
নয় তারিখে আমি যেটা করি,
সেটা হলো ভাত খাই না।
// কেনো খাও না ?
তা জানিনা, জানিনা।
দশ তারিখ বিকেল হলে
বসে আমি হাড় জুড়াই।
// সেটা আবার কি ?
বলবো না, বলবো না।
এগারো তারিখ হলে পরে
দুটো থালায় নৈবদ্য দেই।
// আচ্ছা, কাকে দাও ?
তাও জানোনা, তাও বোঝনা।
বারো তারিখ ভোরবেলা হলো
কুসুম স্নানের প্রহর।
// আহা, দারূন শুনতে তো !
তোমার শুধু নোংরা ভাবনা।

তেরো তারিখ কুপোকাত,
রান্না চড়াই হাঁড়িতে।
// তাই, ডাল রাঁধতে পারো।
ডালের বড়ি ভালোবাসি।
চৌদ্দ তারিখ পৌষ-ফাগুনের পালা,
হোক না হোক গান শুনি।
// তুমি নিজে গাইতে পারো না ?
এতদিনে সেটাও জানলে না ?!
পনেরো তারিখ দ্বিপ্রহরে
দুটি শালিক আসে বাসায়।
// তুমি বুঝি আপ্যায়ন করো ?
ওরা আমায় ভীষন ভালোবাসে।
সেবার পূজোয় ফড়িং ধরেছিলাম,
যা এখন ষোল তারিখে ধরি।
// তুমিতো খুব নিম দুষ্ট !
লাল ফড়িং আমার খুব প্রিয়।
জানো গো ওরা না আমার হাত বেঁধেছিলো,
সতেরো তারিখ এলেই কুঁকড়ে উঠি।
//নিশ্চই দস্যি মেয়ের শাস্তি।
আ মঁলো জা, নিজেতো কচি খোকা।
আঠারো তারিখ দুধ-সাদা মেঘ,
আমার সারা আকাশ যায় ছেয়ে।
// তুমি কি তখন ভাসাও ভেলা ?
না, পাঠে দেই হেলা। হাহা
উনিশ, উনিশের কথা বলোনা,
ভীষন জ্বর এসেছিলো, আসে আমার।
// বলবে ঘটনাটা কি ?
কিছু রহস্য থাকনা সখা।
বিশ হলো বিষ দিবস,
অমৃত সুধা করি পান।
// আমায় কি একটু করবে দান ?
সে রাতে এসো, খুলে দেবো খিল।
আচ্ছা, কি বেহায়া বাবা !
জানোনা, একুশ হলো জাগরণের দিন।
// আমার কি অত জ্ঞান আছে ?
সেজন্যই তোমায় আঁধা ভাল্লাগে আমার।
বাইশ জনের একটা কবিদল গড়বো আমি,
সেই সাধনাই করি বাইশ তারিখে।
// আমায় নেবে তোমার দলে ?
তাহলে যে তোমার সঙ্গে প্রেম ভেঙ্গে যাবে।
মন খারাপ করোনা, আসছে তেইশ।
রোজ তেইশে তোমার আমার প্রণয়।
// আমি বুঝি শর্তাধীনে তবে ?
ভালোবাসা জমিয়ে রাখতে হয়রে পাগল।
ক্লান্ত লাগছে চব্বিশের দোরগোড়ায়,
চব্বিশ বসন্ত একলা থাকার জ্বলন।
// তাহলে কি আমি ই তোমার..…।
থামো, আজ ঘুমাও, সে গল্প আরেকদিনের।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


