গেল মাসের শুরুর দিকে ডিআরইউতে কিশোরদার (কিশোর কুমার=সদ্য প্রয়াত ভোরের কাগজের সাংবাদিক) সঙ্গে দেখা। যথারীতি দীপনসহ (দীপন নন্দী) কয়েকজন তার সঙ্গে। ডিআরইউর বাগানে আমাকে দেখে বলল কিরে তুই ডিআরইউতে আসিস! আমি সাধারনত: ডিআরইউতে যাইনা, কিশোরদার কথা শুনে হেসে দিলাম। বলল চা খেয়েছিস? বললাম হঁ্যা। বলল তাও আরেক কাপ খা।
কিশোরদার সঙ্গে আমান পরিচয় আজ থেকে কয়েক বছর আগে যখন প্রিন্ট মিডিয়াতে সাংবাদিকতায় পদার্পণ। সেই থেকে কিশোরদা যেন নিজের ভাই হয়ে গিয়েছিল। তুই করে বলত সবসময়। এত আপন লাগত। বলত তোর হাসি দেখে মনে হয় তুই পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ। দোয়া করি সারাজীবন এমন সুখে থাক।
যেটা বলছিলাম, কিশোরদা ডিআরইউ থেকে বের হবার সময় বলল নিউ মার্কেট যাচ্ছি, তোর বাসাতো ঐ দিকেই যাবি নাকি আমাদের সঙ্গে। কিশোরদার এমন প্রস্তাবে তাঁর সঙ্গীরা মনে হল তেমন খুশি হল না মানে বাড়তি একটা ঝামেলা যোগ হল। কিন্তু আমি যেতে চাই শুনে কিশোরদা সঙ্গীদের একটা রিকশায় তুলে দিয়ে আমাকে বলল রিকশায় ওঠ। নীলক্ষেত আসতে আসতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলল কিশোরদা। তাঁর বাবা হবার খবরও শুনলাম। বলল আমিতো সারাদিন বাইরে থাকি একটা বাচ্চা হলে তোর বউদির সময় পার হবে। আমি তাকে Congratulate করলাম। নীলক্ষেত নামার সময় বললাম কিশোরদা ভাড়াটা আমি দিতে চাই। বলল আমার সঙ্গে যাচ্ছিস আবার ভাড়ার কথা বলছিস! যা তোর সঙ্গে কথা নাই। রাগ করলাম। আবার বলে, আফরিন শোন তোর সঙ্গে আরো একটা কারণে রেগে আছি। আমি জিজ্ঞাসু নেত্রে কিশোরদার চোখের দিকে তা্কাই, বলে তুই তোর জামাইয়ের সঙ্গে এখনো পরিচয় করিয়ে দিলি না। আমি বলি কিশোরদা একটু গুছিয়ে নেই বাসায় দাওয়াত দিয়ে জামাইর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিব..
কিশোরদা আমিতো প্রায় গুছিয়ে উঠেছি, আপনাকে দাওয়াদ দিবও ভাবছি, আপনি আমার জামাইয়ের সঙ্গে পরিচিত হবেন না?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



