সাল : 2150 ইং
সময় : আনুমানিক সকাল সাড়ে দশ ঘটিকা
স্থান : অতলান্তিক মহাসাগরের উপরিভাগ
উদ্দেশ্য : ডুবে যাওয়া সুবিশাল জাহাজ "দি ঝিমাতে পিছলামী" থেকে ডুবে যাবার কারণ এবং ক্লু পাবার চেষ্টা।
বিবরণ : বিশ্ব বিখ্যাত সব ডুবুরে কোম্পানী গুলো মুড়ি খেতে চলেছে। কারণ ডুবে যাওয়া দি পিছলামী-র কাছে কোন ভাবেই যাওয়া যাচ্ছে না। এত তলেই এটা তলিয়েছে যে অতদূর যাবার সাধ্যি এখনো মানব সম্প্রদায় খুঁজে পায় নি। দিনের পর দিন এক মিটার করে তলে যায়, আর ডুবুরীগন অক্সিজেনের অভাবে পেরেশান হয়ে ফিরে আসে, কী করা যায় এখন?
সর্বশেষ অভিযানে দেখা গিয়েছিল, অনেক তলে কী যেন নড়েচড়ে, মানুষের মতোই। কিন্ত প্রশ্ন হলো, যেখানে আধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে বিশেষ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত ডুবুরীরা যেতে পারছে না, সেখানে কী করে মানুষ থাকতে পারে? এ নিয়ে বিশাল বোর্ড মিটিং চলছে উদ্ধারকারী জাহাজ "আল-মওদূদী এন্ড কোং" এর ডেক-এ।
শেষে একলোক, ছিপছিপা গড়ন, চোখে পুরু চশমা, মাথায় চোখা ক্যাপ, নিজের পরিচয় দিল "রম্বস" (এক ধরনের চতুর্ভুজ, জ্যামিতিক সংগানুসারে)। এই রম্বস মহাশয় আবার একবিংশ শতাব্দির মারো-কাটো বলে বলীয়ান। পড়াশুনাও নাকি করেছেন "Oh, Lame saint" এর দেশে। তিনি রাজি হলেন অতলান্টিকের তলে তলিয়ে দেখার, কী সেই জিনিষ যা নড়েচড়ে...।
এক... দুই... তিন... ধিরিম...
শুরু হয়ে গেল আবার অভিযান। রম্বস সাহেব তলে যাচ্ছেন আর সেই নড়েচড়ে জিনিষ টা কাছে আসছে আস্তে আস্তে...। দূরত্ব 20 মিটারের মত পৌঁছাতেই দেখা গেল পঞ্চকলি টুপি মাথায় এক লোক। রম্বস কে দেখে পান খেয়ে লাল করা মুখে দাঁত বের করে দিল এক মিঠাই হাসি। রাগে দু:খে কম্পিত রম্বস সাহেব মাথার অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেলে জিজ্ঞেস করেণ-
-: অই ব্যাটা বলদা, তুই এইহানে কি করস?
লোকটা ফিচিক করে পানের লাল পিক ফেলে ফুচকি হাসি দিয়ে বলে,
-: অাঁই?.... অাঁই কিতা করুম!... অাঁই এই যে হাত্বর টোআই ....।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ১২:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




