somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বেইজিং জাতের হাঁসের প্রজনন/ সাঈদ হাসান আকাশ

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


নওগাঁর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন কেন্দ্র হাঁসের বংশবৃদ্ধি, বাচ্চা উৎপাদন এবং হাঁস পালন কৃষক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে কাজ করে আসছে শুরম্ন থেকেই। শুধু দেশীয় জাতের হাঁস প্রজনন নিয়ে সফলতা অর্জন করেছেন তা কিন' নয়। দেশী- বিদেশী বিভিন্ন জাতের হাঁস নিয়ে গবেষণা করে আসছে সরকারী এই প্রজনন খামারটি। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তারা চীনের হাঁস প্রজনন ও লালন পালন করে সফলতা অর্জন করেছে যার নাম বেইজিং জাতের হাঁস। ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে হাতে গোনা কয়েকটি বেইজিং জাতের হাঁসের বাচ্চা আনা হয় এই হাস প্রজনন খামারে। দেশীয় হাসের মত দেশীয় খাবার খাওয়ানো যায় বলে এই হাঁস ভালোভাবে লালন-পালন করা যাবে আমাদের দেশে। এই বেইজিং জাতের হাঁস তিন ভাবে পালন করা সম্ভব। আবদ্ধ পদ্ধতি, আবদ্ধ ও আংশিক খোলা পদ্ধতি এবং উন্মুক্ত পদ্ধতিতে। যেহেতু হাঁস সবসময় পানিতে থাকতে পছন্দ করে তাই হাসের বাসস'ানের আশেপাশে পানি থাকার ব্যবস'া করে দিতে হবে। খাবার ও পানি দিতে হয় নির্দিষ্ট সময়ে। বেইজিং জাতের হাঁসগুলো দেখতে সাদা রংয়ের, ঠোট হলুদ রংয়ের এবং পাগুলো একটু লালচে হয়। এই হাসগুলো পালন করতে হলে কৃষকদের বা খামারীদের খুব বেশি জায়গার প্রয়োজন হয় না। বাড়ীর আঙ্গিনায় এই হাস পালন করতে পারবেন পারিবারিক ভাবে। মাত্র ৩০০ স্কয়ার ফিট জায়গার মধ্যে ১০০টি হাস পালন করা সম্ভব। যদিও এই হাঁস চীনে বেশি দেখা যায় কিন' বর্তমান সময়ে আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পারিবারিক বা বানিজ্যিক ভাবে পালন করা হয় এই বেইজিং জাতের হাস। খামারে এই হাসগুলো নিজেদের মত বিচরণ করে এবং বড় হয়। নওগাঁর এই হাঁস প্রজনন খামারে হাসগুলো পরিচর্যার জন্য ডার্ক এটেন্ডেন্ট সত্যেন্দ্র নাথ রায় সবসময় নিয়োজিত থাকেন। এই হাসের রোগ বালাই অন্যান্য জাতের হাসের মতই আর সেই কারণে নিয়মমত একবার বা দুইবার ভ্যাকসিন দিলেই আর রোগবালাই হয় না। দেশীয় জাতের হাসের চেয়ে বেইজিং জাতের হাঁস পালন করা লাভ জনক হবে বলে ধারণা করছেন এই হাঁস প্রজনন খামারের কর্মকর্তারা। তবে এই বেইজিং জাতের হাস নিজেরা বাচ্চা ফুটাতে চাই না বলে কৃত্রিম পদ্ধতিতে বাচ্চা ফুটাতে হয়। এই জাতের হাঁসগুলো দেশীয় জাতের হাসের চেয়ে এক থেকে দেড় মাস আগে ডিম দিতে শুরম্ন করে এবং বছর জুড়ে ডিম দিতে পারে। তবে বেইজিং জাতের হাস মাংস উৎপাদনের জন্য সবচেয়ে ভাল। মাত্র তিন থেকে চার মাসে এই হাসের ওজন হয় সাড়ে তিন থেকে সাড়ে চার কেজি পর্যনৱ। নওগাঁর এই হাস প্রজনন খামার থেকে বাচ্চা ক্রয় করে যদি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকরা পারিবারিক বা বানিজ্যিক ভাবে বেইজিং জাতের হাঁস লালন-পালন করে তাহলে তারা যেমন অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হবেন তেমনি ভাবে দেশের মাংসের চাহিদা পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব হবে বলে ধারণা সংশিস্নষ্টদের।
নওগাঁর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন কেন্দ্র হাঁসের বংশবৃদ্ধি, বাচ্চা উৎপাদন এবং হাঁস পালন কৃষক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে কাজ করে আসছে শুরম্ন থেকেই। শুধু দেশীয় জাতের হাঁস প্রজনন নিয়ে সফলতা অর্জন করেছেন তা কিন' নয়। দেশী- বিদেশী বিভিন্ন জাতের হাঁস নিয়ে গবেষণা করে আসছে সরকারী এই প্রজনন খামারটি। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তারা চীনের হাঁস প্রজনন ও লালন পালন করে সফলতা অর্জন করেছে যার নাম বেইজিং জাতের হাঁস। ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে হাতে গোনা কয়েকটি বেইজিং জাতের হাঁসের বাচ্চা আনা হয় এই হাস প্রজনন খামারে। দেশীয় হাসের মত দেশীয় খাবার খাওয়ানো যায় বলে এই হাঁস ভালোভাবে লালন-পালন করা যাবে আমাদের দেশে। এই বেইজিং জাতের হাঁস তিন ভাবে পালন করা সম্ভব। আবদ্ধ পদ্ধতি, আবদ্ধ ও আংশিক খোলা পদ্ধতি এবং উন্মুক্ত পদ্ধতিতে। যেহেতু হাঁস সবসময় পানিতে থাকতে পছন্দ করে তাই হাসের বাসস'ানের আশেপাশে পানি থাকার ব্যবস'া করে দিতে হবে। খাবার ও পানি দিতে হয় নির্দিষ্ট সময়ে। বেইজিং জাতের হাঁসগুলো দেখতে সাদা রংয়ের, ঠোট হলুদ রংয়ের এবং পাগুলো একটু লালচে হয়। এই হাসগুলো পালন করতে হলে কৃষকদের বা খামারীদের খুব বেশি জায়গার প্রয়োজন হয় না। বাড়ীর আঙ্গিনায় এই হাস পালন করতে পারবেন পারিবারিক ভাবে। মাত্র ৩০০ স্কয়ার ফিট জায়গার মধ্যে ১০০টি হাস পালন করা সম্ভব। যদিও এই হাঁস চীনে বেশি দেখা যায় কিন' বর্তমান সময়ে আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পারিবারিক বা বানিজ্যিক ভাবে পালন করা হয় এই বেইজিং জাতের হাস। খামারে এই হাসগুলো নিজেদের মত বিচরণ করে এবং বড় হয়। নওগাঁর এই হাঁস প্রজনন খামারে হাসগুলো পরিচর্যার জন্য ডার্ক এটেন্ডেন্ট সত্যেন্দ্র নাথ রায় সবসময় নিয়োজিত থাকেন। এই হাসের রোগ বালাই অন্যান্য জাতের হাসের মতই আর সেই কারণে নিয়মমত একবার বা দুইবার ভ্যাকসিন দিলেই আর রোগবালাই হয় না। দেশীয় জাতের হাসের চেয়ে বেইজিং জাতের হাঁস পালন করা লাভ জনক হবে বলে ধারণা করছেন এই হাঁস প্রজনন খামারের কর্মকর্তারা। তবে এই বেইজিং জাতের হাস নিজেরা বাচ্চা ফুটাতে চাই না বলে কৃত্রিম পদ্ধতিতে বাচ্চা ফুটাতে হয়। এই জাতের হাঁসগুলো দেশীয় জাতের হাসের চেয়ে এক থেকে দেড় মাস আগে ডিম দিতে শুরম্ন করে এবং বছর জুড়ে ডিম দিতে পারে। তবে বেইজিং জাতের হাস মাংস উৎপাদনের জন্য সবচেয়ে ভাল। মাত্র তিন থেকে চার মাসে এই হাসের ওজন হয় সাড়ে তিন থেকে সাড়ে চার কেজি পর্যনৱ। নওগাঁর এই হাস প্রজনন খামার থেকে বাচ্চা ক্রয় করে যদি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকরা পারিবারিক বা বানিজ্যিক ভাবে বেইজিং জাতের হাঁস লালন-পালন করে তাহলে তারা যেমন অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হবেন তেমনি ভাবে দেশের মাংসের চাহিদা পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব হবে বলে ধারণা সংশিস্নষ্টদের।
সাঈদ হাসান আকাশ, বাংলা ভিশন /০১৭১৬৬৭৮৪৪৮
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:১০
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে ভাল্লাগে- ২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯


"যে-রাঁধুনী জানে তার তরকারিতে স্বাদ হয়নি, সে নিমেষে লঙ্কার কৌটো উপুড় করে দেবে। তারপর অতিথি যখন কান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে হাঁউমাউ করবে, রাঁধুনী তখন মিটিমিটি হেসে বলবে—‘একটু ঝাল বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×