মানুষ যখন গরিব থাকে, ক্ষিদে থাকে মানুষের ..অশিক্ষা থাকে, তখন মানুষ বুঝে না বুঝে অনেক কর্ম করে, চুরি করে, লোভ করে, চাটুরতা করে, ছিনতাই করে, আরো কিছু বদ অভ্যাস তো থেকে ই যায় এদের। গরিব দেশ গুলোর বদঅভ্যাস এবং এর কারন একরকম।
ধনী দেশগুলোর বদঅভ্যাস কারন গুলো অন্য আরেক রকম। ধনী রা যেমন নিজের সন্তানকে গরিবের সন্তানের সাথে মিশতে দেয়না অভ্যাস শিখে ফেলবে বলে, ধনী দেশ গুলো তাদের নাগরিকদের মিশতে দেয়না বদঅভ্যাস শিখে ফেলবে বলে। আমাদের উপমাহদেশীয় বদঅভ্যাস গুলো ওদের কাছে অনেক হাস্যকর।

আর আমরা গরিব দেশ গুলো ওদের কাছে গিয়ে নিজেদের ইমেজ নষ্ট কম করেনি।
আমাদের দেশের কিছু মানুষ এখনো নিজের ভাল বিহেব- ম্যানার - নিজেদের ব্রান্ডিং নিয়ে সচেতন না। নিজেদের স্বার্থ ছাড়া আমরা কিছুই বুঝি না। নিয়ইয়র্ক, ইস্ট লন্ডন কে আমরা আমাদের মত বানিয়ে ফেলছি। ... যেখানে বাঙালী কলোনী সেখানে চোখ অন্ধ করে গেলেও নিশ্বাসে বুঝা যায়.. এখানে কিছু উদ্ভট লোক বাস করে, সেটা অন্যপৃথিবী থেকে আলাদা, উদ্ভট।
সুইডেন বা ধনীদেশ গুলো নিজেদের ভদ্র লোক বানিয়ে রেখেছে, সরাসরি বলে না তোমরা খারাপ, এটা তাদের ভদ্রয়তায় বা তাদের ম্যানারে আসে না। তাই নিজেরা নিজেদের বাচাতে আইন করে। নিজেদের সভ্যতা টিকিয়ে নিতে আইন করে, মাইগ্রেশন আইন।
তারা মনে করে তা না হলে ওদের অক্সিজেন ঢাকা, দিল্লির, করাচির মত দুষিত হওয়া শুধু মাত্র ১ বছরেই পসিবল। ওদের ডাস্টবিন গুলো অন্তত আগামী ১০ টি বছর সুখে থাকুক,.......... ১০ বছর পর না হয় পরিস্থিতি দেখে নতুন আইন করা যাবে।
তারপর ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি তো আছেই।
এখন সমস্যা হলো... যারা নবীন, যারা শিক্ষিত মার্জিত শ্রেনীর গরিব দেশের নাগরিক তাদের। তারা প্রমান ও করতে পারছে না তারা কেমন। গরিব দেশেও অক্সিজেন ক্লিন রাখার জন্য ওখানেই আন্দোলন হয়। নতুন ভাবে সভ্যতা গড়ার জন্য কাজ করে এখানকার নবীন প্রজন্ম। বাকি পৃথিবীকে দেখাতে চায়... তোমরা যা ভাবছ, আমরা তেমন নই।
কিন্তু কি আর করা, নিজেদের কলঙ্ক গুলো মুছে ফেলার দায়িত্ব এখন যে তাদেরই কাধে এবং প্রোব করতে হবে গরীব দেশের প্রতিনিধী হয়ে তাদেরই। এখানেই ভবিশৎ এ জাতির ।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



