
বছর খানেক আগে আমার এক বন্ধু ফেসবুকে একটি লেখা শেয়ার করলেন।লেখাটি যতটা না বিএনপি জামায়াত পন্থি ঠিক ততটাই আওয়ামী বিদ্বেষী। পড়া শুরুর আগে একবার লেখকের নাম পড়েছিলা।পড়া শেষ করে দেখি পর্যাপ্ত সংখ্যক লাইক ১কে+ এবং কমেন্ট দেখে আমি উপড়ে আবারো লেখকের নাম দেখতে গেলাম।এমন বিএনপি জামায়াত ভক্ত আওয়ামী বিদ্বেষী একজন ফেসবুক সেলিব্রেটি সম্পর্কে একটু খোজ খবর আরকি।
উপড়ে গিয়ে দেখি লেখক নয়,লেখিকা।নাম মিনা ফারাহ।নামটা পরিচিত পরিচিত লাগছিল।কিন্তু ঠিক মনে করতে পারছিলাম না।এর ঠিক একদিন পর আমি মিনা ফারহা কে ডিটেক্ট করতে পারি হটাৎ করেই।আমার মনে পড়ে যায় বেশ কিছু দিন আগে তার একটি বই পড়ে ছিলাম।আসলে ওটাকে বই বললে ভূল হবে,*টি বললে হবে একদম পারফেক্ট!
আপনাদের *টি সম্পর্কে সামান্য ধারনা দেওয়ার লোভ কিছুতেই সামলাতে পারছি না।স্যরি বইটির নাম ভূলে গেছি আপনাদের কেউ যদি কাহিনি দেখে নাম ধরতে পারেন আমাকে কমেন্টে জানাবেন।কাহিনি সংক্ষেপ: এক ভদ্রলোক ওনার ওয়াইফ নিয়ে আমেরিকায় থাকেন।ভদ্রলোক পেশায় ট্যাক্সিচালক। ভদ্রমহিলা গৃহিণী। ভদ্রলোক মাঝে মাঝে ট্যাক্সি চালিয়ে দিনে ৩০০ ডলার আয় করলেও ভদ্রমহিলার মনে শান্তি নেই।তাই শান্তির জন্য ভদ্রমহিলা হাটুর বয়েসি এক ছোকরার সাথে ইটিস-পিটিস করেন" এই সাধাসিধা বইয়ের ভেতর হাটুর বয়সি ছেলের সাথে ইটিস পিটিসের বর্ননা যেভাবে দেওয়া আছে তা যে কোন *টি গল্পকেও হার মানাবে! এবং আমি সিওর আপনি বাংলাদেশে ওই বই কিনে আমাদের সমাজে বুক সেলফ এ সাজিয়ে রাখার চেষ্টা করবেন না।(দু-একজন ছাড়া)
ঠিক এই ভাবে মিনা ফারহার সাথে আমার পরিচয়।আজ এক ব্লগারের ব্লগ দেখে আবার ভদ্রমহিলার কথা মনে পড়ল।অসুবিধার কিছু নেই।উনি লিখতেই পারেন।ভালো খারাপ সবই লেখার অধিকার ওনার আছে।ইসলাম নিয়েও লিখতে পারেন।আমার তাতে কোন অসুবিধা নেই।
যুদ্ধপরাধী জামায়াতি বড় বড় নেতাদের ফাঁশি হচ্ছে।দেশের এক অংশ মানুষে প্রচন্ড মন খারাপ।তাদের দাবি ওনারা নির্দোষ। এটা স্বাভাবিক। কিন্তু আল্লাহ যেহেতু মানির মান রাখেন,সেহেতু আল্লাহ তাদের এই শেষ বয়সে এইরকম হেনস্তা করাচ্ছেন কেন??আমি বিশ্বাস করি,আল্লাহর হুকুম ছাড়া কারো ক্ষমতা নেই কাউকে অপদস্ত করা।
ধন্যবাদ

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৩:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



