শনিবার। সোহাগের আজও ছুটির দিন। নাবিলা বলছিল, '' চল ঘুরে আসি কোথাও হতে,'' কিন্তু সোহাগের মন সায় দিলনা, গতরাতেই দাওয়াত খেয়ে আসল। অপিষ কলিগ রাসেল সাহেব এর প্রথম বিবাহ বার্ষিকী হিসেবে একটা ছোট ঘরোয়া আয়োজন করেছিল। রাতে ফিরে এসেই ঘুম দিয়েছিল কিন্তু মাঝে মাঝে একটু ব্যাঘাত হয়েছিল সেই ঘুমের, পেটের মাঝে থেকে থেকে গুড়ুম গাড়ুম শব্দে বেশ কবার ঘুমের বিঘ্নতা সৃষ্টি হয়েছিল। তায় আজ কোথাও যাবার জন্য মন সায় দিলনা।
সময় পেলে সামু ব্লগে ঢু মারে সোহাগ। এখন আর নিয়মিত লেখা বা পড়া কোনটায় হয়না। আজ ভাবল অণুগল্প লেখা যাক। ড্রাফ্ট বক্সে একটা জমা আছে অনেকদিন যাবৎ। শেষের অশংটা আর শেষ করা হয়নি বলে পোষ্ট করা গেলনা। ভাবল আজ সেই কাজটা সেরে ফেলবে।
অণুগল্পটা শেষ করে আর একবার পড়ে নিল সোহাগ।
না এটাকে অণুগল্প বলা চলেনা, বড়জোর গল্প বলা চলে। অণুগল্পের ধরণটা একটু অন্যরকম। তাই নানান কসরত করছিল কি করে এটাকে অণুগল্প বানানো যায়।
গল্প শেষে একটা মোচড়ানি দিতে পারলে হয়ে যেতো, কিন্তু মাথায় আসছেনা সেটা কি করে দেবে।
অবশেষে মোচড়টা যখন আসল, কিবোর্ড মাউস ফেলে দৌঁড়। দরজার হুকটা লাগানোর সময় পেলনা আর।
নাবিলা কাপড় ভিজেয়ে রেখেছিল হুইল পাউডার দিয়ে, রোদের তেজ থাকতেই ছাদে শোকাতে দিতে হবে। বাথরুমে পা পড়ার আগেই চোখ চড়াক গাছ, হাসতে হাসতে দরজাটা বাহির থেকেই আঁটকে দিল।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



