আজকে দুপুরে, ট্রেনের ভেতর বসে গুন গুনিয়ে গান ধরেছিলাম, আমার পাগলা ঘোড়ারে... কইথা্যাইকা কই লইয়া যাস.... হঠাৎ সামনে কিম্ভুৎ কিমাকার এক ভোটকা বলদ, দাঁত বের করে চান্দা ভেটকি দিয়া আছে.... বুঝলাম এটা আমাগের হিমু....
আমি কিছু বলার আগেইহিমুর তাড়া-
-: অই ব্যাটা গরু, তুই আমার ঘোড়ায় চইড়া কই যাস!
-: যাহ্ শালা কী যাতা কস্? রামের পরিমান কী বেশি পড়ছে নাকি পেটে? আমি হালায় রুনারে আনতে যাই হাসু মিয়ার দর......
কথা শেষও করতে পারিনি, অমনি দেখি বিশাল এক কিল বাগিয়ে হিমু আমার দিকে তেড়ে আসতেছে। ওম -শান্তি, বলে হাতে সাদা পতাকা তুলে ধরলাম। কিসের শান্তি, কিসের কি...
শ্বেত কেতনে কাজ হচ্ছে না দেখে দিলাম নাক পাতালি লৌড়...। লৌড়ের উপরই ঘাড় বেকাইয়া দেখি এক পোলা, পাশে হরলিক্সের ডিব্বা, চুল উষ্কো খুষ্কো, কিজানি বিড়বিড় করে আর গাছের পাতা ছিড়ে...। মনটা ক্যামন করে উঠলো, কাছে গেলাম....
আরে রুনা ম্যান হাসু মিয়া যে, কি করেণ? এল হাসানী আমারে উলটা ফাঁপড় দিয়া বলে, কী করি দেইখা বুঝেন না! বেহুদা প্যাচাল পারেণ ক্যালা! আমি হালায় গান করি... "সে যে কেন এলো না, কিচ্ছু ভাল লাগে না, এইবার আহুক, ওর চৌদ্দ গোষ্ঠির মজা চাখামু"। আমি বলি, হ, বুঝছি মাথার লগে লগে ছফেদ জবানডাও হালায় গেছে....
আমি আবারো রাস্তা মাপি... কিছুদূর গিয়া দেখি জিগরী দোস্ত হিমু দাড়িয়ে। হাতে তার মান্ধাতার আমলের এক ক্যামেরা। কিরে চান্দু, ক্যামেরা কই পাইলি, আমি জিগাই।
-: আরে আর কইস না দোস্ত। সাদিক্যা দেখি খেতের আইলের ধারে ক্যামেরাডা থুইয়া, পাশে ঝোঁপের ধারে 'ইয়ে' করতে গেছে। আমি চামে লইয়া দিছি কাঁটা পাতলা (এক রকমের দৌড়, যা কেবল হিমুই দিতে পারে).... হিহিহি
-: ভালো করছস। অহন ল, এটা দিয়া ফটুক খিচাই। আমি সবার সাক্ষাৎকার নিমু, তুই ভিডিও করবি!
রুনা নিয়া রক্তারক্তি হইলেও, নরমালি, আমাদের বড়ই ভাব। হিমু তাই তার স্বভাব সিদ্ধ বাম হাত না ঢুকাইয়া রাজী হয়ে গেলো....। আমরা গলা ধরা ধরি কইরা আমাদের ব্লগারুদের গরু খোঁজা শুরু করলাম....।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০০৬ দুপুর ২:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




