somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সৈকত বিআইএইচআর
https://www.jmbf.orgnhttps://www.facebook.com/Shahanur.Saikot

পাকিস্তান নামক এই কুলাঙ্গার জাতি কি কখনোই শুধরাবে না?

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই পাকিস্তান নামক কুলাঙ্গার জাতিটি বাংগালীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছিল। শুধুমাত্র তাদের ষড়যন্ত্রের কারণে ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশ ভারত-পাকিস্তানের সাথে পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্বপ্রকাশ করতে পারেনি। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটিকে গলাটিপে হত্যা করে পাকিস্তানের প্রদেশ হিসেবে পুর্ব পাকিস্তান নামে আত্বপ্রকাশ করতে হয়েছিল। ১৯৪৭ সাল থেকে ১৭৯১ সালে স্বাধীনতা লাভের আগ পর্যন্ত পাকিস্তানের ইতিহাস আমরা সবাই কম বেশী জানি। পাকিস্তানের শোষণে বাঙ্গালী জাতি যখন নিষ্পেষিত, বাংঙ্গালীর কন্ঠ যখন রুদ্ধ তখন ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদ আর ৩ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক স্বাধীন জাতির অভ্যুদয় ঘটে।

বাংগালি জাতি যেন স্বাধীনতা লাভ করলেও ভবিষ্যতে মাথা তুলে দাড়াতে না পারে সে জন্য পাকিস্তানীরা কিছু বাংগালী জারজদের সহযোগিতায় বিজয়ের দু’দিন আগে বাংলার সূর্য সন্তান বুদ্ধিজীবীদের সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। আর বাংগালীদের মনোবল ভেঙ্গে দেয়ার জন্য মা-বোনদের গণহারে ধর্ষণ করতে থাকে। বাংগালীদের অসিম সাহস আর মনোবলের কাছে টিকতে না পেরে এক সময় পাকিস্তান বাহিনী পরাজয় স্বীকার করতে বাধ্য হন। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানিরা যেসকল যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছিল তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল ও নিন্দিত হয়ে রয়েছে। পরবর্তীতে এদেশে আটক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার মুচলেকা দিয়ে পাকিস্তানিরা তাদের দেশে ফিরিয়ে নেই।

কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় সকল আন্তর্জাতিক নর্ম, এথিকস, ভ্যালুকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে এই কুলাঙ্গার পাকিস্তানি জাতি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারত করেননি বিভিন্নভাবে বাংগালী জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। যাতে বিএনপি-জামাতের মত এদেশীয় কিছু দোসর যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা মেনে নিতে পারেনি তারা সব সময় পাকিস্তানিদের ইন্ধন দিয়ে এসেছে।

স্বাধীনতার ৪০ বছর পর যখন এ দেশিয় মানবতা বিরোধী অপরাধে অবিযুক্ত কুলাঙ্গারদের বিচার হচ্ছে, তখন তাদের দোসর পাকিস্তানিদের গায়ে যেন ফোসকা পড়তে শুরু করছে। তাইত তারা তাদের ষড়যন্ত্রের পরিমাণও বাড়িয়ে দিয়েছে। এদেশে যেন কোন মানবতাবিরোধি অপরাধের বিচার না হয় সে জন্য আন্তর্জাতিকভাবে তদবীর ও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তাছাড়া বাংলাদেশকে জঙ্গী রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য জোড় প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এজন্য তারা কূটনৈতিক সুবিধা ব্যবহার করছে।

সকল প্রকার কূটনৈতিক শিষ্ঠাচার তুচ্ছ করে মানবতা বিরুধী অপরাধের বিচারের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র তাদের সংসদে প্রস্তাব উত্থাপন ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় কর্তৃক বিবৃতি প্রদানের মধ্যেই তারা সীমাবদ্ধ থাকেনি। তারা বাংলাদেশে দূতাবাসের মাধ্যমে এজেন্ট নিয়োগ করে এদেশে জুঙ্গিবাদে মদত দিতে শুরু করে। আর সে বিষয়ে ধরা খেয়ে পাকিস্তানে নিয়োজিত বাংলাদেশী কুটনৈতিককে প্রত্যাহারে বাধ্য করে।

কূটনৈতিক সুবিধা নিয়ে এ দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গতকাল পাকিস্তান দূতাবাসের এক কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সকল প্রকার কূটনৈতিক শিষ্ঠাচার পায়ে দলে পাকিস্তানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তাকে তারা গুম করার চেষ্টা করে। যদিও বাংলাদেশ সরকার এদেশে নিয়োজিত পাকিস্তান দুতকে তলব করে বিষয়টির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। তথাপি শুধুমাত্র প্রতিবাদ জানানো যথেষ্ট বলে মনে হয় না। তাদের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখাতে কতটা লাভ এবং না রাখলে কতটা ক্ষতি সে বিষয়গুলো এখন ভেবে দেখার সময় হয়ছে। কুটনৈতিক সম্পর্ক সম্পন্নরুপে ছিন্ন না করলেও স্থগিত রাখার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।

কারণ পাকিস্তান নামক এই কুলাঙ্গার জাতিটি এত সহজে তার পড়াজয়ের প্রতিশোধ নেয়া থেকে বিরত থাকবে বলে মনে হয় না। তাই নিত্য নতুন ষড়যন্ত্রের ফন্দি আটকে থাকবে এবং সুযোগ পেলে যেকোনভাবে মরণ কামর দেয়ার চেষ্টা করবে। কুকুরের লেজ যেমন সোজা হয় না, পাকিস্তানের চরিত্রও তেমন পরিবর্তন হবে না। আসলে পাকিস্তান নামক এই কুলাঙ্গার জাতিটি কখনও শুধরাবে না!
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:০১
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)
.................................................................................................................



কক্ষপথে ঘোরে আমার একলা মনের ইলেকট্রন,
নেগেটিভ চার্জে মেঘ জমেছে, খুঁজছে আজি কার্বন মাখা অন্যমন।
তুমি যখন পজিটিভ এনার্জিতে, এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৮



পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

একটি একটি সামরিক কৌশল। কোনো সামরিক বাহিনী যখন পিছু হটে বা শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে চায়, তখন তারা নিজেদেরই ফেলে যাওয়া এলাকার সমস্ত ফসল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের পরিকল্পনাটা কোথায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১০


ডা. জাহেদ উর রহমান। জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনা বিরোধী ছিলেন এবং তাঁকে চেনেন না, এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। মানুষটি অ্যাক্টিভিজম ছেড়ে নতুন সরকারের মুখপাত্র হয়েছেন। এতে আমার মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:২৫

[মানুষ এতো দুষ্ট কেন? পুরনো কথা ভিডিও সহ ফেসবুকে এভাবে না ছাড়লে হয় না। ]

“আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন"

২৫ হাজার টাকার মজুরি আন্দোলন আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে- ভাল্লাগে!

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৭


আমাদের ঝাল খাওয়ার ইতিহাস হাজার বছরের নয়, তবুও কেন আমরা ঝাল পাগল জাতি হলাম এইটা নিঃসন্দেহে গবেষনার বিষয়। পর্তুগীজেরা না আসলে আমরা হয়তো কাঁচা লঙ্কা বা শুকনো লঙ্কা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×