আমরা মাছে ভাতে বাঙ্গালী হলেও খাবার সময় তরকারীর তালিকায় সবজি থাকবেই। আর গরমের দিনে সবজি হিসেবে সবার পছন্দ উচ্ছ্বে। সে কারণেই সময়টাকে মাথায় রেখে কৃষকেরা উচ্ছ্বে চাষ করে থাকে। তবে উচ্ছ্বে চাষটা ব্যাপক হারে না হওয়ার কারণে ঠিকমত উচ্ছ্বের চাহিদা অপূর্ন থেকে যায় প্রতিবছরই। তবে এ বছর উচ্ছ্বে চাষ করে বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছে নড়াইল জেলার লোহাগড়া সদর উপজেলার কৃষকেরা। যে জমিতে কৃষকেরা পাট বা মসূর ডাল চাষ করতো সেখানে এবছর তারা উচ্ছ্বে চাষ করে ঘুরিয়ে নিয়েছে নিজেদের ভাগ্য। () আগে অন্যান্য ফসলের চাষ করে তারা যে পরিমাণ অর্থ আয় করতো সেখানে কৃষকেরা উচ্ছ্বে চাষ করে তিনগুন বেশি লাভবান হয়েছে। কৃষকেরা বুঝে নিয়েছে যে বাংলাদেশের মাটি সোনার চেয়ে খাঁটি। আর তাই তারা, শুধু পুরম্নষেরায় চাষ কাজ করবে এমন নিয়ম ভেঙ্গে নারী পুরম্নষ একত্রে উচ্ছ্বে চাষে অংশ নিচ্ছে। এই ধারাবাহিকতা পরিলড়্গিত হয়েছে নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার বারম্নইপাড়া, মিঠাপুর, রায়গ্রাম, বাড়ীভাঙ্গা, বিল ইছামতি, গাছবাড়িয়া, হলদা, জালালসি, বৈকুন্ঠপুর নলদি, কালাচাঁনপুর, মতিনগর, নয়াপাড়া, মঠবাড়ি, নালিয়া, সুজোপুর, মদনপুরসহ আরো অনেক গ্রামের কৃষক পরিবারের মধ্যে। উচ্ছ্বে ড়্গেতে গেলে কৃষকেরা শোনান তাদের সফলতার কথা।() মাঠের পর মাঠ উচ্ছ্বে চাষ আর কৃষকদের ব্যসত্মতা দেখে বোঝাই যায় উচ্ছ্বে চাষ করে তারা অর্থনৈতিক ভাবে দারম্নন লাভবান। শুধু কৃষকেরাই লাভবান হয়েছে তা কিন' নয়, লাভবান হয়েছেন নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার শতাধিক দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের পাশাপাশি বেকার মহিলারাও। এইসব মহিলারা আগে বাড়ীর কাজ ছাড়া আর কিছুই করতে পারতো না। শুধু পুরম্নষদের আয়ে অভাবেই কাটতো তাদের সংসার। বর্তমানে নড়াইল জেলায় ব্যাপক হারে উচ্ছ্বে চাষ করায় আর উচ্ছ্বের ফলন ভাল হওয়ায় শুধু পুরম্নষেরা উচ্ছ্বে সংগ্রহ করে শেষ করতে পারে না। সেড়্গেত্রে গ্রামের মহিলারাও উচ্ছ্বে সংগ্রহের কাজে অংশ নেয় এবং প্রতিদিন দেড়শ থেকে দুইশ টাকা আয় করে।() বিসত্মৃর্ন এই উচ্ছ্বে গ্রামের কয়েকটি একটি নির্দিষ্ট স'ানে প্রতিদিন সকালে উচ্ছ্বে বেচাকেনার হাট বসে। এই হাটে প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার থেকে তিন হাজার মন উচ্ছ্বে বিক্রি করেন কৃষকরা। সেই হিসাবে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার উচ্ছ্বে কেনাবেচা হয় প্রতিদিন। সেখান থেকে উচ্ছ্বে ক্রয় করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় উচ্ছ্বে সরবরাহ করেন ব্যবসায়ীরা। নড়াইল জেলার লোহাগড়া সদর উপজেলায় ব্যাপক হারে উচ্ছ্বে চাষ হওয়ায় ঐসব গ্রামকে উচ্ছ্বে গ্রাম নামে পরিচিতি লাভ করেছে।
২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে
গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন
চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....
চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....
বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।