somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তারানা হালিমের কয়েক সেকেন্ডেই শিশু হত্যা!

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রায় ১৫-২০ দিন যাবৎ ফেজবুক বন্ধ আছে। এটা নিয়ে অনেক লেখালেখিও হচ্ছে। এরই মধ্যে কয়েকদিন আগে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম অত্যন্ত ভাবাবেগ সমৃদ্ধ একটি লেখা লিখেছেন। যেটি বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচার হয়ে আসছে। তিনি কি লিখেছেন, কেন লিখেছেন বা তার লেখায় যে ক্ষমা প্রার্থীতার বিষয়ে কেন লিখেছেন তা নিয়ে কিছু বলছি না। তবে একজন প্রতিমন্ত্রী কিভাবে একটা ভুল তথ্য দিলেন সেটা নিয়ে একটু লিখতে বসলাম। পরীক্ষার চাপে লেখাটা লিখতে একটু দেরী হওয়ায় আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

প্রতিমন্ত্রী লিখেছেন, ‘‘আরেকটি ঘটনা বলি, পুলিৎজার পুরস্কার পাওয়া এক চিত্রগ্রাহক একটি ছবি তুললেন ক্ষুধার্ত এক শিশু এবং তার মুখোমুখি একটি শকুনের। ছবি হিসেবে অসাধারণ। তার সামনে ২টি বিকল্প ছিল- হয় তিনি ছবিটি তুলবেন, নয়তো শিশুটিকে দ্রুত তুলে নিয়ে নিকটবর্তী হাসপাতালে যাবেন। তার কাছে প্রথম বিকল্পটি আকর্ষণীয় মনে হলো। তিনি তুললেন অসাধারণ ছবিটি। কিন্তু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে শিশুটি মারা গেল”।

শিশুটি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে মারা গেল!- এই তথ্যটি উনি কোথায় পেলেন তা কি কারো জানা আছে? আমার স্বল্প জ্ঞানে তা জানা নেই।

আসুন, শকুন ও শিশুটির সেই ছবিটা নিয়ে একটু ইতিহাস ঘাটি:

উইকিপিডিয়া থেকে জানা যায়, ছবিটি ক্যামেরাবন্দী করেছিলেন কেভিন কার্টার। যেটি ২৬ মার্চ ১৯৯৩ সালে ভাইরাল হয়। উইকিপিডিয়াসহ কোথাও লেখা নেই বাচ্চাটা মারা গেছে কিনা? সেই একই ঘটনার ছবি আরো অনেকে তুলেছিলেন। তারাও শিশুটির মৃত্যুর কথা বলেননি। অনেক নিউজ সাইটেই পড়লাম, শিশুটির বাবা-মা কিছু দূরে ফিড সেন্টার থেকে খাবার সংগ্রহ করছিলেন। হয়তো তারা বাচ্চাটিকে নিয়ে গেছে। কিন্তু কোথাও বাচ্চাটি সেকেন্ডের মধ্যে কেন কয়েক ঘন্টা পরও মারা যাওয়ার কথা লেখা নেই।

তাহলে প্রতিমন্ত্রী কেন বাচ্চাটিকে মেরে ফেললেন? এটা আমার বোধগম্য নয়। হতে পারে লেখায় আবেগ বৃদ্ধি করতেই তিনি এমনটি করেছেন।

যাক ভাই, বড় মানুষের কথা বলেই কথা। আমার মত ক্ষুদ্রজনের বিজ্ঞজনের ভুল ধরা বেয়াদবীরই শামিল।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৪২
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অন্ধকারের আলোকবর্তিকা

লিখেছেন স্প্যানকড, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬




একটা দেশ যখন শিক্ষিত চাপাবাজ, ক্ষমতার দরবারে নতজানু বুদ্ধিজীবী এবং মুখোশধারী ডাকাতদের হাতে পড়ে, তখন সেই দেশ আর মানচিত্রে থাকা একটি ভূখণ্ড থাকে না, হয়ে যায় আলীবাবার চল্লিশ চোরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যুর আগে কি মানুষ টের পায়, সে মারা যাচ্ছে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭



মৃত্যুর কয়েক মুহুর্ত আগে, টের পাওয়া যায়- মরে যাচ্ছি।
সময় শেষ। তবে সবাই বুঝতে পারে না। কেউ কেউ বুঝতে পারে। আমার বাবা একদিন মাকে বলল, আমার দোষ ত্রুটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সে আমার এআইনোক্কিও

লিখেছেন শায়মা, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪৪


এক জীবনে কত কিছু দেখা হয় কত কিছু জানা হয় মানুষের! আসলেই কত অজানারে! লেখক শংকরের এই নামে একটি বই আছে। কবিগুরুর আছে কবিতা কত অজানারে জানাইলে তুমি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ সাইটের জন্য ডোমেইন নাম সাজেস্ট করুন

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৫৫


বাংলায় ব্লগিং করার জন্য একটি ওয়েব সাইট তৈরী করতে চাচ্ছি। আপাতত মূল উদ্দেশ্য হলো সামুতে লিখা আমার সবগুলো পোস্ট ধীরে ধীরে সাইটটিতে আর্কাইভ করে রাখা। সামুতে অনেকে নিবেদিত প্রাণ ব্লগার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড্যাম কেয়ার সেই মেয়েটি AI দিয়ে সাজে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:২২



ড্যাম কেয়ার সেই মেয়েটি AI দিয়ে সাজে
==================================
পিঠ ছুঁয়ে নামা মেঘবরণ তার লম্বা কালো চুল,
তারই মাঝে লুকিয়ে হাসে একটি সাদা ফুল।
চোখ দুটো তার ডাগর ডাগর, অবাক করা আলো,
দুষ্টুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×