(এক)
তোমাকে যত দেখি ততটা মুগ্ধ হয়ে যাই
তোমাকে দেখার ভেতর নিজের ভবিষ্যত দেখতে পাই।
তুমি যত হাস আমার ভেতরটা ময়ুরীর মত নেচে ওঠে
তুমি যত হাস তত পবিত্র বাতাসে কেঁপে ওঠে অন্তর।
(দুই)
যখন তোমাকে দেখিনা সব শূন্যতা
আমাকে অন্ধকার গহবরে ছুড়ে মারে !
যখন তোমাকে দেখিনা নিজেকে মনে হয় একটা গাছের মত।
তুমি যখন চুপ করে থাক,
তখন নিজেকে মৃত প্রজাপতি মনে হয়।
(তিন)
তুমি যখন কাছে আস,
সব শূন্যতা আমার অন্ধকার ভূবণ থেকে ঘুচে যায়।
শুধু তোমাকে দেখে দেখে আমি এখনো
বেঁচে আছি সবুজ অরণ্যর আনন্দ হয়ে।
(চার)
ভোরের শিশির নয়-
একটি গোলাপ ফোঁটা সকাল নয়,
বেহুলার ভেলা নয়, আর শিশুদের কোলাহল নয়
শুধু তোমাকে দেখায় নতুন একটা জীবনে ফিরে পাই
তোমাকে যত দেখি আমার ভিতরে আগুনের ফুল ফোটে
যখন তোমাকে দেখিনা চোখ থেকে শ্রাবণের অশ্রুবিন্দু ঝরে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




