কঙ্কালসার
পথ চলতে চলতে ভাবছিলাম
এ কেমন দিশা !
নাহয় খেয়েছে দুটো ডালিম,
তা বলেই এমন মারের নিশা !
আমার অপাংক্তেয় উলুধ্বনি,
ওরা পায়নি খুঁজে ডুমুররাজকে।
অন্তিম ছায়াগুলো অবিরাম নেচেছে।
দখিন দ্বীপের হাওয়ায় তা যেচেছে।
সাথে এনেছে সুললিত ঘ্রাণ,
পোড়া মাংস থেকে ঝোল মাংসের দান।
লালায়িত সন্ধ্যায় দমবন্ধ পোশাকটা
খুলে যেতে চাইছে শরীর থেকে।
বেমালুম বেআব্রু বেশে; বেহিসেবী বেড়াবো,
বেদখলে যাওয়া বিচ্ছিন্ন বদ্বীপে।
আয় খুকি আয়, তোকে আদর করি।
দুটি গান শোনাই কাকাতুয়ার।
তোর ভুখা পেটে অন্ন দিতে না পারি,
শূন্য মনে ছিটিয়ে দেব ফুল।
ভাসিয়ে গাঙের দুকূল,
নামাবো বৃষ্টি তুমুল।
চল খেলি আয়না-ছলাৎ
শাপলা দীঘির জলে।
ফের দুঘ্রাণ করবি সপাট
মায়া দিদির কোলে।
আয়রে খুকি আয়,
মনিবুবুর বাড়ির ছাদে যাই।
পাষাণ দেশের বুক ছেঁদানো কায়
মোরা সাম্যের গান গাই।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



