সিলভিয়া অত্যাধুনিক একটি মেয়ে, বন্ধুদের সাথে তার খুব সখ্য । সবার সাথে খুব মিশে, আড্ডা দেয়। আনন্দ উল্লাস আর হৈহুল্লোড় করে তার সময় কেটে যায়। বন্ধুর সাথে কক্সবাজার ঘুরতে যায় একসাথে একই হোটেলে থাকে রাতভর গল্প আর নারীর অবাধ স্বাধীনতার সবটুকু ভোগ করে সে।শিক্ষকেরা তাকে খুব ভালোবাসে প্রয়োজনের সময় তাকে কাছে পায় সেটা রাত কিংবা দিন । আত্মীয় স্বজনের মধ্যে কাজিনরা সবাই তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ, কারো সাথে ভাব নেয় না সবার সাথে জড়াজড়ি করে গলাগলি করে কোন বাচ বিচার নাই।
নাচে গানে খুব পারদর্শী সিলভিয়া, ছোট বড় সবাইকে একই চোখে দেখে সে। নাচের প্রয়োজনে ন্যাংটা হতেও রাজী সে অন্তত নাচের জন্য যদি উলঙ্গ হওয়া প্রয়োজন হয়।
ছেলেবন্ধুর সাথে একই রিকশায় করে ঘুরে বেড়ায় প্রয়োজন অনুযায়ী শরীরের দাবিটুকুও মিটিয়ে নেয় তারা পরস্পরে।
সিলভিয়ার ধর্ষন বা ইভটিজিং এর ভয় নেই ইভটিজারদের সাথে তার সম্পর্ক ঘনিষ্ট এবং বন্ধুত্বপূর্ণ তারা নাচাইতেই সিলভিয়াকে কাছে পায় সিলভিয়াও নিজেকে বিলিয়ে দেয় অকাতরে। সিলভিয়াকে ধর্ষনের আশা পোষন করে না কেউই যদিও সে অসম্ভব সুন্দরী। সে আপষে সবার সাথে শারীরীক সম্পর্ক করে যায় তাকে জোর করতে হয় না।
সিলভিয়া সারারাত হাই ভলিউমে হিন্দি গান শুনে প্রতিবেশীরা তা নিয়ে কোন টুশব্দ পর্যন্ত করে না এই ভেবে যে আধুনিক মেয়েরা এমনই হয়। সিলভিয়া সারারাত চটি বই পড়ে তার নিজস্ব চটি বইয়ের সংগ্রহ আছে । মন চাইলেই সে কম্পিউটারে পর্নোমুভি দেখে তার কাছে আছে রগরগে সব আধুনিক কালেকশান। একসাথে বন্ধকে নিয়ে এসব ছবি দেখে সে আবার তার প্র্যাকটিসও নিজেদের মধ্যে করে নেয়।
সিলভিয়া রাত্রি জাগতে ইয়াবা গ্রহন করে এটা তাকে বাড়তি শক্তি যোগায়। মাঝে মাঝে হিরোইনও সেবন করে সে । বন্ধুরা সকলে একসাথে মিলেমিশে বিদেশী মদ পান করে আবার মাতলামিও করে মাঝে মাঝে।
সিলভিয়ারা এই দেশের সম্পদ, তারা আধুনিক, তারা এদেশের অনেক যুবককে যেীনসেবা দিয়ে থাকে। তাদের জন্য আইনের দরকার হয় না পুলিশ কখনো তাদের তল্লাসী করবে না। মদ্যপান করে বেশী মাতাল হয়ে গেলে সসম্মানের সাথে পুলিশ তাদের বাসায় পেীছেঁ দিয়ে আসে। তাদের বাসার কম্পিউটারে পর্নো মুভ থাকুক আর বুক সেল্ফ চটি বই দিয়ে ভরা থাকুক তাতে কারো কিছু যায় আসেনা।
কিন্তু
তখনই আমাদের গায়ে লাগে যখন কোন মেয়ের কম্পিউটারে ইসলামী গান থাকে, ওয়াজের ক্যাসেট থাকে, বুক সেল্ফে কুরআন তাফসীর, হাদীস, ইসলামি সাহিত্য এই সব থাকে । কোথাও এই ধরনের মেয়েরা কোরআন তালিমের জন্য জড়ো হলে কিংবা ধর্মীয় কোন আলোচনা তারা করলে তাদেরকে গ্রেফতার করতে হবে। মামলা দিতে হবে রাষ্ট্রদ্রোহ যদি তারা ৮ মাসের অন্তসত্বাও হয়। তাদেরকে আদালতের কাঠগড়ায় ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড় করিয়ে রাখতে হবে। তাদের নামে নানা কল্পকাহিনী বানিয়ে তাদেরকে জঙ্গী সন্ত্রাসী বানিয়ে মিডিয়ায় প্রচারের ব্যস্থা করতে হবে।
এই হচ্ছে আমাদের দেশ, আমাদের নীতিনৈতিকতা এরকমই। ধিক জানাই এমন সমাজ সংস্কৃতি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



