বেবি আপর সঙ্গে পরিচয়ের আগে তাঁর নাম অনেক শুনেছি কিন্তু জানতাম না যে উনিই বেবি আপা।পরিচিত হবার আগে তাঁর লেখার সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল। গাজীপুরে উপজাতিদের একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে। বেবি আপা ছিলেন সেখানকার প্রধান অতিথি। বেবি আপাকে প্রধান অতিথি করার একটি উদ্দেশ্য ছিল তাদের সেটা হল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খুব ঘনিষ্ঠজন হিসেবে সবাই তাঁকে চিনত। তাইতো বেবি আপার আগে যারা বক্তব্য দিচ্ছিল তাদের সবার দাবি দাওয়ার অন্ত ছিলনা। মুনে হল একবার চাইতে পারলেই হল, বেবি আপা তা পূরণের জন্য অবশ্যই ঢাকায় এসে প্রধানমন্ত্রীকে বলবেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেবি আপা উপজাতিদের সব দাবি দাওয়া পূরণের আশ্বাসও দিলেন। আমি অবাক হলাম এত মনোযোগ দিয়ে বেবি আপা সব শুনছিলেন। ঢাকায় ফিরলাম একসঙ্গে। আমি বেবি আপা আর সাংবাদিক সুখদেব সানা। বেবি আপার পাশে বসে বললাম। বলতে শুরু করি আপা আপনার কথা অনেক শুনেছি, আপনার লেখা পড়েছি কিন্তু বাস্তবের সঙ্গে আপনাকে মেলাতে পারছিনা।এতটুকু মেয়ের কথা শুনে বেবি আপা অবাক হলেন আর আগ্রহ সহকারে জানতে চাইলেন কেন আফরিন? কোন সমস্যা? আমি বললাম না আমি ভাবছিলাম বেবি মওদুদ হবেন অনেক মোটাসোটা, দীর্ঘাঙ্গি, খুব সাজগোজ করা কোন মহিলা। কিন্তু দেখি............ আপা হেসে দিলেন। ও আচ্ছা, এই তাহলে? আমি সায় দেই।
ঢাকায় ফিরতে ফিরতে বেবি আপার সঙ্গে অনেক কথা হল। বরাবরই সাহসী বলে অনেক কথাই অকপটে বেবি আপাকে বললাম। বেবি আপা উত্তর দিলেন। মিরপুরে বেড়ি বাঁধের কাছে এসে গাড়ি থামিয়ে বেবি আপা বেশ কিছু মাছ কিনলেন। আমাকে বললেল তুমিও নাও। আমি বলি আপা আমিতো হলে থাকি এখান থেকে এত মাছ নিয়ে কি করব? আমার কথায় বেবি আপা সায় দেন।
ঢাকায় আমি নেমে যাই বেবি আপার আগে। আপা বাসায় বেড়াতে যেতে বলেছেন, ফোন দিতে বলেছেন কিন্তু আর যাওয়া হয়নি। তবে যেখানেই বেবি আপার যে লেখা পেয়েছি পড়েছি। আর অবাক হয়েছি কি সাদাসিধে একজন মানুষ।এত বনেদি পরিবার তাঁর কিন্তু আচরণ একদম সাধারণের মত। মহৎ হতে হলে এমনইতো হবে হয় বেবি আপা!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




