somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সার্জেন্টের ঈদ বোনাস অতঃপর রাস্তায় ইফতার

০৭ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গতকাল বাসায় ফিরছি লোকাল বাসে করে, বাম দিকে জানালার পাশেই বসা একবারে পিছনের সিটের আগের সিটে। ইফতারের আর বেশী দেরী নেই খুব সম্ভব আধা ঘন্টা বাকী। বাস স্বাভাবিক গতিতে চললে সময় মত বাসায় গিয়ে ইফতার করা যাবে। আসাদ গেট পার হয়ে আড়ং সিগনাল ক্রস করে বামে মোড় নিতেই বেরসিক ট্রাফিক সিগনাল দিয়ে আমাদের বাস থামালো। বেরসিক বলছি এই কারনে একবারে চলন্ত একটা গাড়িকে সিগনাল দিয়ে থামিয়ে দিয়েছিল সে। গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চাইলো সার্জেন্ট, ড্রাইভার গাড়ি থেকে নেমে কাগজপত্রগুলো দেখাতে নিয়ে গেলো। কাগজ পত্রগুলোর উপর চোখ বুলিয়ে গাড়ি রাস্তার একপাশে সাইট করে রাখতে ইঙ্গিত করলো ড্রাইভারকে। বুজলাম কাগজপত্র ঠিক নেই, গাড়ির অবশ্য ঠিক থাকার কথাও না গাড়ির যে অবস্থা তাতে কেজি দরে বিক্রি করে দেওয়া ছাড়া রাস্তায় চলছে কিভাবে সেটা অবিশ্বাস্য একটি বিষয়। ড্রাইবার বার বার সার্জেন্টকে বলতেছে, স্যার মামলা দিয়ে দেন চলে যাই। কিন্তু সার্জেন্ট মামলা দিবেনা কারণ এই গাড়ি রাস্তায় চলতে পারবে না। আমারও মাথায় আসেনা মামলা দিয়ে দিলে সার্জেন্টের অসুবিধা কোথায়? ওদিকে ট্রাফিক গাড়ির হেলফারকে ডেকে নিয়ে এক আঙ্গুল উঠিয়ে দেখালো, মানে এক হাজার টাকা দিলে গাড়ি ছেড়ে দিবে। হাজারটা মামলা নিতে রাজি কিন্তু নাছোড়বান্দা ড্রাইভার টাকা দিতে রাজি হলো না। ট্রাফিক আস্তে করে বললো, আরে ভাই আপনি তো আচ্ছা লোক দুই হাজার টাকার মামলা নিতে রাজি কিন্তু এক হাজার টাকা দিতে রাজি হচ্ছেন না, বুজেন না কেন সামনে ঈদ স্যারের ঈদ বোনাস লাগবে না? ড্রাইভার স্যারের ঈদ বোনাস দিতে অপারগতা প্রকাশ করলো আর তার বলি হলাম আমরা। গাড়ি আর সামনে এগোলো না, আমরা সবাই নেমে যার যার মতো গন্তব্যের পিছে ছুটতে লাগলাম। অনেক কষ্টে আরেকটা গাড়িতে উঠে বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম কিন্তু সময়মতো বাসায় পেীঁছতে পারলাম না তাই ইফতারটা রাস্তায়ই করতে হয়েছে। গাড়িতে ইফতার করছি আর ভাবছি কি সুন্দর অভিনব পদ্ধতি ঈদ বোনাস তোলার তাও আবার একবার নয় বার বার, আমরা কি পাবো আমাদের ঈদ বোনাস যেখানে বকেয়া বেতন পাবো কিনা তা নিয়ে মাথা ঘামাতে হয়।
৩টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার বেঁচে থাকাই তাদের ভয়ের কারণ॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫১





শেখ হাসিনার বেঁচে থাকা নিয়ে আক্ষেপ কেন? একটি রাজনৈতিক সমীকরণের বিশ্লেষণ

সম্প্রতি তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদুর রহমানের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়েছে - "শেখ হাসিনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্যালটের চিঠি: মাননীয় ট্রাম্প, আপনার বাকি বন্ধ

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩

ব্যালটের চিঠি: মাননীয় ট্রাম্প, আপনার বাকি বন্ধ

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

"আমেরিকাকে আবার মহান করব" বলে এসে যিনি দুনিয়ার সবাইকে বিরক্ত করলেন, ভোটাররা তাঁকে জানিয়ে দিলেন: হুমকি ধমকি আর উম্মাতাল আঁতলামির... ...বাকিটুকু পড়ুন

×