somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

টাঙ্গুয়ার হাওড়ে অতিথি পাখিদের সনে - ৩ ( শেষ পর্ব )

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


অতিথী পাখিদের ভালোভাবে কখনোই পর্যবেক্ষণ করা হয়ে উঠেনি আমার । পাখি দেখবো দেখবো করতে করতে শীত চলে যায়, আর পাখিরা ফিরে যায় সাইবেরিয়া, আমারও আর ভিসা জোগার করে সাইবেরিয়া যাওয়া হয়ে উঠে না । গত বছর জাহাঙ্গীর নগরে গিয়েছিলাম পাখি দেখার জন্য কিন্তু ওখানে ছাত্রদের গোলাগুলির কারণে পাখিরা চলে গিয়েছিল । এই বছর জাহাঙ্গীর নগরে পাখিরা এসেছে কিনা জানিনা, আর তাই ছ্যাকা খাওয়ার ভয়ে ওখানে যাইনি সরাসরি চলে গিয়েছিলাম সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওড়ে, সেই ভ্রমনের কিছু বর্ণনা ছবি সহ পর্যায়ক্রমে দেওয়ার ইচ্ছে রাখি । আগের পর্ব দেখুন Click This Link


বড়ছড়া স্থলবন্দর পার হয়ে এমন সব রাস্তা পারি দিতে হবে




এক সময় পৌছে গেলাম শ্রীপুর বাজারে, এই ঘাট থেকেই একঘন্টার মতো ট্রলারে যেতে হয় টাঙ্গুয়ার হাওড় ।


নদী থেকে তোলা টাটকা মাছ ।




দুই পাইলট, বাম পাশেরটা আমাদের মোটর সাইকেলের পাইলট আর ডান পাশের জন ট্রলারের ।


নদীর পাড়ে গরুর পাল ।


মাছ ধরছে স্থানীয় কিছু জেলে ।


যেদিকে তাকানো যায় এমন চোখ ধাঁধাঁনো সৌন্দর্য্য !




এক সময় অতিথী পাখিদের ওড়ে যাওয়া আমাদের চোখে পড়লো, তার মানে আমরা ওদের খুবই কাছে চলে এসেছি ।


রৌদ্রোজ্জল আবহাওয়ায় এমন স্বচ্ছ পানির নীচে অসংখ্য মাছ চোখে পড়ছিল, মনে হচ্ছিল যেন ঘরে রাখা এ্যকুরিয়ামে মাছ দেখছি, অবশ্য মাছ থাকবেই না কেন ? এই মাছের লোভেই তো সাইবেরিয়া থেকে অতিথী পাখিরা এখানে এসে আশ্রয় নেয় ।






এক সময় আমরা পাখিদের অবস্থানের মূল পয়েন্টে চলে আসি, এতো বেশী পাখি আমি আগে কেবল ছবিতেই দেখেছি । পানিতে পাখিরা এমনভাবে বসে থাকে যে, ওখানে পানি আছে কিনা বুঝা যায় না । তবে আমার আফসোস, ভালো জুম ক্যামেরার অভাবে ওদের ভালো কোন ছবি আমি উঠাইতে পারিনি । আমাদের ট্রলার ওদের দিকে এগিয়ে গেলে ওরাও পর্যায়ক্রমে দূরে সরে যায় ।







ভবিষ্যতে আবার গেলে অবশ্যই ভালো ক্যামেরার ছবি আপনারা দেখতে পাবেন :D


[img|]
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্লগার নিমো'র আসল নাম নিমচাঁদ না?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



সামুর আগের মডূ জাদীদ ভাই আমাকে একবার বলেছিলেন ব্লগার নিমো'র আসল নাম নিমচাঁদ, তাঁর খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তারা মাঝে মাঝে পদ্মার পাড়ে ইলিশ খেতে যান। আর, গরুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাসালসুল (অনন্ত পশ্চাদগমন), প্রথম সৃষ্টি ও ‘আকল’: কুরআন-সুন্নাহর আলোকে একটি সতর্ক অনুসন্ধান

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৩৭


ভূমিকা
সৃষ্টিজগতের অস্তিত্ব নিয়ে মানুষের অন্যতম প্রাচীন প্রশ্ন হলো,সবকিছুর শুরু কোথায়? যদি প্রতিটি সৃষ্ট বস্তুর অস্তিত্বের জন্য তার আগে আরেকটি সৃষ্ট বস্তুর প্রয়োজন হয়, এবং সেই নির্ভরতার ধারা কখনো শেষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরিয়ম খাতুন জীবন থেকে ছুটি নিয়েছে

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৮



মরিয়ম খাতুন। মাত্র ১৯ বছরের একটি মেয়ে। ৭৫ বছরের বুইড়া পাঁঠা গাজী নজরুলের লালসার শিকার হয়ে জীবন থেকে ছুটি নিয়েছে। শুধুমাত্র একটি ছোটখাটো চাকুরী সুপারিশের জন্য গিয়েছিল। তখনই ১৯... ...বাকিটুকু পড়ুন

⌛️ সক্রেটিসের আত্মানুসন্ধান

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৫



প্রাচীন গ্রিক দর্শনের মহান পুরুষ সক্রেটিসের আত্মানুসন্ধান বা "নিজেকে জানো" তত্ত্বটি মানুষের ভেতরের ঘৃণা, গোঁড়ামি এবং অজ্ঞানতা দূর করার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। সক্রেটিসের মতে, মানুষের সমস্ত নৈতিক স্খলন ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লো, পকেট খালি হলো সাধারণ মানুষের!

লিখেছেন ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা, ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৩


জীবনটা আজকাল বড় অদ্ভুত নিয়মে চলছে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় এক রকম থাকে, আর সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি দুনিয়াটা সম্পূর্ণ বদলে গেছে। গতকাল রাত বারোটা এক মিনিট থেকে জ্বালানি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×