somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এই আমাদের ঢাকা

০৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের প্রিয় ঢাকার ছড়ানো ছিটানো সব ঐতিহ্য, বিশেষ করে স্থাপত্য নিয়ে কিছু লেখার ইচ্ছা ছিল বহুদিনের! লিখতে গিয়ে দেখলাম ধ্বংস হয়ে যেতে যেতেও এমন সব স্থাপত্য এখনও রয়ে গেছে যাদের নিয়ে লিখতে গেলে আসলে কয়েকটা সিরিজ পোস্ট করতে হবে!
কিন্তু ইদানিং আমি এমন আইলসা হয়ে গেছি, সিরিজ পোস্টের কথা ভেবেই থরহরিকম্পমান লাগছে নিজেকে!

তবুও গা হাত পা ঝারা দিয়ে শুরু করে দিলাম, যা আছে কপালে!

আমাদের দেশের ঐতিহ্য নিয়ে যদি আমরা না লেখি তাহলে সেটা গুরুতর অন্যায়ের কাজ বলেই আমি মনে করি। বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের মার্কেটিং থালা হাতে রুগ্ন শিশু নয়, ছিড়ে যাওয়া শাড়ি পরা নুয়ে পড়া বৃদ্ধা নয়, বিশ্বকে দেখানোর মতো অনেক অনেক কিছু, শতবর্ষের সম্পদ রয়েছে এখনও আমাদের...........





বর্ধমান হাউস:


বর্ধমান হাউস নামটা কি অপরিচিত লাগছে?
মনে হয় না, এটা আমাদের চিরচেনা বাংলা একাডেমীর আদি নাম!
বাংলাদেশের ঔপনিবেশিক স্থাপত্যের অন্যতম একটি নিদর্শন বর্ধমান হাউস!
অনুমান করা হয় বর্ধমানের মহারাজ বিজয়চাঁদ মাহতাবের (১৮৮৭-১৯৪১) কারণেই এই স্থাপত্যের নাম হয়েছিল বর্ধমান হাউস!


বাংলার সব চাইতে বড় বর্ধমানের ভু-স্বামী মহারাজ বিজয় চাঁদ ঢাকায় নিজের থাকার জন্য এ ভবনটি নির্মান করেছিলেন সম্ভবত ১৯১৯ সালের পরে। এর ভেতরের পুকুর ও পাশের শিব মন্দিরটিও তাঁর নির্মান করা।
পরবর্তীতে ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে এটা রমনা এলাকার আরও অনেক স্থাপত্যের সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষের হাতে চলে যায়! সলিমুল্লাহ মুসলিম হল স্থাপিত হবার আগ পর্যন্ত এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনিবাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল!
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান হবার পরে বর্ধমান হাউস পরিনত হয় পূর্ব-পাকিস্তানের মূখ্য মন্ত্রীর সরকারী বাসভবনে।

১৯৫৪ সালে নির্বাচনের সময়ে যুক্তফ্রন্ট যে ২১ দফা দাবি প্রণয়ন করেছিল তার ১৬ নম্বর দাবিটি ছিল "যুক্তফ্রন্টের প্রধানমন্ত্রী বর্ধমান হাউসের পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত কম বিলাসের বাড়িতে অবস্থান করিবে এবং বর্ধমান হাউসকে আপাতত: ছাত্রাবাস এবং পরে বাংলা ভাষার গবেষণাগারে পরিনত করা হইবে"!
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচিত হবার পরে মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ১৯৫৪ সালের ৩ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমীর প্রতিষ্ঠা করেন বর্ধমান হাউসে!
আজ এই বর্ধমান হাউস প্রাঙ্গনেই আমাদের ঐতিহ্যের অংশ হয়ে দাড়ানো একুশে গ্রন্থ মেলার আয়োজন করা হয়!



নিমতলী প্যালেস:


মুঘল শাসন আমলের শেষ দিকে নির্মিত হয়েছিল নিমতলী প্যালেসটি! এটা ছিল তৎকালিন ঢাকা প্রদেশের নায়েব-নিজামের (ডেপুটি গর্ভনর) বাসস্থান।

নিমতলী দেউরী

ঢাকার নিমতলী মহল্লায় অবস্থানের কারণে এই প্রাসাদ কমপ্লেক্সটি তখন 'নিমতলী কুঠি' নামে পরিচিত হয়ে উঠেছিল।
নিমতলী প্যালেস গড়ে উঠার পেছনে ছিল বেশ কিছু রাজনৈতিক কারণ। ঢাকার সে সময়কার নায়েব-নিজাম ছিলেন জারসাত খান! এই জারসাত খান নবাব সিরাজউদ্দৌলার নির্দেশ অমান্য করে বৃটিশদের সাহয্য করেছিলেন একবার, সে কারণে নবাব মীর কাসিমের আদেশে দেওয়ান মোহাম্মদ বেগ তাকে আটক করে বিহারের মুঙ্গেরে আটকে রেখেছিলেন।
কিছুদিন পরে বৃটিশরা ঢাকা দখল করার পরে লে: সুইংটন জারসাত খানের অতীত সহযোগীতার কথা স্মরন করে লর্ড ক্লাইভের কাছে সুপারিশ করেন জারসাত খানকে আবার ঢাকার নায়েব-নিজাম নির্বাচন করার জন্য। আবেদন মঞ্জুর হলে জারসাত খান আবার ঢাকায় ফিরে আসেন এবং ফিরে এসে দেখেন তার পুরাতন বাসস্থানটি (ঢাকার মূল দূর্গ, বর্তমান সেন্ট্রাল জেল) বৃটিশরা দখন করে নিয়েছে। তখন তিনি বড় কাটারায় বসবাস শুরু করেন।
এর কিছু সময়ে পরেই জারসাত খানের জন্য নিমতলীতে বাসস্থান নির্মানের কাজ শুরু হয় (১৭৬৬ সালে), যা পরবর্তী কালে নিমতলী কুঠি নামে পরিচিত হয়ে ওঠে।



নিমতলী কুঠি উত্তর ঢাকার বিশাল এলাকা নিয়ে তৈরি হয়েছিল, বর্তমান নিমতলী থেকে শুরু করে হাইকোর্ট ভবনের মধ্যবর্তী এলাকার পুরোটাই ছিল এই প্রাসাদ কমপ্লেক্সের মধ্যে আর এখানে একাধিক আলাদা আলাদা প্রাসাদ ছিল, যার কোনটিই এখন আর নেই। ঢাকার এই অঞ্চলটা ছিল তখন বনভুমির মতো, একাধিক ছোট ছোট খালও ছিল এই এলাকায়।
এই এলাকাকে কেন্দ্র করেই তখনকার সকল সামাজিক সাংস্কৃতি কার্যক্রম পরিচালিত হতো।



অতীত এই গৌরবের কোন কিছুই এখন আর অবশিষ্ট নেই শুধু মাত্র রয়ে গেছে নিমতলী দেউরী! একসময় এই নিমতলী দেউড়ী থেকেই ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ঈদ মিছিল শুরু হতো।
যদিও বাংলাপিডিয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে অনেক হাত বদলের পরে বর্তমানে নিমতলী দেউরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্বাবধানে রয়েছে, তবে ড: মাহবুবুর রহমান উল্লেখ করেছেন নিমতলী দেউরী যে স্থানে অবস্থিত সেটার পূর্ণ মালিকানা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা এশিয়াটিক সোসাইটি, কোন পক্ষেরই নেই!

নিমতলী দেউরীটি বর্তমানে এশিয়াটিক সোসাইটির পিছনে ঢাকা পরে গেছে! সম্প্রতি এখানে বেশ কিছু সংস্কার কাজ করা হচ্ছে, আশা করা যায় নিমতলী দেউরী তার পুরানো সৌন্দর্য্য অচিরেই ফিরে পাবে।


চামেরী হাউস:
ঔপনিবেশিক স্থাপত্যকলা একটা চমৎকার নিদর্শন চামেরী হাউস।
চামেরী হাউস মূলত: নির্মিত হয়েছিল ইংরেজ প্রশাসকদের জন্য ১৯২৬ সালে! ১৯০৫ সালে ঢাকা পূর্ববঙ্গ এবং আসামের রাজধানী হবার পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং মিন্টো রোড এলাকায় অনেকগুলো ভবন নির্মান করা হয়েছিল প্রশাসকদের থাকবার জন্য, চামেরী হাউস তাদের মধ্যে একটি! রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ঢাকা পরিভ্রমনের সময়ে এই চামেরী হাউসেই থেকেছিলেন!


চামেরী হাউস এখন

বর্তামনে অবশ্য আপনারা এই ভবনের সামনে নামফলকে দেখতে পাবেন "চামেলি হাউস"! যদিও চামেলি আরব চামরী শব্দের অর্থ একই, তবে মুনতাসির মামুন উল্লেখ করেছেন আদিতে ভবনটি পরিচিত ছিল 'চামেরী হাউস' নামেই। ইংরেজ আমলে অবিবাহিত ইংরেজ সিভিলিয়ানরা কয়েকজন মিলে যে ভবনে থাকতো তাকে বলা হতো 'চামেরী' (ইংরেজি চাম বা বন্ধু থেকে)। বঙ্গভঙ্গের পর যতদিন ঢাকা রাজধানী ছিল ততদিন এটা ইংরেজ ব্যাচেলর প্রশাসকদের আবাসস্থল বা মেস হিসাবেই ব্যবহৃত হতো!


চামেরী হাউস তখন


পরবর্তী কালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হলে, রমনা এলাকার সব ভবন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়, তখন চামেরি হাউস হয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলো! অধ্যাপকদের বাসস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
পরবর্তিতে ১৯২৯ সালে মুসলিম হলের কিছু আবাসিক ছাত্রকে বাংলোটি বরাদ্ধ দেয়া হয়েছিল!
১৯৩৮ সাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রিদের হল নিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছিল, ১৯৫৭ সালে রোকেয়া হল নির্মানে আগ পর্যন্ত এটা ছাত্রি নিবাসই ছিল!
এরপর চামেরী হাউস সরকারের তত্বাবধানে চলে যায়, বর্তমানে এখানে 'সিরাডাপ' এর কার্যালায়।
হাইকোর্টের মোড়ে, শিক্ষা অধিদপ্তরের পাশে গেলেই দেখতে পাওয়া যাবে চামেরী হাউসকে!


মীর জুমলা গেইট:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পুরাতন হাইকোর্ট বিল্ডিং এর পশ্চিম দিকে কার্জন হলের কাছে ময়মনসিংহ রোডে অবস্থিত তথাকথিত মীর জুমলা গেইটটি হয়তো অনেকেরই চোখে পরেছে!
বাংলাপিডিয়াতে এই গেইটি মীর জুমলা গেইট হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে সেটা আসলে সঠিক নয়!

মাহবুবুর রহমান তাঁর "City of an Architect" বইতে উল্লেখ করেছেন মীর জুমলা যে গেইটা নির্মান করেছিলেন সেই প্রাচীন গেইটা আমাদের বর্তমানে মীর জুমলা গেইট নামে পরিচিত গেইটটি নয়!
মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের বাংলার সুবাদার মীর জুমলা এই অঞ্চলে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য নির্মান করেছিলেন তার মধ্যে সর্ব প্রথমটি ছিল 'মীর জুমলা গেট'। সম্ভবত ঢাকা নগরীতে উত্তর দিকে থেকে মগদের আক্রমন প্রতিহত করার জন্য এই প্রবেশদ্বারটি নির্মান করা হয়েছিল! সেই পুরাতন তোরনের কোন অবশেষ এখন আর নেই।
এখন আমরা যে মীর জুমলা গেইট নামে যে গেইটা দেখি সেটার নির্মাতা ছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট Daws (কি নাম রে বাবা!! উচ্চারণ কি হবে?) ১৮২০ সালে। ১৯৬৫ সালের দিকে রাস্তা সম্প্রসারণ করার জন্য গেইটি কিছুটা স্থানান্তর করা হয়! এরপর ১৯৭৪ সালের দিকে একটা ট্রাক পথ ভুলে গেইটের উপর উঠে পরার কারণ গেটার কিছু ধ্বসে যায়, যে কারণে আবার একটা সংস্কার এবং কিছুটা স্থানান্তর করা হয়েছিল!


মীর জুমলা গেইট এখন!



মীর জুমলা গেইট তখন!

বাংলাপিডিয়া সহ অন্যান রেফারেন্স গ্রন্থে একে মুঘল স্থাপত্য হিসাবে উল্লেখ করা হলেও স্পস্টতই এই মুঘল তোরন স্থাপত্য শৈলীর সাথে এর কোন মিল নেই, মিল আছে কলোনিয়াল স্থাপত্যের সাথে!

বর্তমানে এটা 'ঢাকা গেইট' বা 'রমনা গেইট'নামে সুপরিচিত!


কিছু বলার নেই! মানুষ সচেতন না হলে শুধু আইন করে আর গার্ড দিয়ে কোনদিনই প্রত্ববস্তু সংরক্ষন করা সম্ভব নয়।


রোজ গার্ডেন:


বিশ শতকের শুরুর দিকে ঢাকার একজন বেশ নামকরা জমিদার ছিলেন হৃষিকেশ দাস! সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসছিলেন তিনি, তাই ঢাকার খানদানি পরিবার গুলো তাকে তেমন পাত্তা দিত না।কথিত আছে, একবার তিনি সে সময়ের ঢাকার বিখ্যাত জমিদার বলধা গার্ডেনের এক জলসায় গিয়েছিলেন! সেখানে সে কোনভাবে প্রচন্ড অপনমানিত হয়েছিলেন! এরই প্রেক্ষিতে তিনি বলধা গার্ডেনের চাইতে অনেক বেশি সুন্দর এমন এক বাগান বাড়ি বানাতে চাইলেন যাতে চারিদিকে আলোড়ন পরে যায়।
হৃষিকেশ রোডে (তখন এ নাম ছিল না) তখন তিনি ২২ বিঘা জমি কিনে সেখানে ১৯৩০ সালে প্রথমে বানালেন একটি গোলাপের বাগান, পরের বছর ১৯৩১ তৈরি করলেন কারিন্থিয়ান পিলারে ঘেরা এই সুরম্য প্রাসাদ স্থাপত্যটি।

রোজ গার্ডেন তখন

বাগানে ছিল গোলাপ ফুলের আধিক্য, নানা প্রজাতির গোলাপ ছিল সারা প্রাসাদ কমপ্লেকস জুড়ে! তাই এর নাম হলো 'রোজ গার্ডেন'!
এছাড়া বাগানে মার্বেল পাথরের মূর্তি, কৃত্রিম ফোয়ারা ইত্যাদিও ছিল, রোজ গার্ডেন হয়ে উঠেছিল তখন ঢাকার অন্যতম দর্শনীয় স্থান।
বাগানে এখনও বেশ কয়েকটি শ্বেত পাথরের মূর্তি আছে। বেশির ভাগ মূর্তিই বাড়ির ভেতরে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
আগে মূল বাড়ির সামনে সুদৃশ্য একটা বড় ঝর্ণা ছিল, যার ভগ্নাংশটি এখনও রয়ে গেছে। এখন বাড়ির ঠিক সামনেই একটা পুকুর আছে। ওপর পাশে বেশ কিছু তাল গাছের সারি।
তবে ভবনটি নির্মানের কিছুকাল পরেই হৃষিকেশ দাস দেউলিয়া হয়ে পরলে তিনি এই প্রাসাদ বিক্রি করে দেন বই ব্যাবসায়ী আবদুর রশিদের কাছে। তিনি এখানে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন প্রভিন্সিয়াল লাইব্রেরী।
এই রোজ গার্ডেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনারও সাক্ষি হয়ে আছে, ১৯৪৯ সালে এখানেই গঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ!


রোজ গার্ডেন এখন

কিছু কাল আগে এই বাড়িটা বেঙ্গল মোশন পিকচার লি: লিজ নিয়ে ছিল, সেই সময়েই এখানে অনেক নাটক আর বিশেষ করে সিনেমার শূট্যিং হয়েছে।
ঢাকার টিকাটুলির কে এম দাস রোডে অবস্থিত রোজ গার্ডেন সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া অন্য সব দিন দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকে।



আজকে এখানেই শেষ!
যারা আমি শুধু জটিল, রস কষ বিহীন পোস্ট লিখি ক্যানো শুধু বলে আভিযোগ করেছেন, তাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে পেশ করলাম!
এই সিরিজ শেষ হলেই একখান প্রেমের গল্প লিখবো আশা করি
:|

চলবে............



যে সব বই থেকে কপি-পেস্ট:

*প্রত্নতাত্বিক ঐতিহ্য (বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি)
*বাংলাপিডিয়া
*ঢাকা স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী :মুনতাসীর মামুন
*মাহবুবুর রহমান "City of an Architect"


সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:১৮
১০৭টি মন্তব্য ১০৬টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হাদীস সংগ্রাহক

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৭ শে মে, ২০২০ দুপুর ১২:২৬



হাদীস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন মুসলমানদের জন্য।
যদিও দুষ্টলোকজন হাদীসের ভুল ব্যাখ্যা করে থাকেন। তাতে সমাজে বিরুপ প্রভাব ফেলে। ইসলামকে আঁকড়ে ধরতে হয় মহাগ্রন্থ আল কুরআন এবং হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুড ওল্ড নাইন্টিজ

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ২৭ শে মে, ২০২০ বিকাল ৪:৪২



আমরা গল্প করছিলাম সাত্তার মিয়ার চায়ের দোকানে বসে। সাত্তার মিয়া জঘন্য চা বানায়। আমার বন্ধু সোবহানের মতে এই চা ঘোড়ার মুতের সমতূল্য। সাত্তার মিয়ার সামনেই এসব আলোচনা করা হয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাহায্যও নাকি আবার বেআইনী হয়? দুনিয়ার ম্যাঁওপ্যাঁও

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৭ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২২



আমি কুইন্স বরোর সীমানার সাথে লাগানো, লংআইল্যান্ডের একটা এলাকায় বেশ কিছু সময় চাকুরী করেছিলাম; এক সন্ধ্যায় বাসায় ফেরার পথে এক সাদা রমনীকে সাহায্য করে, ধন্যবাদের বদলে হুশিয়ারী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি নিয়ে আসলে রাজনীতি করেছে কারা, ছবির জন্য নামাজ পড়িয়েছে কারা

লিখেছেন গুরুভাঈ, ২৭ শে মে, ২০২০ রাত ৮:২৪



ছবি দেখুন। আমাদের যে ছবিটা দেখানোর জন্য এই নামাজের আয়োজন করা হয়েছে আমরা শুধু সেই ছবিটাই দেখেছি এবং অনেকে দ্বিদ্ধানিত আছি এই ভেবে যে হয়ত আসলেই শুকনা জায়গা ছিলোনা বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেমন কাটালাম এবারের ঈদ!

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৭ শে মে, ২০২০ রাত ৯:১৩

(পোস্টটা গতকালের লেখা)

গতকাল পবিত্র ঈদুল ফিতর গত হয়ে গেল! মনের মাঝে আনন্দ বিষাদের বিচিত্র সব অনুভূতি খেলা করে চলছিল সেই সকাল থেকেই। এবারের রোযার মাসটা আল্লাহতা’লার অশেষ রহমতে খুব ভাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×