আসলে অভ্যাসের দোষ। টস শেষ হইতে হইতে দুই তিন উইকেট পইড়া যাইত। মিস্টার ফিফটি হাবিবুল বাশার আরেকটা ফিফটি উপহার দিয়ে সেই শর্ট বলে পুল করতে যেয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যেত। টেনেটুনে ১৮০ এর ঘরে যেত। রোজ রোজ একবার করে বাংলাদেশের খেলা আর দেখবই না শপথ করা হত।
এখনো তাই দল দুইশ রান করলে বুকে ফু টু দেই। এখনো ব্যাটিং শুরু হলে আমাদের হাটূ তামিমের চাইতে বেশি কাপে। আসলে অনেক হার দেখে আসছি তো, এইসব সিরিজ জয় আসলে তাই আনন্দ টা প্রকাশ করতে পারিনা। বাকরুদ্ধ হয়ে যাই। চিন্তা করি এটা আসলে কি হল।
কিন্তু আজকের লিডারশিপ এই জেনারেশনের হাতে
এরা জন্মে টাইগারদের জিততে দেখেছে। সাব্বির সৌম্যরা এদেরই প্রতিনিধি। কলার উঠাইয়া যারা নিজের দামটা বুঝাইয়া দেয়। হাসতে হাসতে যে জেনারেশনের তাসকিন ১৪০ এ পিচ পারফেক্ট লাইন লেংথে বল ফেলে।
এদের কাছে বাংলাওয়াশ সো নরমাল। পাকিস্তান! হু কেয়ারস। ইন্ডিয়া মোড়ল, আমরা কি ভাইসা আসছি নাকি।
ডাউন দা উইকেটে আইসা সাব্বির ছয় মারে। আবার পরের বল খেলতে চলে যায়। একটা ছক্কাই তো। এমন কি। প্রতিপক্ষ পাকিস্তান, তো, পেস বোলারদের হেভেন বলা যে দেশ কে সে দেশের ব্যাটসম্যানদেরই বাউন্সারে বুকে কাপন ধরায় আজকের তাসকিনরা।
আগামীর বাংলাদেশ সাব্বির সৌম্য তাসকিন নাসিরদের হাতে। আগামীর বাংলাদেশ আজকের টাইগার ফ্যানদের হাতে।
এরা ঘারত্যাড়া। গুণে গুণে ৭১ টা বল হাতে রেখে পুরোন শত্রুকে মনে না করতে চাওয়া ইতিহাস স্বরণ করিয়ে দেয়।
এই ছেলেমেয়েগুলোর সংবিধানে হার নামক কোন শব্দ নেই। এরা চুরমার করে এগিয়ে যায়। চুইংগাম চাবায় পৃথিবী কাপায়।
তখন মনে পড়ে চৌধুরী জাফর উল্লাহ শরাফত বলেছিল,
শাবাস বাংলাদেশ। শাবাস বাংলাদেশ। তোরা সব জয়ধ্বনি কর। শাবাস বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশই একদিন বিশ্বকাপ জিতবে। আমি বললাম তোমরা লিখে রাখ। আমি হয়ত সেইদিন থাকব না। কিন্তু এই বাংলাদেশ একদিন পৃথিবী কাপাবেই। শাবাস বাংলাদেশ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


