স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়া । প্রথমে 8ম রেজিমেন্টের অধিনায়ককে গ্রেফতারের পর প্রায় 200 সৈনিকের সামনে । পরে 26 তারিখে কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে নিজেকে প্রভিশনাল হেড ঘোষনা করে । আরো পরে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে কিন্তু নিজ কণ্ঠে যা বারবার .... তারিখ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র ধ্বংস করে দেয়ার আগ পর্যন্ত চলতে থাকে । আওয়ামীলীগের মেজর রফিকুল ইসলাম 96 সালে নিজে টি এস সি তে আলোচনা সভায় স্বীকার করেছেন । শুধু তাই নয় তার নিজের ঘোষনা অনেকেই নিজ কানে শুনেছেন ।
মনে রাখতে হবে যুদ্ধের ময়দান আর রাজনীতির ময়দান এক কথা নয় । হানাদাদের আক্রমনে যখন আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা সংগত কারনেই পলাতক তখন একজন মেজরের ঘোষনা দিশেহারা জাতি কে দিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন । তবে এটাও মনে রাখতে হবে শেখ মুজিব চেয়েছিলেন কিনা সেটা বড় কথা নয় বাংগালরি জন্য আন্দোলনের ফলে বাংগালী জাতি স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত ছিলেন । যেমন শেখ হাসিনা চান বা না চান সন্ত্রাস আর দুর্নিতির জন্য নিরপেক্ষ ভাবে বর্তমান সেনাবাহিনী আওমীলীগের নেতাদের কেও গ্রেফতার করছেন । আর এটা জনগন প্রায় শতভাগ সমর্থন করছে । আর সেনা বাহনীর হাত যে সময়ে সময়ে কত বেশী শক্তিশালী এবং ভয়ংকর তা বর্তমানে খালেদা -হাসিনা-তারেক-মেয়র মহিউদ্দিন হাড়েহাড়ে টের পাচ্ছেন ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


