পশুর জাত পশুই থেকে যাবে, নামকাওয়াস্তে ইসরাইলি হামলার বিরোধীতা করছে ঠিকই কিন্তু আড়ালে আবডালে ইসরাইলের হামলার সপক্ষে যুক্তি দিতে দ্বিধা করে না।
আপনি ইসরাঈলী পন্য বর্জনের ডাক দিয়েছেন -- হঠাত ধোয়া তুলে দিলো ইসরাঈলের সাথে যেহেতু বাংলাদেশের কুটনৈতিক সম্পর্ক নাই সেহেতু বাংলাদেশে ইসরাঈলী পন্য প্রবেশের কোন সুযোগ নাই। আবালরা এটা বুজার চেষ্টা করে না পণ্য প্রবেশের জন্য জন্য কুটনৈতিক সম্পর্কের দরকার হয় না।
আপনি ফিলিস্তিনে ডোনেশনের আবেদন জানাচ্ছেন ----- বলবে আপনারা ধান্দাবাজির একটা রাস্তা খুলে বসেছেন মানুষকে কেবল সাবধান করবে আর অনবরত নিরুৎসায়িত করতে থাকবে এই বলে যে আপনার দুচার টাকায় কি হবে কোটি কোটি ডলারের কাছে। কিন্তু ওরা এটা বুজে না যে অল্প থেকেই বেশী হয়।
আপনি ফিলিস্তিনি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মিছিল মিটিং করবেন ----- বলবে দেশে ফাল মেরে কি হবে? এতই যখন দরদ যান না ইসরাঈলে কয়টা বোমা মেরে দিয়ে আসেন। কিন্তু ওরা কি বুঝে মিটিং মিছিলেও একটা বিশ্ব জনমত তৈরী হতে পারে।
আপনি ফিলিস্তিনিদের জন্য দোয়া করতে বলবেন ----- বলবে দোয়া করে কি হবে ৭১ সালেও তো দেশের মানুষ দোয়া করে পাকিস্তানি হামলা ঠেকাতে পারে নাই।
আপনি ফিলিস্তিনে ইহুদী হামলার বিরোধীতা করবেন ---- বলবে কই আপনারাতো সিরিয়াতে যখন একপক্ষ আরেকপক্ষ মুসলমানদের উপর হামলা করে তখনতো বিরোধীতা করেন না এখন কেন ইহুদীদের হামলার বিরোধীতা করছেন আগে নিজেদের ঝামেলা নিজেরা সামলান পরে অন্যের জামেলা মিটাইয়েন।
যেখানে মানব হিসাবে এক পক্ষ আরেক পক্ষের মানবাধিকার লংঘন করছে সেখানে মনস্তাত্বিক বিরোধীতা কার স্বার্থে? নাকি দেশের পুত্রবধু ইহুদী বলে দরদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে?
কে মুসলমান কে হিন্দু আর কে ইহুদী সেটা দেখার সময় কই? পাপী কোন ধর্মের সেটা দেখার আগে দেখেন না তার অপরাধ। ফিলিস্তিনে আজ মানবাধিকার বলতে কিছু নাই, সেখানকার মানুষের জীবন আজ পশুপাখির চেয়েও মূল্যহীন হয়ে পড়েছে ।
তাই আর কোন দিক না তাকিয়ে অন্তত একজন মানুষ হিসাবে ফিলিস্তিনে হামলার পক্ষে সমর্থনের রসদ সরবরাহ বন্ধ করেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




