ছবিটা দেখে মনে হলো, লিখাটার সাথে এই ছবিটা খালি যুৎসই ই না, বরং মহাযুৎসই, একেবারে সাক্ষাৎ মানিকজোড়। তাই এখানেই লিখাটা ঝেড়ে ফেলার কূটনামী-টা করে ফেল্লাম। (সরি, শোমচৌদা)
লিখাটা আসলে আমার নিজের দেখা একটা ঘটনার কথা। প্যারামবুলেটরে বসে থাকা একটা পিচ্চি, টেটনের টেটন। অবশ্য এরকম বেশ কয়েকটা ছবি ও ঘটনা আছে, দেখি কিস্তিতে প্রকাশ করতে পারি কিনা। প্রকাশ করার জন্যে পাঠকের প্রতিক্রিয়া জানাটাও জরুরী
কোন একটা উইকএন্ডে শহরে বেড়াতে গেছি, দুপুরের দিকে। সার্কুলার কী স্টেশন থেকে বেড়িয়ে হার্বার ধরে সামনে গিয়ে দাড়িয়ে দেখছি বিভিন্ন ফেরীর আসা যাওয়া। হঠাৎ চোখ পড়লো, প্যারামে বসা এক ত্যাদর পিচ্চির দিকে। এধরণের পিচ্চি গুলো বরাবরই আমার দৃষ্টি খহুব আকর্ষন করে এক অজানা কারণে। খেয়াল করে দেখলাম, ব্যাটা হা করলে কেবল নিচের মাড়িতে দুইটা দাঁত দেখা যায়।
ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে শর্ট স্কার্ট পড়া মেয়ে-মহিলাদের দেখছিলো খুব। ওর মা'র ওদিকে খেয়াল নেই, সে কারো সাথে কথা বলায় ব্যস্ত। আমি আরো কাছে গেলাম, ভালো করে খেয়াল করতে থাকলাম তার ত্যাদরামী। হঠাৎ দেখি পাশে দাড়িয়ে থাকা শর্টস্কার্ট পড়া একজনের (খুব সম্ভবত তার খালা গোছের কেউ) স্কার্ট ধরে টানছে। আমিতো পেলাম মজা...। এর পর দেখি তার পাশ দিয়ে যারাই যাচ্ছে, হাত বাড়িয়ে তাদের কেই ধরার চেষ্টা করছে।
যারা আগে থেকে ব্যাপারটা খেয়াল করেছে, সামনের কয়েকজন কে দেখে, তারা দেখলাম বেশ ভালো একটা দূরত্ব বজায় রেখে চলার পথ খানিকটা কার্ভ করে নিচ্ছে পিচ্চিটার কাছে এসে। মজা হলো তখন, যখন এক ইয়াং মেয়ে মোবাইলে কথা বলতে বলতে দাত কেলিয়ে যাচ্ছিলো তার পাশ দিয়ে, শিকার হাতের নাগালে আসতেই দিল হঠাৎ হাত টা বাড়িয়ে....। মেয়েটাও দিলো ঘটনার আকষ্মিকতায় তিড়িং বিড়িং একটা লাফ...। এইবার দেখি ত্যাদর মিয়া ত্যাদরামী রেখে ভয় পেয়ে দিলো এক গগন বিদারী চিৎকার...।
মজার ব্যাপার হলো, ওর গেলো 5 থেকে 10 মিনিটের কার্যকলাপ আর চিৎকারের আসল কারণ আমি ছাড়া আর কেউ বুঝতে পারে নি, তার মা'ও না...।
উপরের ফটুকের ত্যাদড় টাকে দেখুন...। কী বলবেন, ইঁচড়ে পাকা, নাকি সময়ের দাবী?
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মে, ২০০৬ সকাল ১১:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



