেল-এর খসরা- পোস্টে জৈনক ব্লগারের একটা মন্তব্যের জের টানছি এখানে। তিনি বলেছেন, রাসেল তার পরিবার থেকে যে কালচার, আদব-কায়দা আর কথা বলার শালীনতা দেখে বড় হয়েছে, তা দিয়ে অন্তত চটি বই লিখা চলে, প্রেম কাহিনী নয়।
রাসেল না হয় তাই অর্জন করেছে তার পরিবার থেকে, কিন্ত সেই ব্লগার তার কয়েকটা পোস্টে "বাল" কথাটির উদ্্রেক করেছেন সেটা কী রাসেলের পরিবার তসকে শিখিয়েছে নাকি তার নিজেরই পরিবার?
প্রতিবাদ হলে ঝেড়ে পুছে সবার ক্ষেত্রেই তো হওয়া উচিৎ, কাউকে রেখে, কাউকে ধরে প্রতিবাদ করার মানে, উদ্দেশ্য এবং যৌক্তিকতা কী?
এই ব্লগিং সাইট টার কোন বেরাছেড়া অবস্থা দেখতে চাইনা ব্যস।
ধন্যবাদ
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




