
টাকার ওপর মনের ভাব প্রকাশ করার এক জাদুকরি ক্ষমতা নিয়ে জন্মগ্রহন করি আমরা।নব্বুই দশকে আমরা টাকাকে ফ্রি পত্রমিতালির মাধ্যম হিসেবে ব্যাবহার করতাম।তার আগের ব্যাপারে আমার ধারনা নেই।সেই সময় টাকায় পুরো বাড়ির ঠিকানা পাওয়া যেত।লেখকের মনে মৃদু আশা হয়ত কোন ধনীর অপরুপ দুলালি সাড়া দেবে!
আমাদের এই জাদুকরি ক্ষমতা শুধু টাকাতেই সিমাবদ্ধ নয়।সুযোগ পেলেই আমরা সবখানে আমাদের এই প্রতিভার জানান দেই।টয়লেট,হোস্টেল,প্রাচীর,ক্লাশরুম,ওয়াল,দরজা,হোটেল বাদ যায় না কোন কিছুই।মসজিদে কখনও চোখে পড়ে নাই,তবে ঈদগাহের জন্য নির্মিত ঈমামবাড়ায় লেখা দেখেছি।
কেন আমাদের এই প্রবনতা?? বিশেষজ্ঞ মতামত নিতে হবে।বিশেষজ্ঞ মত ছাড়া এটা বলা যায় আমাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, মূল্যবোধ এর অভাব রয়েছে।আমাদের পরিবার আমাদের কোনটা ভাল কোনটা খারাপ, কি করা যাবে কি করা যাবে না এগুলো শেখাতে ব্যার্থ হয়।
দুই হাজার সালের পর টাকায় মোবাইল নম্বর লেখা থাকত।আর সাথে প্রয়োজন,মানে"ভালবাসা চাই/বন্ধু হতে চাই"। এখন ফেসবুক টেসবুক এসে টাকা ভালবাসা বন্ধুত্বের মাধ্যম হওয়ার হাত থেকে রেহাই পেয়েছে।কিন্তু বিকৃত রুচির বহিঃপ্রকাশ কমেছে বলে আমার মনে হয় না।
এইসব বিকৃত রুচিধারী ব্যাক্তিবর্গের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ব্যাবস্হা নেওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি।একজন মানুষ কতবড় বেআক্কেল হলে জাতির পিতা কে বিকৃত করতে পারে?? জানি দেশে বঙ্গবন্ধুর হেটার অনেক আছে,কিন্তু এভাবে? খেয়াল রাখবেন আর একজনকে ঘৃনা করতে গিয়ে নিজের পরিচয় যেন প্রকাশ না হয়ে পড়ে!
আমরা সামাজিক ভাবে এইসব বিকৃত টাকা গ্রহন না করে এই সব ফালতু চিন্তা প্রতিহত করতে পারি।প্রশাসন পুরষ্কার ঘোষনা অপরাধী ধরে সাজা দিলেও এগুল কমবে বলে আমার মনে হয়।
ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ২:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




