somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মালয়েশিয়ার পাথরের গুহা

২৫ শে আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৮:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


চুনা পাথরের এ পাহাড় নাকি ৪০ কোটি বছরের পুরোনো। এর গুহাগুলোর বয়স ও নিশ্চয়ই তার কাছাকাছিই হওয়ার কথা। তেমন একটা গুহা দেখতে গেলে রোমাঞ্চিত হওয়াটাই স্বাভাবিক। মালয়েশিয়ার বাটু কেভের কথাই বলছি আমি। মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের বিখ্যাত পেট্রোনাস টুইনটাওয়ার থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। বাটু কেভ নাম করন করা হয়েছে বাটু নদীর নামানুসারে।

গুহার মুখে তামিল হিন্দুদের যুদ্ধ দেবতা মুরুগানের উপস্থিতি যেন অন্য রকম এক আকর্ষণ। গুহামুখের এই দেবতা উচ্চতায় এটি একশত চল্লিশ ফুট। মুরগানের পাশ দিয়ে উঠে গেছে চওড়া সিঁড়ি। ২৭২ ধাপের সেই সিঁড়ি গিয়ে ঠেকেছে অনেক উপরে পাহাড়ের গুহা মুখের ল্যান্ডিয়ে, ওখান থেকে আবার সিড়ি বেয়ে নেমে যেতে হয় গুহা চত্বরে। মরুগানের মন্দির ছাড়াও পাহাড়ের পেটের ভেতর আরো দুটি গুহামন্দির রয়েছে। ঢুকার মুখে মুল ল্যান্ডিয়ের বাম পাশে রয়েছে আরো একটি গুহা ওটার নাম ডার্ক কেভ বা অন্ধকার গুহা। ওখানে আপাতত ঢোকার অনুমতি নাই। তো কি হয়েছে আসুন ঢুকে পড়ি বাটু কেভে।


(২) বাটু পাহাড়, এর ভেতরেই অবস্থান বাটু কেভের।


(৩) বাটু কেভের মূল ফটক (গাড়ি থেকে তোলা বলে পরিস্কার নয়)।


(৪) ২৭২ ধাপের সেই সিঁড়ি ভেঙ্গেই উঠতে হয় গুহায়।


(৫) একাধারে এতোগুলো সিঁড়ি ভেঙ্গে উঠা বেশ কঠিন, তাই জিড়িয়ে নেওয়ার ফাঁকে নিজের কিছু স্মৃতি ও ধরে রাখা।


(৬) ২৭২ ধাপের সিঁড়ি এখানে এসে গুহা মুখে ঠেকেছে।


(৭) গুহা মুখ থেকে ভেতরের দিকে এমন আরো কিছু সিঁড়ি বেয়ে নেমে যেতে হয় মুল চত্বরে।


(৮) গুহার উপরের ছাদ বেয়ে চুইয়ে চুইয়ে পড়ছে অবরত ফোটা ফোটা পানি, যার কারণে সব সময় চত্বরের মেঝে ভেজা থাকে।


(৯/১০) এর ভেতর রয়েছে বেশ কয়েকটা ছোট ছোট মন্দির, এছাড়াও গুহার চতুর্দিকেই ছড়ানো ছিটানো রয়েছে নানা দেব দেবির মুর্তি। সাথে গাইড না থাকায় কোন কি মন্দির সব জানা সম্ভব হয়নি।




(১১) মূল গুহার ভেতরে বিভিন্ন ফাঁক ফোকর দিয়া ক্ষীন আলো পরবেশ করলেও সেই আলোতে গুহার ভেতরটা আলোকিত হয় না, তাই ওখানে ইলেক্ট্রিসিটির ব্যবস্থা রয়েছে।


(১২) পাশের অপেক্ষাকৃত ছোট গুহার ছাদে এমন ফোকর রয়েছে যা দিয়ে আলো আসছে এবং পাহাড়ের উপরের গাছপালা দেখা যাচ্ছে।


(১৩/১৪) গুহার ভতেরে কিছু ছবি।




(১৫) গুহার ভেতরের লাইমষ্টোন শিল্প।


(১৬) যুদ্ধ দেবতা মুরুগানের পিছন থেকে তোলা ছবি।


(১৭) গুহার ভেতরে বসবাস করা কবুতরগুলো মানুষের হাত থেকেও খাবার খায়।


(১৮) গুহাতে বসবাস করা বানরগুলোর ও খাদ্য সংকট রয়েছে, তাই ওরা নিয়মিত মানুষের কাছে হাত পাতে।


(১৯) ওই এলাকার প্রায় পুরোটা জুড়েই রয়েছে অনেকগুলো মন্দির।


(২০) ফিরে আসার সময় স্যুভেনিরের দোকান থেকে ইচ্ছে করলে মুরুগানকে সাথে করে নিয়েও আসতে পারেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৮:৫৪
৩৬টি মন্তব্য ৩৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

‘সবচেয়ে কঠিন’

লিখেছেন আবু সিদ, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:১৫


আমি সাদ। আমার বয়স ১৭ বছর। আমি ক্লাস টেনের ছাত্র। আমার ক্লাসের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর বয়স ১৫ বা তার আশপাশে। আমারও ১৫ বছর বয়সে ক্লাস টেনে থাকার কথা ছিল। কিন্তু আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মঞ্চে রাজনৈতিক বিভাজন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:২৪



উদীচী পুড়ার সময় কি হারমোনিয়াম, তবলা, একতারা, দোতারা, সেতার কিংবা বাঁশি পুড়েনি?, মনে রাখবেন তখন আগুন শুধু কিছু বাদ্যযন্ত্র পোড়ায়নি, -পুড়েছিল এই বাংলার সংস্কৃতির, এই বাংলার শত কোটি মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

'মেটিকুলাসলি ডিজাইন' করে সিলেটকে অশান্ত করে তোলার অর্থ কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:১৫

সিলেটে এন,সি,পি সাংগঠনিক ভাবে দূর্বল।
দলের ভিতরে কোন্দল মারাত্মক তা ফেসবুকে দলীয় নেতা কর্মীদের পোস্ট দেখে বুঝা যায়।
অথচ, সামনে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন।
এই পরিস্থিতিতে, দলের মানুষদের 'গরম' করে তোলার একটাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বাক্ষী থেকো বাংলাদেশ, স্বাক্ষী থেকো ১৮ কোটি মানুষ।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২৮

স্বাক্ষী থেকো বাংলাদেশ, স্বাক্ষী থেকো ১৮ কোটি মানুষ।
================================
ইতিহাস কখনো মুছে যায় না। যে জাতি তার মানুষের কান্না, আর্তনাদ ও ন্যায়বিচারের দাবি ভুলে যায়, সে জাতির ভবিষ্যৎও প্রশ্নের মুখে পড়ে।
আজ এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আবার সমস্যা, ব্লগ আমাকে কেন ভোগাচ্ছে?

লিখেছেন মেহবুবা, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩

আবার সমস্যা ব্লগ ঠিকমত দেখা যায় না। কিছুদিন আগে এমনটি হয়েছিল। ব্লগার সুলাইমান সহজ করে সমাধান বের করে দিয়েছিল। এবার একই সমস্যা হচ্ছে তবে সেই একই উপায়ে কাজ হচ্ছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×