ঘরে বসে জমানো অর্থ আরাম আয়েশে খরচ করে... ঘরে থাকুন স্ট্যাটাস দিয়েন না।
অনেকের চলার মতোন কোন উপার্জন নাই, অনেকে অভাবের কারনে দিশেহারা। আপনাদের ঘরে বসে থাকুন পোস্ট দিয়ে তাদের কিছু যায় আসে না। আগের দিনগুলোতে কম টেস্ট হয়েছে, তাই কম আক্রান্ত ধরা পড়েছে। এখন টেস্টের পরিমান বেড়েছে, তাই আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় হা পিত্যেশ করে লাভ নাই কোন।
যেটা এখন বেশি দরকার... সেটা হলো প্রতিদিন কমপক্ষে ৫০ হাজার টেস্ট করা ও করোনা সম্পর্কে আরও গনসচেতনতা তৈরি করা। দেশের অর্থনীতি ভেঙ্গে পড়েছে... দেশের লোকজন করোনার থেকে বেশি কষ্টে আছে, না খেতে পেয়ে।
করোনার কারনে প্রতিদিন যত লোক নিহত হয়... তার থেকে বেশি লোক নিহত হয় সড়ক দুর্ঘটনায়। ১৮ কোটি মানুষের দেশ। অনেক অনেক মানুষের জীবন চলে দিন এসে দিন খাওয়ার মাধ্যমে। তাদেরকে সচেতন করতে হবে।
পৃথিবীর বহুদেশ লকডাউন তুলে দিয়েছে। আমাদের দেশের অর্থনীতি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আগেই সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। সীমিত আকারে হোক, আর বৃহৎ আকারেই হোক... যেভাবে যেটাই খুলে দেয়া হোক না কেন... জনগনকে আরো সচেতন হতে হবে। আর এক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ ভুমিকা রাখতে পারে সরকার ও সচেতন জনগন।
করোনার কারনে দেশ যে কয় বছর পিছিয়ে গেলো... সেটা হয়তো খুব শীঘ্রই কিছুটা হলেও বুঝা যাবে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য অর্থনীতির চাকা সচল করা ছাড়া আর কোন বিকল্প উপায় দেখছি না। এজন্য দরকার দূরদর্শী পরিকল্পনা, কার্যকরী ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মে, ২০২০ ভোর ৪:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


