যে সকল শ্রেষ্ঠ ইবাদত দ্বারা মহান
আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়, ত¦মধ্যে
রোযা হল অন্যতম। আল্লাহ তা বান্দার
জন্য বিধিবদ্ধ করেছেন, যাতে করে
বান্দা তদ্দ্বারা নিজের আত্মা ও মনকে
সংশুদ্ধ করতে পারে এবং প্রত্যেক
কল্যাণের উপর তাকে অভ্যস্ত করতে
পারে।
আল্লাহ তায়ালা বলেন-
‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোযা
ফরয করা হল, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তী
উম্মতের উপর ফরয করা হয়েছিল। যাতে
তোমরা পরহেযগার হতে পার।’’ (সুরা: বাকারা:১৮৩)
রোযা রোযাদারকে পানাহার
থেকে বিরত রাখে; যা তার জীবন
ধারণের জন্য জরুরী এবং তাকে সকল
যৌনাচার থেকে বিরত রাখে; যা তার
দৈহিক ক্ষুধার প্রকৃতিগত বাসনা, তাহলে
তার জন্য জরুরী এই যে, সে
কোন প্রকারের পাপাচরণে লিপ্ত হবে
না; তাতে সে পাপ যেমনই হোক। সে
কোন প্রকারের অসার ক্রিয়া-কলাপে
লিপ্ত হবে না; তাতে তার ধরন যেমনই
হোক। কারণ, ইবাদতে সে
আল্লাহর সামনে হাযির থাকে।
অতএব প্রত্যেক কথা বলার পূর্বে সে চিন্তা
করবে, প্রত্যেক কর্ম করার পূর্বে সে ভেবে
দেখবে যে, তার সে কথা ও কর্ম তার
ইবাদত রোযার অনুকূল কি না? সে কথা বা
কর্ম তাঁকে সন্তুষ্ট করবে কি, যাঁর সামনে
ইবাদতের উদ্দেশ্যে সে উপস্থিত?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


