
টেলিকম সংস্থাগুলির দাবির বিষয়ে ট্রাই সাধারণ মানুষের মতামত চেয়েছিল। ইতিমধ্যে ট্রাইয়ের কাছে পৌঁছে গিয়েছে ১ লাখ ই-মেল। websitesavetheinternet.in –এর মাধ্যমে ওই মেল পৌঁছে গিয়েছে ট্রাইয়ের কাছে।
উল্লেখ্য, নেট নিউট্রালিটির অর্থ সকলের কাছে বৈষম্যহীনভাবে ইন্টারনেট পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া। সারা বিশ্বেই এই ধারণা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আমেরিকা, চিলি, নেদারল্যান্ডস ও ব্রাজিলে ইতিমধ্যেই নেট নিউট্রালিটি চালু হয়েছে। নেট নিউট্রালিটি-র মূল কথা হল সব গ্রাহক একই পরিষেবা একই দামে পাবেন। কোনও বৈষম্য হবে না।পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলি সব ধরনের বিষয়বস্তু ও অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুযোগ গ্রাহকদের দেবে। এক্ষেত্রে কোনও বিশেষ অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্লক করা যাবে না বা আলাদা চার্জও নেওয়া যাবে না।
ইন্টারনেট ব্যবহারের বিধি চূড়ান্ত করার জন্য সাধারণের মতামত জানতে চেয়েছে ভারতের টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
কিন্তু গ্রাহকরা চাইলেও টেলিকম কোম্পানিগুলি এর তীব্র বিরোধিতা করেছে। তাদের আশঙ্কা, র ফলে তাদের আয় মার খাবে, হোয়াটসঅ্য়াপ, ফ্লিপকার্ট, স্কাইপির মতো অ্যাপ তাদের নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে যায়। কিন্তু গ্রাহকরা এগুলি ব্যবহার করলেও তাদের কোনও আয় হয় না।
নেট নিউট্রালিটি-হল, পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা ডেটা বিক্রয় করতে পারে। কিন্ত গ্রাহক তা কীভাবে ব্যবহার করবে তাতে কোনও হাত থাকে না তাদের। নেট নিউট্রালিটির ধারণা অনুযায়ী, পরিষেবা প্রদানকারীর কাছ থেকে ইন্টারনেট প্যাক কিনলেও কীভাবে তা ব্যবহার করা হবে তা একমাত্র গ্রাহকই ঠিক করবেন। এতে পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার কোনও নিয়ন্ত্রণ থাকে না

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


