somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

২০০১ সাল

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৮:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২০০১ সাল লেখাপড়া বন্ধ। খেলাধুলায় প্রতিদিন চলে যেত। খুব খুশী পড়ালেখা নাই কী মজা। হেসে খেলে, দুষ্টুমিতে কেটে যেত দিন। খতনা বা মুসলমানি করা হয় তখন বয়স হবে ১৩ কি ১৪!? যাইহোক বড় ভাই সম্ভবত ২০০২ কি ২০০৩ সালে মাদ্রাসায় ভর্তি করে কিন্তু ৪ দিন, মনে হয় ক্লাস করেছি তারপর আর যাওয়া হয়নি। ছোট ছোট শিশু বাচ্চাদের সাথে আলিফ, বা, তা বা আরবি হরফ পড়তে হতো। সমস্যা হলো আমি ওদের সাথে তালমিলেয়ে পড়তে পারতাম না তাই খুব বিরক্ত লাগতো। আসল কথা হলো ওদের চেয়ে আমি বয়সে বড় ছিলাম। তারপর এই মাদ্রাসার পড়ালেখাও বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৩ আবার সপ্তম শ্রেণীতে ভর্তি হই। থাকার কথা অষ্টম শ্রেণীতে। এখনেও ২য় সাময়িক পরীক্ষা পর্যন্ত পড়েছি। খুব কষ্ট হতো পড়ালেখা করতে কারণ গ্যাপ ছিল পড়াশোনা ভুলে গেছি। তার মধ্যে কারো হেল্প নাই। মেজ ভাই বিয়ে করে। এরপর লেখাপড়া বন্ধ। বয়ঃসন্ধি কাল ছিলো নারীদের ভাবতাম মা কল্পনা করতাম এখনও করি বাদ দিতে পারছি না কোনোভাবে। সেই সয়ম একটি মেয়েকে সুন্দর লাগলো। হঠাৎ হঠাৎ দেখা হতো। দেখা হলো ভালো লাগতো। কিন্তু কিছু বলার সাহস হতো না। কোনো বন্ধুকে কোনো দিন বলতেও পারি নাই আজও। এভাবে বিভিন্ন সয়ম বহুরূপি তরুণী পছন্দ বা সু্ন্দর লেগেছে! কাউকে বলার সাহস আর হয় নাই আদৌ।

আনেক ধরনের কাজ করেছি। কিন্তু কোনো কাজে আর সফল হইনি। কারণ অসুন্থ হয়ে যেতাম। সেজন্য আর নারী চিন্তায় মগ্ন থাকতাম বিষণ্ণতায় ডুবে থাকতাম। তবে পত্রিকা পড়তাম মাঝে মাঝে সাহিত্য সাময়িকী, কালি ও কলম, যায়যায় দিন, ভাই এর পাঠ্য বই পড়তাম। সেজন্য এখন একটু লিখতে পড়তে পারি আর কি। বিটিভি দেখতাম আর সফলতার গল্প শুনে স্বপ্ন দেখা শুরু করলাম। কিন্তু কোনোভাবে আর সফল হতে পারলাম না। বিটিভিতে বংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান হতো তা দেখে দেখে ভর্তি হওয়ার ইচ্ছে যাগতো। কোথায় কিভাবে ভর্তি হতে হয় জানা ছিলো না। কত মানুষকে জিজ্ঞাসা করেছি জানতে পারছিলাম না। ২০০৭ সাল এরে শেষের দিকে কথা এক ভাই এর সাথে কম্পিউটার শিখতে গিয়ে পরিচয় হয়। সে-এই একটা প্রস্পেস্টাস নিয়ে আসে। সেটা দেখে কাছের টিউটরিয়াল সেন্টর খোঁজা শুরু করলাম। অবশেষে খুঁজেও পেলাম। ভর্তি হলাম। পড়ালেখা শুরু করলাম ভালোই যাচ্ছিল...
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৮:২৮
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কিছু ছবি ‍কিছু কথা-----------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:১১

-----------------



ব্লগে পোস্ট দিব দিব করে আর দেওয়া হচ্ছে না্। ঈদের ছুটিতে প্রায় ১৫ দিন ছিলাম গ্রামের বাড়ি। তখনও লিখবো করে আর মোবাইল হাতের কাছে পাই না..........বাচ্চা কাচ্চা খেলা ধুলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমেরিকার বর্ণবাদী লরা লুমার এবং ভারতীয় মিডিয়া চক্রের বিপজ্জনক ঐক্য

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


লরা লুমার নামে আমেরিকায় একজন ঘৃণ্য বর্ণবাদী, কট্টর ডানপন্থী রাজনৈতিক কর্মী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আছেন। তিনি ট্রাম্পের অনুগত হিসেবে পরিচিত। তার মুখের ভাষা এত জঘন্য যে ট্রাম্পের অনেক ঘোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শূন্য বুক (পিতৃবিয়োগ)

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৪


চার
রোববার বেলা ১১টার মধ্যে জাহাঙ্গীর গেটের সামনে এসে পৌঁছাল গাড়ি। মৃণাল আগে থেকেই প্রস্তুত হয়ে বসেছিল। চালক উত্তরা এসে ফোন করেছিল। যাহোক, স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে মা-বাবা আর মামার সঙ্গে বারডেমে চলল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওয়াশিংটন থেকে বেইজিং: বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫


মার্চ ২০২৬-এর ক্যালেন্ডার বলছে, বাংলাদেশের কূটনীতি নতুন দিকে মোড় নিয়েছে । একই সময়ে বাংলাদেশের তিনজন হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব আমেরিকার মাটিতে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নিউ ইয়র্কে ব্যস্ত নিজের ক্যাম্পেইনে। সেনাপ্রধান জেনারেল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন ওরফে সংবিধান সালাহউদ্দিন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০


ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন যিনি দীর্ঘসময় ভারতের তত্ত্বাবধানে শিলংয়ে সংবিধানের ওপর পিএইচডি করেছেন ফলে উনি এখন সংবিধান সালাহউদ্দিন যার সুফল এখন আমরা পেতে চলেছি। ইতোমধ্যেই আপনারা লক্ষ্য করেছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×