somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটা প্রশ্ন ছিল যে আপনার কাছে ???

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গতকাল দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার কান্তজির মন্দির প্রাঙ্গণে প্রতি বছর ন্যায় জমে ওঠে রাসমেলার উৎসব।বাঙালি হিন্দুদের বার মাসে তের পার্বণের একটি হলো রাস উৎসব।হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অবতার শ্রীকৃষ্ণ শত বছর আগের কার্ত্তিক-অগ্রহায়ণের শুক্লপক্ষের কোনো এক ভরা পূর্ণিমা তিথিতে পাপমোচন এবং পুণ্যলাভে গঙ্গাস্নানের স্বপ্নাদেশ পান। সেই থেকে শুরু হয় রাস মেলার। অন্য একটি মতে , শারদীয় দুর্গোৎসবের পর পূর্ণিমার রাতে বৃন্দাবনবাসী গোপীদের সঙ্গে রাসনৃত্যে মেতেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। এ উপলক্ষ্যেই পালিত হয়ে আসছে রাস উৎসব।।ইহা একটি ধর্মীয় উৎসব।আমাদের সংবিধান তা নিবিঘ্নে পালন করার গ্যারান্টি দেয়।কিন্তু,গতকাল কান্তজির মন্দির প্রাঙ্গণে জমে ওঠা রাসমেলার যাত্রা প্যান্ডেলে বোমা হামলা হয়েছে। বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন ১০ জন।
ধর্ম পালনের অধিকার রাষ্ট্র সকল কে সমান ভাবে দিয়ে থাকলে হয়ত রাষ্ট্রীয় প্রশাসন গতকাল এই ঘটনা ঘটতে দিত না ।কারণ , ইহার ব্যাপ্তি খুব অল্প পরিসরে ছিল ।যার নিরাপত্তা খুব সহজে দেয়া যেত ।কিন্তু তা হয়নি ।হয়ত কেউ মারা না যাওয়ায় মিডিয়া এইটা নিয়া নাড়াচাড়া করবে না ।কিন্তু একটা প্রশ্ন ,আমরা কতটুকু নিরাপদ ।কোন ঈদের মাঠে কিংবা দূর্গা পূজায় এই ঘটনা তো ঘটল না ।কারণ , এইটা তে প্রচার বেশি ।সরকারের ইমেজ নষ্ট হবে তাই কঠোর নিরাপত্তা ।তিনি শিয়া তাই তাহার ধর্ম উপসনালয়ে গিয়ে তাদের ইমাম কে হত্যা করা হল ।কেউ কিছু করল না তাদের রক্ষায়।তারা কি রাষ্ট্রকে ভ্যাট দেয় না তাদের নিরাপত্তার জন্য ।রাষ্ট্র কেন আমার একজন নিরাপরাধ ভাইয়ের নিরাপত্তা দিতে পারে না ।১৯৪৫ সালে পোর্ট হারবারে জাপান কতৃক আক্রান্ত হওয়ার পর আমেরিকা ২য় বিশ্বযুদ্ধে সরাসরি আংশগ্রহণ করে ।এই নিয়ে , নিউইয়ার্ক ময়দানে ভাষণ কালে বলেছিলেন তার বিখ্যাত উক্তি ,স্বাধীন রাষ্ট্রের নাগরিকের ৪ অধিকার থাকবে -১.বাক স্বাধীনতা
২.জীবনের নিরাপত্তা
৩.শিক্ষার অধিকার
৪.খাদ্যর নিশ্চয়তা
আমি স্বাধীন রাষ্ট্রের নাগরিক হিসাবে কি প্রথম দুইটা আধিকার সব সময় পাই ।কেউ যদি বলে আরে বেঁচে আছেন কেমন করে তাহলে,উত্তরে শুধু বলব আপনার পূর্বপুরুষ যেমন করে বেঁচে ছিল।আজ আমি আপনি আমরা সকলে জিম্মি ধর্ম আর চেতনা ব্যবসায়ীর কাছে ।আমি আহমেদ ছফা,হুমায়ূন আজাদ,রফিক আজাদদের অনুসারী ,চেতনার না , না কোন ভন্ড ধার্মিকের পথে।শেষে বলব শুধু ,আমার অধিকার ফিরিয়ে দে ,নইলে তোর গণতন্ত্রের বয়ান চিবিয়ে খাব ।গটদিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার কান্তজির মন্দির প্রাঙ্গণে প্রতি বছর জমে ওঠে রাসমেলার উৎসব।বাঙালি হিন্দুদের বার মাসে তের পার্বণের একটি হলো রাস উৎসব।হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অবতার শ্রীকৃষ্ণ শত বছর আগের কার্ত্তিক-অগ্রহায়ণের শুক্লপক্ষের কোনো এক ভরা পূর্ণিমা তিথিতে পাপমোচন এবং পুণ্যলাভে গঙ্গাস্নানের স্বপ্নাদেশ পান। সেই থেকে শুরু হয় রাস মেলার। অন্য একটি মতে , শারদীয় দুর্গোৎসবের পর পূর্ণিমার রাতে বৃন্দাবনবাসী গোপীদের সঙ্গে রাসনৃত্যে মেতেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। এ উপলক্ষ্যেই পালিত হয়ে আসছে রাস উৎসব।।ইহা একটি ধর্মীয় উৎসব।আমাদের সংবিধান তা নিবিঘ্নে পালন করার গ্যারান্টি দেয়।কিন্তু,গতকাল কান্তজির মন্দির প্রাঙ্গণে জমে ওঠা রাসমেলার যাত্রা প্যান্ডেলে বোমা হামলা হয়েছে। বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন ১০ জন।
ধর্ম পালনের অধিকার রাষ্ট্র সকল কে সমান ভাবে দিয়ে থাকলে হয়ত রাষ্ট্রীয় প্রশাসন গতকাল এই ঘটনা ঘটতে দিত না ।কারণ , ইহার ব্যাপ্তি খুব অল্প পরিসরে ছিল ।যার নিরাপত্তা খুব সহজে দেয়া যেত ।কিন্তু তা হয়নি ।হয়ত কেউ মারা না যাওয়ায় মিডিয়া এইটা নিয়া নাড়াচাড়া করবে না ।কিন্তু একটা প্রশ্ন ,আমরা কতটুকু নিরাপদ ।কোন ঈদের মাঠে কিংবা দূর্গা পূজায় এই ঘটনা তো ঘটল না ।কারণ , এইটা তে প্রচার বেশি ।সরকারের ইমেজ নষ্ট হবে তাই কঠোর নিরাপত্তা ।তিনি শিয়া তাই তাহার ধর্ম উপসনালয়ে গিয়ে তাদের ইমাম কে হত্যা করা হল ।কেউ কিছু করল না তাদের রক্ষায়।তারা কি রাষ্ট্রকে ভ্যাট দেয় না তাদের নিরাপত্তার জন্য ।রাষ্ট্র কেন আমার একজন নিরাপরাধ ভাইয়ের নিরাপত্তা দিতে পারে না ।১৯৪৫ সালে পোর্ট হারবারে জাপান কতৃক আক্রান্ত হওয়ার পর আমেরিকা ২য় বিশ্বযুদ্ধে সরাসরি আংশগ্রহণ করে ।এই নিয়ে , নিউইয়ার্ক ময়দানে ভাষণ কালে বলেছিলেন তার বিখ্যাত উক্তি ,স্বাধীন রাষ্ট্রের নাগরিকের ৪ অধিকার থাকবে -১.বাক স্বাধীনতা
২.জীবনের নিরাপত্তা
৩.শিক্ষার অধিকার
৪.খাদ্যর নিশ্চয়তা
আমি স্বাধীন রাষ্ট্রের নাগরিক হিসাবে কি প্রথম দুইটা আধিকার সব সময় পাই ।কেউ যদি বলে আরে বেঁচে আছেন কেমন করে তাহলে,উত্তরে শুধু বলব আপনার পূর্বপুরুষ যেমন করে বেঁচে ছিল।আজ আমি আপনি আমরা সকলে জিম্মি ধর্ম আর চেতনা ব্যবসায়ীর কাছে ।আমি আহমেদ ছফা,হুমায়ূন আজাদ,রফিক আজাদদের অনুসারী ,চেতনার না , না কোন ভন্ড ধার্মিকের পথে।শেষে বলব শুধু ,আমার অধিকার ফিরিয়ে দে ,নইলে তোর গণতন্ত্রের বয়ান চিবিয়ে খাব ।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:০৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ১৮৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৫০



গতকাল হঠাত খুব গরম পড়লো।
ঢাকার মানুষ ঘেমে অস্থির। আমি নিজে অনুভব করলাম, চামড়া যেন পুড়ে যাচ্ছে। সকাল গেলো, দুপুর গিয়ে সন্ধ্যা এলো কিন্তু গরম কমে না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসরাইলী সৈন্যদের কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনী পাড়ি দিয়ে ফিলিস্তিনের হেবরনে নবী ইব্রাহিম আঃ এর রওজা জিয়ারত

লিখেছেন সৈয়দ নাসের, ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:১৫



দিলু নাসের
আমাদের গাড়ি ছুটে চলছে পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত ভূমি পিএলও শাসিত ফিলিস্তিনের ওয়েস্ট ব্যাংকের ভেতর দিয়ে। ইসরাইল অধিকৃত ঐতিহাসিক নগরী জেরুজালেম থেকে ইসরাইলি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি কেন “গুম সংক্রান্ত অধ্যাদেশ” বাতিল করতে চায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৮


"গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ বাতিলের বিরোধিতা করলাম। এই অধ্যাদেশ বাতিলের সিদ্ধান্ত আমাদের এমন ধারণা দেয় যে বিএনপি গুমের মতো নিকৃষ্ট অপরাধের বিলোপ করতে উৎসাহী নয়। তারা কেন এটা বাতিল করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিখোঁজ সংবাদ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৫২



কাজকর্ম, রোজা, ঈদ, ছুটি, গ্রামের বাড়ি - সকল কিছুর পরেও আমি মাঝে মাঝেই ব্লগ পড়ি, পড়ার মতো যা লেখা ব্লগে প্রকাশিত হচ্ছে কম বেশি পড়ি। এখন তেমন হয়তো আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোগাক্রান্ত সাস্থ্য ব্যাবস্থাপনা

লিখেছেন মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্‌, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:১৪

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ কম—এটা সত্য, কিন্তু শুধু বাজেট বাড়ালেই সমস্যা পুরোপুরি সমাধান হবে না। বরং ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা—এই তিনটি জায়গায় শক্তিশালী সংস্কার সবচেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে। নিচে বাস্তবভিত্তিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×