জনৈক জার্মান : হুইচ ক্রান্টি ইউ আর ফ্রম ? আর ইউ এ স্টুডেন্ট ?
বন্ধু : জ্বী আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি ইন্জ্ঞিনিয়ারিং বিষয়ের উপর পড়ছি মুনচে বিশ্ববিদ্যালয়ে ।
জনৈক জার্মান : ওয়াও গুড । বেস্ট অফ লাক । তবে তোমার দেশ ভাল নয় । এতকিছুর পরও তুমি এখানে এসেছ ।
বন্ধু : আমার দেশ ভাল নয় কেন ?
জনৈক জার্মান : তুমি জানো না ? তোমার দেশে শ্রমিকদের কাজ করিয়ে বেতন দিতে চায় না মালিকরা । ভবন ধ্বসে শ্রমিকরা মারা পড়ে । মানুষকে মেরে ফেলে দেওয়া হচ্ছে যত্রতত্র । ধর্ষন করে মেরে ফেলছে তদন্ত করলে বেরিয়ে আসে তাকে জ্বিনে মেরে ফেলেছে ।
পত্রিকা খুললেই খুন-গুম-হত্যা । তোমার দেশে সাধারন মানুষের জীবনের মূল্যের চেয়ে আমার দেশের পোষা জন্তুর জীবন বেশী নিরাপদ । আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতেই খুন হয় মানুষ । অথচ আমাদের পুলিশ মাতালকে ওয়ালেট বের করে বাসার ঠিকানা খুঁজে তাকে গন্তব্যে পৌঁছে দেয় ।
বন্ধু : কিভাবে ?
জনৈক জার্মান : কিভাবে মানে । তুমি জানো, আমার দেশে পোষা প্রানীকে তুমি লাথি মারলে তোমার ৩ বছরের জেল হবে । আর তোমাদের স্বাধীন একটা দেশে মানুষ মরে যাচ্ছে নির্বিচারে । বিচার-এ হয় না । তোমরা কেন এমন সরকার নির্বাচিত করছ যেখানে মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারো না ।
বন্ধু : আসলে যতই সাধারন মানুষের কথা বলা হোক ক্ষেত্র বিশেষে দলীয় প্রধানরাই সবকিছু নীতিনির্দারন করে ফেলেন ।
জনৈক জার্মান : মিডিয়া বা প্রেস কি ভূমিকা পালন করছে ?
বন্ধু : মিডিয়া তো দলীয়করন হয়ে গেছে । শিল্পপতিরা মিডিয়া কর্মীদের হাতে গল্প ধরিয়ে দিয়েছেন । তারা সেই ঠাঁকুরমার ঝুলির গল্প আমাদের শোনাচ্ছেন । তারা যা বলাচ্ছেন তাহাই বলছেন । আবার এদের মাঝে কেউ কেউ সাগর-রুনী হয়ে মাথা নাড়া দিয়ে উঠে । বিনিময়ে বেডরুমে ক্ষতবিক্ষত লাশ হতে হয় । তবে ইনিটারেস্টিং বেপার সেখানে তাদের সহকর্মীরা চুপ । না জানি চাকুরী চলে যায় । হলুদে সয়লাব ।
জার্মান : তাহলে সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশ বলাটা ভুল হবে না ।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


